
একসময় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের দৃঢ় সমর্থক ছিল ভারত। কালের পরিক্রমায় সেই ভারতই এখন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের দখলদার ইসরায়েলের অন্যতম কৌশলগত মিত্র। মূলত হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলেই ভারত-ইসরায়েলের সম্পর্ক এমন ঘনিষ্ঠ অবস্থানে পৌঁছেছে।

গুতেরেস বলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে গণমানুষের দুর্ভোগকে অজুহাত দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে, মানুষকে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইনকে একটি নিছক অসুবিধা বা বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।’ তাঁর মতে, মানবাধিকারের এই পশ্চাদপসরণ পরিকল্পিত এবং কৌশলগত।

২০১৭ সালের ৪ জুলাই। তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রানওয়ের ওপর পাতা লাল গালিচার অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর ইসরায়েলি সমকক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কয়েক মিনিট পর দুই নেতা আলিঙ্গন করেন। বিমানবন্দরে বক্তব্য দিতে গিয়ে মোদি তাঁর সফরকে বলেন...

ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ভারতীয় যুবক একটি ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। তাঁদের ঠিক পেছনেই ছিল হুডি পরা কয়েক ব্যক্তি। পরবর্তী দৃশ্যে দেখা যায়, একটি পার্কে হামলাকারীরা একজন ভারতীয়কে জাপটে ধরে রেখেছে এবং অন্যজন তাঁকে ক্রমাগত ঘুষি মারছে। হিব্রু ভাষায় ভিডিওটির ক্যাপশনে এই হামলাকে ‘পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘বর্ণবা