
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের সঙ্গে অসম চুক্তির ব্যাপারটি নতুন ছিল না। সে সময়ও এটা নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা উঠেছিল। তারপরও সে সরকার দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে সে চুক্তি করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকার আদানির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বকেয়া টাকা পরিশোধ করেছিল।

ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দৈনিক ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার যে চুক্তি করেছিল, সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ধরার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি এসব কথা বলেছে।

জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত কয়লা ও উৎপাদিত বিদ্যুতের মূল্য নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে মতপার্থক্য নিরসনে সিঙ্গাপুরের একটি সালিসি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের আদানি পাওয়ার। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও সেখানে বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবিলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং উচ্চমূল্য নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির মালিকানাধীন আদানি পাওয়ার।