
নিজের ভাবনা, অনুভূতি বা লাইভ মুহূর্তগুলো অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হলো ইনস্টাগ্রাম। তবে প্রতিটি স্টোরি বা লাইভ ভিডিও সবার চোখে পড়ুক তা আমরা সব সময় চাই না। কখনো কখনো আমরা চাই, নির্দিষ্ট কিছু মানুষ যেন আমাদের স্টোরি বা লাইভ দেখতে না পায়—সেটা হতে পারে কোনো আত্মীয়, পরিচিত বন্ধু, সহকর্মী বা অন্য কেউ।
তবে এই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার সুযোগ রেখেছে ইনস্টাগ্রাম। খুব সহজ কিছু সেটিংস পরিবর্তন করলেই আপনি নির্দিষ্ট কারও কাছ থেকে আপনার স্টোরি বা লাইভ ভিডিও লুকাতে পারবেন।
ইনস্টাগ্রামে স্টোরি ও লাইভ লুকাবেন যেভাবে
১. প্রথমে স্মার্টফোন থেকে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।
২. নিচে ডানে থাকা প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করতে হবে।
৩. পরের পেজে ওপরে ডান দিকে থাকা তিনটি রেখা বা হ্যামবার্গার মেনুতে ট্যাপ করতে হবে। ফলে একটি মেনু চালু হবে।
৪. এখন পরের পেজে স্ক্রল করে ‘হাইড স্টোরি অ্যান্ড লাইভ’ অপশন খুঁজে বের করুন এবং এতে ট্যাপ করুন। এর ফলে আরেকটি পেজ চালু হবে।
৫. এবার ‘হাইড স্টোরি অ্যান্ড লাইভ ফ্রম’ অপশনে ট্যাপ করুন।
৬. যার কাছ থেকে স্টোরি ও লাইভ লুকাতে চান তাকে ফলোয়ার তালিকা থেকে খুঁজে বের করুন। এ জন্য তালিকাটি স্ক্রল করুন বা ওপরের সার্চ বক্সে প্রোফাইলের নাম লিখে সার্চ করুন।
৭. কাঙ্ক্ষিত অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেলে সেই অ্যাকাউন্টের ডান পাশে চেক বক্সে ট্যাপ করে তা নির্বাচন করুন।
৮. এবার ওপরের ডান দিকে থাকা ‘ডান অপশনে’ ট্যাপ করুন।

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৩ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৬ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৬ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৬ দিন আগে