যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর টেক্সাসে এই প্রথম চালকবিহীন সেমিট্রাক চলাচল শুরু করেছে। এটি তৈরি করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অরোরা ইনোভেশন। ডালাস থেকে হিউস্টন পর্যন্ত ৪৫ নম্বর আন্তরাজ্য সড়কে বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রাক চালু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ওসা ফিশার জানান, শ্রম সংকট এবং চাহিদা মেটাতে এই প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।
অরোরা ড্রাইভার সিস্টেমে সেন্সর, ক্যামেরা ও রাডার ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাকটি ৩৬০ ডিগ্রি দেখতে সক্ষম। ফিশারের মতে, যানবাহনটি চারটি ফুটবল মাঠের সমান দূরত্ব পর্যন্ত সবদিকে দেখতে পারে। ট্রাকগুলো ২৪ ঘণ্টা চলতে সক্ষম, যা পরিবহন খাতে চালক সংকটে কার্যকর সমাধান বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। টেক্সাসের গভর্নরও এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন।
অরোরা ৩০ লাখ মাইল পথ পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। গত বছর ফোর্ট ওয়ার্থ থেকে এল পাসো যাওয়ার সময় একটি ট্রাকের সামান্য দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তদন্তে অন্য গাড়ির চালকের ভুল প্রমাণিত হয়। তবে আইনজীবী অ্যামি উইদারাইট সতর্ক করে বলেন, ৮০ হাজার পাউন্ডের ট্রাকের সামান্য ভুলে প্রাণহানির ঝুঁকি বেশি। আরও প্রকাশ্যে ডেটা ও পরীক্ষার প্রয়োজন। হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
ফিশার জানান, তাঁদের সিস্টেমে সরাসরি হ্যাক করে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। কমান্ড সেন্টার থেকে শুধু পরামর্শ দেওয়া যায়। কিন্তু ট্রাক নিরাপত্তাঝুঁকি হলে তা উপেক্ষা করে।
এই বছরই এল পাসো ও ফিনিক্সে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে অরোরা আগামী কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে পরিষেবা ছড়িয়ে দেবে। ফিশারের মতে, পরিবহনের ভবিষ্যৎই হলো এই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি।
বিশ্লেষকেরা মনে করেন, প্রযুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর নিয়ম ও স্বচ্ছতা জরুরি। চালকবিহীন ট্রাকের এই যাত্রা শিল্প খাতে কতটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে, সময়ই তা বলবে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৪ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৬ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৬ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৬ দিন আগে