আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভেঙে গেল টয়লেট। এতে খুব বিপদে পড়ে গেছেন মহাকাশ স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীরা। টয়লেট ভেঙে যাওয়ায় ডায়াপার পরে ফিরতে হচ্ছে মহাকাশচারীদের। নাসার পক্ষ থেকে স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে এ খবর দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য সানের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
মহাকাশে থাকা ওই নভোচারীরা হলেন—মেগান ম্যাকআর্থারও জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির আকিহিকো হোশিদে, নাসার শেন কিমব্রো ও মেগান ম্যাকআর্থার এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির থমাস পেসকাট।
সংবাদ সম্মেলনে নাসা জানিয়েছে, পৃথিবীর প্রায় ৪০০ কিলোমিটার ওপরে প্রদক্ষিণ করা মহাকাশ স্টেশনে টয়লেট ভেঙে গেছে। পৃথিবীতে ফিরতে টানা ২০ ঘণ্টা ধরে ডায়াপার পরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চার মহাকাশচারীকে।
জানা গেছে, এই চার মহাকাশচারীই ছয় মাস ধরে ছিলেন মহাকাশে। সেখানে তাঁরা ভরশূন্য অবস্থায় বিভিন্ন গবেষণা চালানোর জন্য গিয়েছিলেন। তাঁদের এবার পৃথিবীতে ফিরে আসার কথা। এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্সের ক্রু-২ মিশন রকেটে চাপিয়ে ওই চার মহাকাশচারীকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার কথা। কিন্তু আবহাওয়া অত্যন্ত খারাপ থাকায় ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে সঠিক সময়ে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হচ্ছিল না স্পেস এক্সের রকেট। নাসা জানিয়েছে, মার্কিন স্থানীয় সময় সোমবার ওই মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে এসে পৌঁছাবেন।

চ্যাটজিপিটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পরীক্ষা করছে। এই পরীক্ষা চলছে ফ্রি এবং গো সাবস্ক্রিপশন টায়ারে। এই দুই টায়ারই চ্যাটজিপিটির সবচেয়ে সস্তা প্যাকেজ। অনেকের মতে, এটাই হয়তো বিজ্ঞাপনহীন চ্যাটজিপিটির শেষের শুরু।
৯ ঘণ্টা আগে
কয়েক বছর আগেও এআই নতুন এক প্রযুক্তি হিসেবে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত হওয়ার পর সবকিছু যেন দ্রুত বদলে যেতে থাকল। মাঝে চীনের ডিপসিক নিয়েও চলল ব্যাপক আলোচনা। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই পুরো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা হিসেবে গড়ে উঠল।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় সময় দেখা যায়, ইন্টারনেটে গোপনীয়তা রক্ষায় ভিপিএন ব্যবহার করা হয়। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন অ্যাপগুলো আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে এবং ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে। অনেকে গেমিং, সোশ্যাল সাইট ব্যবহার করার মতো কাজে ভিপিএন অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা এআই নিয়ে আলোচনা হলে আমাদের চোখে ভেসে ওঠে সিলিকন ভ্যালি, অত্যাধুনিক ডেটা সেন্টার কিংবা বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম। কিন্তু এ প্রযুক্তি বিপ্লবের পেছনে রয়েছেন ভারতের গ্রামাঞ্চলের অনেক সাধারণ মানুষ।
১৫ ঘণ্টা আগে