
ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে ট্রেন চলাচলের এখন একটিই পথ—যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু। কিন্তু সেতুর সক্ষমতা কমে যাওয়ায় এর ওপর ট্রেনের গতি থাকে মাত্র ২০ কিলোমিটার। ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার সেতু পার হতেই লেগে যায় ২৫ মিনিটের মতো। সেতুর ওপর একটি লাইন হওয়ায় দুই পারের স্টেশনে সিগন্যালের

ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী যাত্রীরা শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন। আশুলিয়ার বিভিন্ন স্পট ও বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ওঠানামা ও অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ বাড়ায় ভোগান্তিও বেড়েছে। সকালের দিকে চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে চাপ বাড়ে। আজ সোমবার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়ক ঘুরে এ চিত্র দেখা

বঙ্গবন্ধু সেতু গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার এবং হাটিকুমরুল থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সংস্কার করা হয়েছে। যেখানে যেখানে খানাখন্দ ছিল তাও সংস্কার করা হয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে পুরো সড়ক চার লেনে উন্নীত হবে। ফলে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই খুলে দেওয়া হবে পাঁচলিয়া ওভারব্

বাংলা সাহিত্যের শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক অমিয়ভূষণ মজুমদার। লেখকজীবনে তাঁর মতো ভাষাশিল্পী যথার্থ সমাদর লাভ করেননি। এই অভিমান তিনি বহন করেছেন আমৃত্যু। তাঁকে অবহেলা করে উত্তরবঙ্গের লেখক হিসেবে বারবার চিহ্নিত করা হয়েছে, যেন নগর কলকাতাকেন্দ্রিকতাই একজন লেখকের মাপকাঠি! অনেক তথাকথিত প্রান্তিক লেখকের মতো তিনি