
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধে লিখেছিলেন, ‘মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেউ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারিত যে, সে ঘুমাইয়া পড়া শিশুটির মতো চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই পাঠাগারের তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে। মানবাত্মার অমর আলোক কাল অক্

‘আমি মধুপুর পাবলিক লাইব্রেরির কার্ড নিয়ে সদস্য হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো দিন পাঠক হতে পারিনি।’ বেশ আক্ষেপের সঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন লেখক ও গবেষক মো. ছাদের আলী। তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের অবহেলায় পড়ে আছে গ্রন্থাগারটি। আমরা পাঠকেরা উন্মুখ হয়ে আছি গ্রন্থাগারে বসে জ্ঞানচর্চার জন্য।’

২০১১ সালে চালু হওয়া জেলার এই গণগ্রন্থাগারে একসঙ্গে বসতে পারেন প্রায় ৭০ জন পাঠক। রাখা হয় ১২টি বাংলা ও একটি ইংরেজি সংবাদপত্র। তবে এত বড় একটি পাঠাগারে জনবল ৮ জনের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র তিনজন। গ্রন্থাগারিকের মতো প্রধান পদও অনেক দিন শূন্য থাকার পর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে যোগদান করেছেন একজন। তিনিও রাজশাহী শাখা গ

সরকারি-বেসরকারি থেকে শুরু করে কমিউনিটি এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি গ্রন্থাগার এখনো বেশ আছে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে। একটা সময় এগুলো পাঠকে সরগরম হয়ে উঠলেও দিন দিন কমছে। এমনকি বিদ্যালয়ের নিজস্ব লাইব্রেরিতেও পড়তে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যান্য পণ্যের যেমন প্রসার প্রয়োজন, গ্রন্থাগারেরও