
দেশে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের উৎপাদন বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণব্যবস্থার অভাবে প্রতিবছরই আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে। সংরক্ষণকালে পচন, ওজন কমে যাওয়া, অঙ্কুরোদগম ও গুণগত মানের অবনতির কারণে নষ্ট হচ্ছে উৎপাদিত পেঁয়াজের উল্লেখযোগ্য অংশ। এই ক্ষতি কমাতে এবার পেঁয়াজ সংরক্ষণে আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস)

বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে অস্বাভাবিকভাবে। এরপরও মজুত করা পেঁয়াজ কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন চাষিরা। দেশে পেঁয়াজের বড় উৎপাদনস্থল পাবনা ও ফরিদপুরেই এখন এই অবস্থা। কারণ হিসেবে চাষিরা বলছেন, মজুত করা পেঁয়াজে পচন ধরার পাশাপাশি বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে সংরক্ষণ পদ্ধতি কাজ না করায় তাঁরা বিক্রি করে...

রাজশাহীতে ভালো উৎপাদনের পরও পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতনে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম। অতিরিক্ত সরবরাহ ও সংরক্ষণ সমস্যাকে দরপতনের কারণ বলছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

ভারতে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্যের দাবিতে কৃষকদের চলমান তীব্র আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১৫ রুপি নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস।