অহনা

সূর্যোদয় থেকে যাঁদের কাজ শুরু
কয়েক দিন আগে সিলেটে গিয়েছিলাম চা-শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি আদায়ের সংগ্রামসংক্রান্ত একটি কনভেনশনে যোগ দিতে। সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ উপত্যকার বিভিন্ন বাগান থেকে চা-শ্রমিকেরা এসেছেন। তাঁদের মধ্য থেকে দু-একজন করে বক্তব্য দিচ্ছেন, দাবির কথা বলছেন।

অনবদ্য রাজিয়া খান
লেখালেখি করতে পছন্দ করতেন রাজিয়া খান। লেখালেখির পাশাপাশি মঞ্চ অভিনয়ে একসময় তাঁর সরব উপস্থিতি ছিল। শিক্ষাজীবনে এমএ পরীক্ষায় প্রথম হন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন।

জাবরা গ্রামের বাঁশের কাজ
আর দশজনের মতো মেধাবী শিক্ষার্থী তৃষ্ণার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে একদিন বড় হবে। পরিবারের দুঃখ ঘোচাবে। কিন্তু এতে বাদ সাধে দারিদ্র্য। পিতা তুলসী রাজবংশী ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির সহকারী। পরিবারের পাঁচ সদস্যের ঠিকমতো খাওয়ার জোগান দেওয়াতেই তাঁর হিমশিম অবস্থা। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই পড়ালেখায় থেমে যেতে হয় তৃষ্ণাকে।

উপজেলার নারীদের মডেল তিনি
হলুদ ওড়না আর হলুদ-সাদা স্ট্রাইপের কামিজ পরা আরিফা খাতুনকে দেখে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক বলে ভ্রম হয়। কিন্তু তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে বলে দেওয়া যায়, ফুটবল বিষয়ে তাঁর আগ্রহ শূন্যের কোঠায়।












