ফিচার ডেস্ক

সুপার কার নির্মাতা হিসেবে পরিচিত ল্যাম্বরগিনি এবার নজর দিচ্ছে বিলাসবহুল ভ্রমণের দিকে। প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করছে ডাবল ডেকার মোটর হোম। যেখানে সুপার কারের নকশা ও আধুনিক ভ্রমণের আরাম—দুটি এক করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি শুধু একটি গাড়ি নয়; এটি বিলাসী জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠবে।
এই মোটর হোম মূলত তাদের জন্য, যারা ভ্রমণের সময়ও আরাম ও আধুনিক সুবিধায় কোনো আপস করতে চায় না। রাস্তায় চলার সময় যেন সুপার কারের অনুভূতি পাওয়া যায়, এই লক্ষ্যে নকশা ও প্রকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ল্যাম্বরগিনি।
বাহ্যিক নকশা
ডাবল ডেকার মোটর হোমের নকশায় ল্যাম্বরগিনির সুপার কারের ছাপ স্পষ্ট। গাড়িটির নকশা আধুনিক। বায়ুগতিশীল গড়নের কারণে এটি দেখতে বেশ স্মার্ট।
সঙ্গে আধুনিক এলইডি আলো ব্যবহার করার কারণে গাড়িটি সাধারণ মোটর হোমের চেয়ে আলাদা করে নজর কাড়ে। আকারে বড় এবং দোতলার কাঠামো হলেও নকশায় ভারী বা স্থূল ভাব নেই। বড় আকারের কাচের জানালা ও খোলা ছাদের নকশা ভেতরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ঢুকতে সাহায্য করে। ফলে দিনের বেলায় ভেতরের পরিবেশ থাকে উজ্জ্বল ও আরামদায়ক। একই সঙ্গে চলন্ত অবস্থায় যাত্রীরা চারপাশের প্রকৃতি ও পথের দৃশ্য সহজে উপভোগ করতে পারে। এটি ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
ভেতরের আয়োজন
মোটর হোমটির ভেতরের পরিবেশ সাজানো হয়েছে আরাম ও ব্যবহারিক সুবিধা গুরুত্ব দিয়ে। বসার জন্য প্রশস্ত লাউঞ্জ, আরামদায়ক শোয়ার ঘর, আধুনিক রান্নাঘর এবং বিনোদনের আলাদা জায়গা রাখা হয়েছে। ভাঁজ করা ও সরানো যায় এমন আসবাব রয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গার ব্যবহার বদলানো সম্ভব। পাশাপাশি উন্নত আলো ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করলেও ভেতরের পরিবেশ থাকে আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক।
চলাচল ও নিরাপত্তা
আকারে বড় হলেও এই মোটর হোমের চলাচলে স্থিরতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যেন দীর্ঘ পথের ভ্রমণ বা উঁচু-নিচু রাস্তায় চলাচলের সময়ও গাড়িটি স্থির ও নিয়ন্ত্রিত থাকে। উন্নত স্টিয়ারিং ও ব্রেকিং ব্যবস্থার কারণে চালক সহজে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। পাশাপাশি আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় যাত্রীরা পাবে বাড়তি নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা।
পরিবেশগত দিক
উচ্চ ক্ষমতার যান হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির পাশাপাশি সৌরশক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে, সে জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার ও জ্বালানি খরচ কমানো যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ব্যবস্থার ফলে দীর্ঘ ভ্রমণেও পরিবেশের ওপর তুলনামূলক কম প্রভাব পড়বে এবং ভ্রমণ হবে আরও পরিবেশবান্ধব।
ডাবল-ডেকার মোটর হোমের মাধ্যমে ল্যাম্বরগিনি প্রমাণ করতে চাইছে, ভ্রমণও হতে পারে বিলাসের অংশ। সুপার কারের নকশা, আধুনিক প্রযুক্তি ও আরামদায়ক বসবাস— সব মিলিয়ে এই মোটর হোম ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।

