
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে হুঁশিয়ারি সংকেত পেলেও অথবা নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ হলেও ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে এ ধরনের কোনো সুযোগ পায় না মানুষ। কারণ, বিজ্ঞান ভূমিকম্পের মতো মহাদুর্যোগের কাছে খুবই অসহায়। ভূমিকম্পের পূর্বাভাস মানুষকে জানানোও যায় না।

বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, উপমহাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। অসংখ্য জনপদ বিরানভূমিতে পরিণত হয়। উত্তাল মেঘনা নদী এবং তার শাখা-প্রশাখা রূপান্তরিত হয়েছিল লাশের ভাগাড়ে। সে এক ভয়াল দৃশ্য।

এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় রাগাসা এবার তাণ্ডব চালাল পূর্ব এশিয়ায়। স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভোরে এটি দক্ষিণ চীন উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর আগে, এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে তাইওয়ানে অন্তত ১৫ জন প্রাণ হারান। দ্বীপটির হুয়ালিয়েন কাউন্টিতে এখনো ১৭ জন নিখোঁজ। এই ঝড়ের তাণ্ডবে পড়েছিল হংকংও।