জাকাত ইসলামের মৌলিক ইবাদতের একটি। জাকাত ধনী-গরিবের ভেদাভেদ দূর করে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। ইসলামে জাকাতের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় সামর্থ্যবানদের জাকাত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা। তিনি বলেছেন, ‘তোমরা সালাত আদায় করো এবং জাকাত প্রদান করো।’ (সুরা বাকারা: ১১০) তাই যারা নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তারা অবশ্যই জাকাত দেবে। অন্যথায় আল্লাহ তাআলা কঠিন শাস্তি দেবেন।
জাকাত দিতে যারা উদাসীনতা দেখায়, পবিত্র কোরআনে তাদের কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যারা সোনা-রুপা পুঞ্জীভূত করে রাখে এবং তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে না, তুমি তাদের বেদনাদায়ক শাস্তির সুখবর দাও। সেদিন জাহান্নামের আগুনে তা (সোনা-রুপা) গরম করা হবে, এরপর তা দিয়ে তাদের কপালে, পাশে এবং পিঠে সেঁকা দেওয়া হবে। (আর বলা হবে) এটা সেই (সম্পদ), যা তোমরা নিজেদের জন্য পুঞ্জীভূত করেছিলে। সুতরাং তোমরা যা জমা করেছিলে, তার স্বাদ উপভোগ করো।’ (সুরা তাওবা: ৩৫-৩৬)
হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যাকে আল্লাহ তাআলা সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু সে তার জাকাত আদায় করেনি, কিয়ামতের দিন তার সম্পদকে টেকো মাথাবিশিষ্ট বিষধর সাপের আকৃতি দান করে তার গলায় মালা পরিয়ে দেওয়া হবে, সাপটি তার মুখের দুই পাশে ছোবল দেবে এবং বলতে থাকবে—আমিই তোমার সম্পদ, আমিই তোমার জমা করা সম্পদ।’ (বুখারি: ১৪০৩)
ইমদাদুল হক শেখ, ইসলামবিষয়ক গবেষক

এক মরুচারী সাহাবি নবীজি (সা.)-এর কাছে জান্নাতে যাওয়ার আমল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, ফরজ নামাজ আদায় করবে, জাকাত দেবে এবং রমজানের রোজা পালন করবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ১৩১৫)। অর্থাৎ, রমজানের রোজা পালন জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত ও মাধ্যম।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইমাম আবু জাফর তহাবি (রহ.)-এর সংগ্রামী জীবন, তাঁর জগদ্বিখ্যাত কিতাব 'আকিদাতুত তহাবি' এবং ইসলামি ফিকহ ও হাদিসশাস্ত্রে তাঁর অসামান্য অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সাহাবিদের নিয়ে বসে আছেন দয়ার নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। কথা বলছেন নানা বিষয়ে। হঠাৎ এক ক্ষুধার্ত আগন্তুক এসে নবীজি (সা.)-এর সামনে দাঁড়ালেন। চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ, কপালে ভাঁজ, হাত দুটি রিক্ত, শরীর ভেঙে পড়েছে ক্ষুধায়। রহমাতুল্লিল আলামিন নিজ ঘরে স্ত্রীদের কাছে খবর পাঠালেন—‘ঘরে কিছু খাবার আছে কি?’
১৮ ঘণ্টা আগে
পুরুষদের জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। এক মহল্লায় একাধিক মসজিদ থাকলে সব কটিতে ইতিকাফ করা উত্তম, তবে জরুরি নয়। মহল্লার যেকোনো একটি মসজিদে কেউ ইতিকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে