
দেশের উত্তরাঞ্চলের সম্প্রীতির জনপদে বিদায়ী বছরে দেখা গেছে সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুন। পীরগঞ্জের বড় করিমপুর কসবা হিন্দুপল্লিতে ১৭ অক্টোবর রাতে চালানো হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে ২৪টির বেশি ঘর পুড়ে যায়। ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এই তাণ্ডব চালানো

পীরগঞ্জের রামনাথপুরের চেরাগপুর গ্রাম। গত রোববার মণ্ডলবাড়িতে গিয়ে সৈকত মণ্ডলের খোঁজ করলে এগিয়ে আসেন তাঁর মা আঞ্জুয়ারা বেগম। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চাইলে সৈকতের বাবার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পরামর্শ দেন তিনি।

‘হাজারো লাঠি ও ইট দিয়ে টিনের বাড়িতে হামলা করে। এমন শব্দ হতে থাকে যে, মানুষ ঘর ছেড়ে যে যার মতো পালায়। ধানের উচ্চতা বেশি থাকায় বেশির ভাগ মানুষ ধানখেতে শুয়ে লুকায়। আবার কিছু মানুষ প্রতিবেশী মুসলিমদের বাড়িতেও লুকায়।’

একদিকে সব পুড়ে খাক। বিধ্বস্ত সবকিছু। মানুষ ও মানুষের আবাস কোনো কিছুই আর স্বাভাবিক নেই। সবকিছুতেই একটা অচেনা আবহ। একদিকে মানুষের নিষ্ঠুরতায় বিহ্বল সব হারানো মানুষ। এই ক্ষত তো সহজে ঘুচবার নয়। অন্যদিকে গ্রেপ্তার ও আটকের আতঙ্কে রয়েছে বাকিরা। বলা হচ্ছে রংপুরের পীরগঞ্জের কথা।