জ্বালানি সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা জ্বালানি-তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সরবরাহ ঘাটতি, বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংকট আরও জটিল হচ্ছে। এই পেজে আপনি জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত সর্বশেষ খবর, কারণ, প্রভাব এবং সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে আপডেট তথ্য পাবেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘একমাত্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে আমাদের ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছে। এতে একদিকে আর্থিক চাপ তৈরি করেছে, অন্যদিকে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।’

দেশে চলমান বিদ্যুৎ-সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সরবরাহ ঘাটতির কারণে ঢাকার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)...

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে। গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে...

‘২৩ আগস্ট একটি এলএনজি কার্গো আসতে পারে। সেদিন থেকে দুটি এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় চলবে বলে আশা করি। এই সময়ের মধ্যে দেশীয় উৎপাদনও বাড়ানো যাচ্ছে না।’ এলএনজির পাশাপাশি দেশীয় কূপ থেকেও গ্যাসের সরবরাহ দিন দিন কমছে। গত ১০ জুন দেশীয় কূপ থেকে ১ হাজার ৬৬৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আসছিল।