
খ্রিষ্টীয় বছরের প্রথম দিনে স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায় নতুন বই। সারা দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর বিনা মূল্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রণীত বই বিতরণ করে।

উপদেষ্টা বলেন, ‘বিভিন্ন রকমের স্বার্থগোষ্ঠী এখানে কাজ করেছে এবং আমরা এখানে সেগুলো সয়েছি। এগুলো আমরা কোশ্চেন করিনি, কনটেস্ট করিনি। আমরা মনে করেছি, শেষ বিচারে আমরা কতটুকু নির্ভুল ও মানসম্পন্ন বই দিতে পারব, দ্যাট উইল বি আলটিমেট টেস্ট।’

চলতি বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দিতে প্রায় তিন মাস দেরি হয়েছিল। আগামী শিক্ষাবর্ষেও সব শিক্ষার্থীর হাতে বছরের শুরুতে নতুন বই তুলে দেওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রপ্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।

কেন্দ্রীয় শ্রমিক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার। তাদের বঞ্চিত করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি।