
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আপনাদের এশিয়ার পরবর্তী অর্থনৈতিক বিস্ময়ের যৌথ রূপকার হওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। ইতিমধ্যে বহু চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাঁরা আমাদের জনগণের কর্মক্ষমতা, আমাদের সহনশীলতা এবং আমাদের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতে পারবেন।’

সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিমূলক কালচার আনা জরুরি উল্লেখ করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের ১৮০ দিনের প্ল্যান শেয়ার করেছি।’ আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এই

সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার আমলের যে চটকদার গল্পগুলো মানুষকে প্রচণ্ডভাবে বিরক্ত করে তুলেছিল, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কণ্ঠোত্থিত ‘আগামী ঈদ রোহিঙ্গারা নিজ বাসভূমিতে করবে’ এবং ‘বাংলাদেশ হবে বিশ্ববাসীর জন্য আশার বাতিঘর’।

দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের চারটি বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থায় যৌথভাবে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাগুলো।