আনিসুল হক জুয়েল, দিনাজপুর

শীত এলেই আমাদের কুয়াশাঢাকা উত্তরবঙ্গের কথা মনে হয়। আর উত্তরবঙ্গ মানে ঘন কুয়াশায় ঢাকা মেঠো পথ, খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানো কিংবা বিভিন্ন স্বাদের পিঠে-পুলি। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে উত্তরবঙ্গের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি। তবে এ বছর শীতের তীব্রতা কম থাকায় ভ্রমণটা বেশ উপভোগ্যই হবে বলা যায়। ডিসেম্বরের শেষে এসেও ভাগ্য ভালো হলে দেখা মিলতে পারে কাঞ্চনজঙ্ঘার।
রংপুর বিভাগে দেখার মতো অনেক কিছুই রয়েছে। এই জনপদের পরতে পরতে আছে প্রাচীনতার গন্ধ। রংপুর শহরে আছে তাজহাট জমিদারবাড়ি, আছে কারমাইকেল কলেজ। শহর ছাড়িয়ে গেলেই দেখা যাবে দিগন্তবিস্তৃত ফসলের মাঠ। এ ছাড়া সময় থাকলে ঘুরে দেখতে পারেন ইটাকুমারী জমিদারবাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার, চিকলির বিল, পায়রাবন্দর তথা বেগম রোকেয়ার বাড়ি।
রংপুরকে পেছনে রেখে যেতে পারেন সীমান্ত জেলা দিনাজপুর। সেখানে আছে দেশের সবচেয়ে বড় টেরাকোটাশোভিত কান্তজিউ মন্দির। পাশেই রয়েছে নয়াবাদ মসজিদ। এটিও টেরাকোটায় সাজানো। সেখান থেকে একটু উত্তরে গেলেই পাবেন সিংড়া ফরেস্ট—এটি উত্তরবঙ্গের একমাত্র বন। দিনাজপুর শহরে রয়েছে রাজবাড়ি, রয়েছে দীপশিখা মেটি স্কুল। নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জে আছে স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট। আছে গ্র্যান্ড দাদুবাড়ি রিসোর্ট। বড় দিঘিকে কেন সাগর বলে দিনাজপুরের মানুষ, সেটা বুঝতে পারবেন রামসাগর, সুখসাগর, মাতাসাগর, জুলুমসাগর, আনন্দসাগর দিঘি দেখলে। সম্ভবত এত বড় দিঘি দেশে খুব একটা পাবেন না। বাংলাদেশের একমাত্র কয়লাখনি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনি দিনাজপুরেই অবস্থিত।
দিনাজপুর পেরিয়ে ঢুকতে পারেন ঠাকুরগাঁওয়ে। শহরের কোলঘেঁষে লোকায়ত জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর ঘুরে গ্রামীণ জনপদের ধারণা পেতে পারেন। জাদুঘর পেছনে ফেলে যেতে পারেন পীরগঞ্জের কমলাবাগান কিংবা বালিয়াডাঙ্গীর বিশালকায় আমগাছ দেখতে।
ঠাকুরগাঁও পেরিয়ে আরও উত্তরে হিমালয় দুহিতা পঞ্চগড়। এই জেলায় আছে সমতলের চা-বাগান, মহানন্দা নদীর জলরাশি আর হিমালয়ের মাতাল বাতাস। আকাশে মেঘ না থাকলে পঞ্চগড়ের যেকোনো জায়গা থেকে দেখতে পারবেন হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা চূড়া। বাংলাদেশের একমাত্র রকস মিউজিয়াম এ পঞ্চগড়ে অবস্থিত। এ ছাড়া তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, আটোয়ারী কেল্লা, বার আউলিয়ার মাজার, মির্জাপুর শাহি মসজিদ, গোলকধাম মন্দিরসহ অনেক ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চগড়ে।
ফেরার পথে পঞ্চগড় থেকে ঢুকতে পারেন নীলফামারীতে। এখানে রয়েছে নীলসাগর। নীলফামারী থেকে আসতে পারেন রেলের শহর সৈয়দপুরে। এখানে আছে চিনি মসজিদ আর রেলওয়ে কারখানা।
