
এই সময়ে রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে রপ্তানি হয়েছে ২৫ হাজার ৭৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম। এই খাতের মধ্যে নিটওয়্যার পণ্য শক্ত অবস্থান বজায় রেখে ওভেন পোশাকের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।

রপ্তানির নিম্নগতি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানিকাঠামো এখনো অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে একটি পণ্য থেকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা হবে। নতুন বাজার সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগে আগ্রহী বেসরকারি উদ্যোক্তাদের...

দেশ থেকে হঠাৎ বেশি পরিমাণে ডলার বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে নতুন অর্থবছরের শুরুতেই বৈদেশিক বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। রপ্তানি আয় বাড়লেও তার চেয়ে দ্রুত হারে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, ফলে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে দেশ আবারও ঘাটতি বাণিজ্যের মুখে পড়ছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহকে সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলো থেকে উদ্বৃত্ত ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রায় ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।