
যুদ্ধবিরতি নিয়ে তোড়জোড়, আন্তর্জাতিক চাপ, সমালোচনার সঙ্গে যেন পাল্লা দিয়েই গাজায় বাড়ছে ইসরায়েলি বর্বরতা। গাজায় অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে কয়েকগুণ বেশি আগ্রাসী ইসরায়েল। প্রতিদিনই নির্বিচারে শয়ে শয়ে বেসামরিক মানুষ হত্যা করছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী—আইডিএফ।

বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতার চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। দেশে প্রায় ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু খর্বাকৃতির, ৮ দশমিক ৪ শতাংশ অপুষ্টিজনিত ক্ষয়রোগে (ওয়েস্টিং) এবং ২১ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু ওজনস্বল্পতায় ভুগছে। খর্বাকৃতি ও ওজনস্বল্পতার হার শহর ও গ্রামাঞ্চলের শিশুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে

মধ্য গাজায় একটি পানি সংগ্রহ কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়টিই শিশু। গাজার বিভিন্ন স্থানে শনিবার ও রোববার পৃথক ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ২০২ জনে।

গাজায় নতুন করে সংঘাত বেড়ে যাওয়ায়, সীমান্ত ক্রসিংগুলো বন্ধ থাকায় এবং খাদ্যের তীব্র অভাবে সেখানকার জনগণ ব্যাপক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজায় সব ধরনের সাহায্য প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টি মারাত্মকভাবে বেড়েছে। এর ফলে চলতি বছরের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতির সময় মানবিক...