
ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে হুঁশিয়ারি সংকেত পেলেও অথবা নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ হলেও ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেতে এ ধরনের কোনো সুযোগ পায় না মানুষ। কারণ, বিজ্ঞান ভূমিকম্পের মতো মহাদুর্যোগের কাছে খুবই অসহায়। ভূমিকম্পের পূর্বাভাস মানুষকে জানানোও যায় না।

বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, উপমহাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। অসংখ্য জনপদ বিরানভূমিতে পরিণত হয়। উত্তাল মেঘনা নদী এবং তার শাখা-প্রশাখা রূপান্তরিত হয়েছিল লাশের ভাগাড়ে। সে এক ভয়াল দৃশ্য।

এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় রাগাসা এবার তাণ্ডব চালাল পূর্ব এশিয়ায়। স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভোরে এটি দক্ষিণ চীন উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর আগে, এই ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে তাইওয়ানে অন্তত ১৫ জন প্রাণ হারান। দ্বীপটির হুয়ালিয়েন কাউন্টিতে এখনো ১৭ জন নিখোঁজ। এই ঝড়ের তাণ্ডবে পড়েছিল হংকংও।

শনিবার আদর্শগ্রাম, মোল্লাগ্রাম, মদিনাগ্রাম, মুন্সিগ্রাম ও বান্দাখালীসহ একাধিক গ্রামে একযোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রথম দিনে প্রায় ৩০০ পরিবারের ঘরে ঘরে গিয়ে যুবদলের কর্মীরা এসব খাবার পৌঁছে দেন। পূর্বে প্রস্তুত কোনো তালিকা ছাড়াই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হয়।