
পবিত্র মাহে রমজান আত্মসংযম ও ইবাদতের বসন্তকাল। রমজানে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এ মাসে তাই জাকাত আদায়ের প্রবণতা বেশি দেখা যায়। নবীজি (সা.) রমজান মাসে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন। তাঁর উদারতা ছিল প্রবহমান বাতাসের মতো। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই রমজানকে জাকাত ও সদকার মৌসুম বলা হয়। ফলে দরিদ্র

ইসলামি সামাজিক অর্থ-সংস্থানকে একটি কার্যকর ও টেকসই উন্নয়নমূলক হাতিয়ারে রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকাঠামোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে ‘গিভিং গ্রেস ফাউন্ডেশন (জিজিএফ)’। জাকাত, সদকা, ওয়াকফ ও করদে হাসানাহর সুসংগঠিত ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনই এই ফাউন্ডেশনের মূল

ব্যাংকের ব্যক্তিমালিকানাধীন সব ধরনের অ্যাকাউন্টই জাকাতযোগ্য। এতে গচ্ছিত টাকা ব্যক্তির নগদ অর্থ হিসেবে ধরা হবে। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নিসাবের মালিক হওয়ার পর এক বছর অতিবাহিত হলে তাঁকে নিজের স্বর্ণ-রৌপ্য, ব্যবসায়িক পণ্য ও নগদ টাকার সঙ্গে ব্যাংকে গচ্ছিত টাকারও জাকাত দিতে হবে।

ইসলামের প্রাথমিক যুগে নবীজির ইন্তেকালের পর হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা)–এর শাসনামলে কিছু গোত্রের লোকজন জাকাত আদায় করতে অস্বীকার করে। হজরত আবু বকর (রা) তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ফলে এই ফিতনা চিরকালের জন্য দমিত হয়ে যায়।