অ্যান্ড্রয়েড ফোনে টেক্সট বা খুদে বার্তা আদান প্রদানের জন্য গুগল মেসেজ ব্যবহার করা হয়। এই অ্যাপে ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি তোলা ও পাঠানোর সুবিধাও রয়েছে। এবার স্ন্যাপচ্যাটের মতো ফিল্টার যুক্ত করা হচ্ছে অ্যাপটিতে।
এক প্রতিবেদনে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট নাইনটুফাইভ বলছে, গোপনে গুগল মেসেজে ফেস ফিল্টার চালু করছে গুগল এবং অ্যাপের ক্যামেরা দিয়ে এসব ফিল্টার ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটির ক্যামেরা চালু করলে শাটার বাটনের বাম পাশে ফিল্টারের আইকোনটি দেখা যাবে। এই আইকোনে ট্যাপ করে ফিল্টারগুলো ব্যবহার করা যাবে।
গুগল মেসেজে নয়টি ফিল্টার ব্যবহার করে ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণ করা যাবে। খরগোশ, ডাইনোসর, চশমা মেকআপ ও টুপির মতো ফিল্টার এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব ফিল্টার ব্যবহারকারীর মুখভঙ্গি নকল করতে পারবে। এগুলোর মধ্যে কিছু ফিল্টার পুরো মুখ ঢেকে ফেলবে।
তবে ফিল্টারগুলো এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। তাই গুগল মেসেজের বেটা সংস্করণে ফিল্টারগুলো দেখতে পাওয়া যাবে। তবে পর্যায়ক্রমে সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের গুগল মেসেজ অ্যাপে ফিল্টারগুলো পাওয়া যাবে। এসব ফিল্টার গুগল মিট অ্যাপেও পাওয়া যায়।
নিজের ছবি তুলে জিআইএফ তৈরি করার ফিচার নিয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে করেছে গুগল। অ্যাপটির ক্যামেরায় তিন সেকেন্ডের ভিডিও তুললে ফিচারটি ব্যবহারকারীর অভিব্যক্তি দিয়ে একটি জিআইএফ তৈরি করে দেবে। ভিডিওটি শুরুর আগে স্ক্রিনে একটি কাউন্টডাউন দেখানো হবে। ৩ সেকেন্ড পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ধারণ বন্ধ হয়ে যাবে। জিআইএফগুলো মেসেজের মাধ্যমে আদান প্রদান করা যাবে।
তথ্যসূত্র: নাইনটুফাইভ গুগল

অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস রোধে নজরদারি বাড়িয়েছে টেক জায়ান্ট গুগল। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, পরিচয় চুরিতে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ পেলে তা গুগলের মাধ্যমে ট্র্যাক করা শিগগিরই সম্ভব হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
চ্যাটজিপিটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পরীক্ষা করছে। এই পরীক্ষা চলছে ফ্রি এবং গো সাবস্ক্রিপশন টায়ারে। এই দুই টায়ারই চ্যাটজিপিটির সবচেয়ে সস্তা প্যাকেজ। অনেকের মতে, এটাই হয়তো বিজ্ঞাপনহীন চ্যাটজিপিটির শেষের শুরু।
২ দিন আগে
কয়েক বছর আগেও এআই নতুন এক প্রযুক্তি হিসেবে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত হওয়ার পর সবকিছু যেন দ্রুত বদলে যেতে থাকল। মাঝে চীনের ডিপসিক নিয়েও চলল ব্যাপক আলোচনা। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই পুরো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা হিসেবে গড়ে উঠল।
২ দিন আগে
প্রায় সময় দেখা যায়, ইন্টারনেটে গোপনীয়তা রক্ষায় ভিপিএন ব্যবহার করা হয়। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন অ্যাপগুলো আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে এবং ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে। অনেকে গেমিং, সোশ্যাল সাইট ব্যবহার করার মতো কাজে ভিপিএন অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন।
২ দিন আগে