
ডিবির দাবি, এসব তথ্য ব্যবহার করে অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল হক ও অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ আদায়ের ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ পান সানি। পরে হামলায় অংশগ্রহণকারী সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেন ফাতিন ইসরাক লাবিবকে।

এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ‘নো উইন, নো পে’ ভিত্তিতে চুক্তি করা হয়েছে। অর্থাৎ, সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারের আগে ব্যাংকগুলোকে কোনো অর্থ দিতে হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব খরচে অনুসন্ধান চালাবে এবং সম্পদ উদ্ধার হলে তার একটি অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে পাবে...

দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ৪৫৯ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর আগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের সবাই দুবাইয়ের ‘গোল্ডেন ভিসাধারী’।

বিগত সরকারের সময়ে শুধু অর্থ পাচারই হয়নি, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। এক ইঞ্চি রাস্তা নির্মাণ হয়নি, এক কেজি রড কিংবা এক শ টাকার সিমেন্টও ব্যবহার হয়নি।