আপনার হাতে যদি পর্যাপ্ত সময় থাকে, তাহলে ঢুকতে পারেন লালমনিরহাট জেলায়ও। লালমনিরহাটের আলোচিত তিনবিঘা করিডর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল যেতে পারেন। ঘুরে দেখতে পারেন সেই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা। একটু দূরেই পাবেন কাকিনা জমিদারবাড়ি, তিস্তা ব্যারাজ ও বুড়িমারী স্থলবন্দর।
লালমনিরহাটের পাশেই রয়েছে নদীবিধৌত জেলা কুড়িগ্রাম। সেখানে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে অন্যতম চান্দামারী মসজিদ, শাহি মসজিদ, চণ্ডী মন্দির, দোল মঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি, চিলমারী বন্দর, ধরলা ব্রিজ, সোনাহাট স্থলবন্দর। সেই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে করতে পারেন নৌভ্রমণ।
রংপুর বিভাগের আট জেলার সর্বশেষটি গাইবান্ধা। সেখানে আছে এসকেএস ইন, ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার। আছে বিখ্যাত শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া বালাসীঘাট, মীরের বাগানের ঐতিহাসিক শাহ সুলতান গাজির মসজিদ ও প্রাচীন মাস্তা মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন গাইবান্ধায়।
যেভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে নিয়মিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট পরিচালনা করে ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে। ঢাকা থেকে রংপুর-দিনাজপুর-লালমনিরহাট রুটে ৮ থেকে ১০টি ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে রংপুর বিভাগের সব কটি জেলায় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত স্লিপিংসহ বিলাসবহুল কোচ যাতায়াত করে।
কোথায় থাকবেন
রংপুর বিভাগের সব কটি জেলায় থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন রিসোর্ট ও আবাসিক হোটেল। রংপুর ও দিনাজপুরে আছে পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন মোটেল। তবে পুরো বিভাগে ঘুরতে হলে রংপুর কিংবা দিনাজপুরে থেকে ঘোরা ভালো। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ৪০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় থাকা যাবে।
কী খাবেন
শীতকালে উত্তরবঙ্গে হাঁসের মাংস বেশ জনপ্রিয়। রকমারি শীতের পিঠা আর বাহারি মিষ্টি পাবেন পুরো রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গের হোটেলগুলোতে ধোঁয়া ওঠা গরম কাটারিভোগ চালের ভাত, সঙ্গে বিভিন্ন সবজি, নদীর ছোট মাছ, গরু বা খাসির মাংস, হরেক রকম ভর্তা পাওয়া যায়।

শীত এলেই আমাদের কুয়াশাঢাকা উত্তরবঙ্গের কথা মনে হয়। আর উত্তরবঙ্গ মানে ঘন কুয়াশায় ঢাকা মেঠো পথ, খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানো কিংবা বিভিন্ন স্বাদের পিঠে-পুলি। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে উত্তরবঙ্গের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি। তবে এ বছর শীতের তীব্রতা কম থাকায় ভ্রমণটা বেশ উপভোগ্যই হবে বলা যায়। ডিসেম্বরের শেষে এসেও ভাগ্য ভালো হলে দেখা মিলতে পারে কাঞ্চনজঙ্ঘার।
রংপুর বিভাগে দেখার মতো অনেক কিছুই রয়েছে। এই জনপদের পরতে পরতে আছে প্রাচীনতার গন্ধ। রংপুর শহরে আছে তাজহাট জমিদারবাড়ি, আছে কারমাইকেল কলেজ। শহর ছাড়িয়ে গেলেই দেখা যাবে দিগন্তবিস্তৃত ফসলের মাঠ। এ ছাড়া সময় থাকলে ঘুরে দেখতে পারেন ইটাকুমারী জমিদারবাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার, চিকলির বিল, পায়রাবন্দর তথা বেগম রোকেয়ার বাড়ি।
