
মনিরামপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে ইউনুসের কোমল পানীয়র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। সোমবার রাতে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন তিনি।

সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে হরিহর নদ খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নদে পানি বেড়ে স্রোতের সৃষ্টি হয়। এতে সেতুর গোড়া থেকে মাটি সরে গিয়ে সেটি নিচের দিকে দেবে ভেঙে পড়েছে।

যশোরের মনিরামপুরের চান্দুয়া-সমসকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১৪ জন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারীর বিপরীতে বর্তমানে শিক্ষার্থী রয়েছে মাত্র ১৬ জন। এর মধ্যে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তিনজন। সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, তিনজনই অকৃতকার্য হয়েছে।

যেদিকে চোখ যায়, পানি আর পানি। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি—সবখানেই জলাবদ্ধতার চিত্র। টানা বৃষ্টিতে যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। বাড়ি থেকে রাস্তায় যাওয়া-আসা করতে হচ্ছে সাঁকো অথবা ডিঙিনৌকায়।