
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে।

বান্দরবানের দুর্গম আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং এলাকায় ব্যাপকভাবে বন উজাড়ের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগে প্রভাবশালীরা প্রায় ২০০ একর বনভূমি ধ্বংস করে কাঠ পাচার করছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এদিকে বন উজাড়ের ফলে কিছু এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...

টাঙ্গাইলের মধুপুরে গাছ নিধনের পর আগুন লাগিয়ে ৭৫ একর বনভূমি জবরদখলের পাঁয়তারা চলছে। প্রভাবশালীরা বন দখলের নেপথ্যে থাকায় ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বনকর্মীরা এ ব্যাপারে নির্লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।