রংপুরকে পেছনে রেখে যেতে পারেন সীমান্ত জেলা দিনাজপুর। সেখানে আছে দেশের সবচেয়ে বড় টেরাকোটাশোভিত কান্তজিউ মন্দির। পাশেই রয়েছে নয়াবাদ মসজিদ। এটিও টেরাকোটায় সাজানো। সেখান থেকে একটু উত্তরে গেলেই পাবেন সিংড়া ফরেস্ট—এটি উত্তরবঙ্গের একমাত্র বন। দিনাজপুর শহরে রয়েছে রাজবাড়ি, রয়েছে দীপশিখা মেটি স্কুল। নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জে আছে স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট। আছে গ্র্যান্ড দাদুবাড়ি রিসোর্ট। বড় দিঘিকে কেন সাগর বলে দিনাজপুরের মানুষ, সেটা বুঝতে পারবেন রামসাগর, সুখসাগর, মাতাসাগর, জুলুমসাগর, আনন্দসাগর দিঘি দেখলে। সম্ভবত এত বড় দিঘি দেশে খুব একটা পাবেন না। বাংলাদেশের একমাত্র কয়লাখনি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনি দিনাজপুরেই অবস্থিত।
দিনাজপুর পেরিয়ে ঢুকতে পারেন ঠাকুরগাঁওয়ে। শহরের কোলঘেঁষে লোকায়ত জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর ঘুরে গ্রামীণ জনপদের ধারণা পেতে পারেন। জাদুঘর পেছনে ফেলে যেতে পারেন পীরগঞ্জের কমলাবাগান কিংবা বালিয়াডাঙ্গীর বিশালকায় আমগাছ দেখতে।
ঠাকুরগাঁও পেরিয়ে আরও উত্তরে হিমালয় দুহিতা পঞ্চগড়। এই জেলায় আছে সমতলের চা-বাগান, মহানন্দা নদীর জলরাশি আর হিমালয়ের মাতাল বাতাস। আকাশে মেঘ না থাকলে পঞ্চগড়ের যেকোনো জায়গা থেকে দেখতে পারবেন হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা চূড়া। বাংলাদেশের একমাত্র রকস মিউজিয়াম এ পঞ্চগড়ে অবস্থিত। এ ছাড়া তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, আটোয়ারী কেল্লা, বার আউলিয়ার মাজার, মির্জাপুর শাহি মসজিদ, গোলকধাম মন্দিরসহ অনেক ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চগড়ে।
ফেরার পথে পঞ্চগড় থেকে ঢুকতে পারেন নীলফামারীতে। এখানে রয়েছে নীলসাগর। নীলফামারী থেকে আসতে পারেন রেলের শহর সৈয়দপুরে। এখানে আছে চিনি মসজিদ আর রেলওয়ে কারখানা।
আপনার হাতে যদি পর্যাপ্ত সময় থাকে, তাহলে ঢুকতে পারেন লালমনিরহাট জেলায়ও। লালমনিরহাটের আলোচিত তিনবিঘা করিডর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল যেতে পারেন। ঘুরে দেখতে পারেন সেই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা। একটু দূরেই পাবেন কাকিনা জমিদারবাড়ি, তিস্তা ব্যারাজ ও বুড়িমারী স্থলবন্দর।
লালমনিরহাটের পাশেই রয়েছে নদীবিধৌত জেলা কুড়িগ্রাম। সেখানে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে অন্যতম চান্দামারী মসজিদ, শাহি মসজিদ, চণ্ডী মন্দির, দোল মঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি, চিলমারী বন্দর, ধরলা ব্রিজ, সোনাহাট স্থলবন্দর। সেই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে করতে পারেন নৌভ্রমণ।
রংপুর বিভাগের আট জেলার সর্বশেষটি গাইবান্ধা। সেখানে আছে এসকেএস ইন, ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার। আছে বিখ্যাত শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া বালাসীঘাট, মীরের বাগানের ঐতিহাসিক শাহ সুলতান গাজির মসজিদ ও প্রাচীন মাস্তা মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন গাইবান্ধায়।
যেভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে নিয়মিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট পরিচালনা করে ঢাকা-সৈয়দপুর রুটে। ঢাকা থেকে রংপুর-দিনাজপুর-লালমনিরহাট রুটে ৮ থেকে ১০টি ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে রংপুর বিভাগের সব কটি জেলায় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত স্লিপিংসহ বিলাসবহুল কোচ যাতায়াত করে।
কোথায় থাকবেন
রংপুর বিভাগের সব কটি জেলায় থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন রিসোর্ট ও আবাসিক হোটেল। রংপুর ও দিনাজপুরে আছে পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন মোটেল। তবে পুরো বিভাগে ঘুরতে হলে রংপুর কিংবা দিনাজপুরে থেকে ঘোরা ভালো। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ৪০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় থাকা যাবে।
কী খাবেন
শীতকালে উত্তরবঙ্গে হাঁসের মাংস বেশ জনপ্রিয়। রকমারি শীতের পিঠা আর বাহারি মিষ্টি পাবেন পুরো রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গের হোটেলগুলোতে ধোঁয়া ওঠা গরম কাটারিভোগ চালের ভাত, সঙ্গে বিভিন্ন সবজি, নদীর ছোট মাছ, গরু বা খাসির মাংস, হরেক রকম ভর্তা পাওয়া যায়।

নারী ও পুরুষের প্রেমের প্রাথমিক পর্যায়গুলো আনন্দদায়ক হলেও, একটি সুস্থ দাম্পত্যজীবন বজায় রাখার জন্য ক্রমাগত পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন হয়। ব্যস্ত সময়সূচি ও নানাবিধ দায়িত্বের মধ্যে দম্পতিরা নিজস্ব সময় কাটানো যেমন চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করেন, তেমনি এই সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দেওয়াকেও জটিল বলে...
৯ ঘণ্টা আগে
হাতের আঙুলের ডগায় নিখুঁত রঙের ছোঁয়া কিংবা নখের সূক্ষ্ম কারুকাজ কেবল সাজগোজ নয়। বরং তা একজন নারীর আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিত্বের এক শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ। নখের এই ক্ষুদ্র ক্যানভাসে যাঁরা জাদুর ছোঁয়া দেন, তাঁদেরই একজন বেকি হলিস। মাত্র ২৯ বছর বয়সে তিনি প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে সাধারণ...
১১ ঘণ্টা আগে
বয়স বেড়ে যাওয়া প্রকৃতির এক অপরিবর্তনীয় নিয়ম। কিন্তু সেই বার্ধক্য যেন অকালে আমাদের লাবণ্য কেড়ে নিতে না পারে, তার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে, সঠিক পুষ্টি শুধু আমাদের ফিটনেস বা শারীরিক সক্ষমতাই বাড়ায় না, বরং ত্বক সতেজ রেখে দীর্ঘকাল তারুণ্য...
১৭ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার শরীরে এনার্জি থাকবে অলিম্পিক অ্যাথলেটের মতো। অফিসে আপনার কঠোর পরিশ্রম দেখে বস এতটাই খুশি হবেন যে আপনাকে ‘পুরস্কার’ হিসেবে আরও তিনটি প্রজেক্টের দায়িত্ব গছিয়ে দিতে পারেন। মনে রাখবেন, গাধার খাটুনি আর ঘোড়ার চালের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখাটাই আসল চ্যালেঞ্জ।
১৮ ঘণ্টা আগে