সুপার কার নির্মাতা হিসেবে পরিচিত ল্যাম্বরগিনি এবার নজর দিচ্ছে বিলাসবহুল ভ্রমণের দিকে। প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করছে ডাবল ডেকার মোটর হোম। যেখানে সুপার কারের নকশা ও আধুনিক ভ্রমণের আরাম—দুটি এক করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি শুধু একটি গাড়ি নয়; এটি বিলাসী জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠবে।
এই মোটর হোম মূলত তাদের জন্য, যারা ভ্রমণের সময়ও আরাম ও আধুনিক সুবিধায় কোনো আপস করতে চায় না। রাস্তায় চলার সময় যেন সুপার কারের অনুভূতি পাওয়া যায়, এই লক্ষ্যে নকশা ও প্রকৌশলে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ল্যাম্বরগিনি।
বাহ্যিক নকশা
ডাবল ডেকার মোটর হোমের নকশায় ল্যাম্বরগিনির সুপার কারের ছাপ স্পষ্ট। গাড়িটির নকশা আধুনিক। বায়ুগতিশীল গড়নের কারণে এটি দেখতে বেশ স্মার্ট।
সঙ্গে আধুনিক এলইডি আলো ব্যবহার করার কারণে গাড়িটি সাধারণ মোটর হোমের চেয়ে আলাদা করে নজর কাড়ে। আকারে বড় এবং দোতলার কাঠামো হলেও নকশায় ভারী বা স্থূল ভাব নেই। বড় আকারের কাচের জানালা ও খোলা ছাদের নকশা ভেতরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ঢুকতে সাহায্য করে। ফলে দিনের বেলায় ভেতরের পরিবেশ থাকে উজ্জ্বল ও আরামদায়ক। একই সঙ্গে চলন্ত অবস্থায় যাত্রীরা চারপাশের প্রকৃতি ও পথের দৃশ্য সহজে উপভোগ করতে পারে। এটি ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
ভেতরের আয়োজন
মোটর হোমটির ভেতরের পরিবেশ সাজানো হয়েছে আরাম ও ব্যবহারিক সুবিধা গুরুত্ব দিয়ে। বসার জন্য প্রশস্ত লাউঞ্জ, আরামদায়ক শোয়ার ঘর, আধুনিক রান্নাঘর এবং বিনোদনের আলাদা জায়গা রাখা হয়েছে। ভাঁজ করা ও সরানো যায় এমন আসবাব রয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গার ব্যবহার বদলানো সম্ভব। পাশাপাশি উন্নত আলো ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করলেও ভেতরের পরিবেশ থাকে আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক।
চলাচল ও নিরাপত্তা
আকারে বড় হলেও এই মোটর হোমের চলাচলে স্থিরতা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যেন দীর্ঘ পথের ভ্রমণ বা উঁচু-নিচু রাস্তায় চলাচলের সময়ও গাড়িটি স্থির ও নিয়ন্ত্রিত থাকে। উন্নত স্টিয়ারিং ও ব্রেকিং ব্যবস্থার কারণে চালক সহজে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। পাশাপাশি আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় যাত্রীরা পাবে বাড়তি নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা।
পরিবেশগত দিক
উচ্চ ক্ষমতার যান হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির পাশাপাশি সৌরশক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে, সে জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার ও জ্বালানি খরচ কমানো যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ব্যবস্থার ফলে দীর্ঘ ভ্রমণেও পরিবেশের ওপর তুলনামূলক কম প্রভাব পড়বে এবং ভ্রমণ হবে আরও পরিবেশবান্ধব।
ডাবল-ডেকার মোটর হোমের মাধ্যমে ল্যাম্বরগিনি প্রমাণ করতে চাইছে, ভ্রমণও হতে পারে বিলাসের অংশ। সুপার কারের নকশা, আধুনিক প্রযুক্তি ও আরামদায়ক বসবাস— সব মিলিয়ে এই মোটর হোম ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।

উবার তাদের বৈশ্বিক রাইড-শেয়ার প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করতে যাচ্ছে নতুন প্রজন্মের কাস্টম রোবোট্যাক্সি। সোমবার লাস ভেগাসে এই স্বচালিত যান উন্মোচন করে প্রতিষ্ঠানটি। গুগল-মালিকানাধীন ওয়েমোর ঘাঁটি সান ফ্রান্সিসকো থেকেই রোবোট্যাক্সি সেবা চালুর পরিকল্পনা করেছে উবার।
১ দিন আগে
একটা সময় ছিল, যখন প্রযুক্তি মানে ছিল শুধু যন্ত্র। আজ সেই ধারণা বদলে গেছে। প্রযুক্তি এখন আমাদের সঙ্গী, সহকর্মী, এমনকি কখনো কখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীও। ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে অফিসের কাজ, চিকিৎসা, পড়াশোনা, কেনাকাটা—সবখানেই এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া।
১ দিন আগে
বাড়িতে পোষা প্রাণী রাখা অনেকের শখ। তবে নানা প্রতিকূলতার কারণে তা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এসব প্রতিকূলতা দূর করতে বাজারে এসেছে বিশেষ ধরনের গ্যাজেট, যেগুলো এখন প্রাণী পোষা আরও সহজ করে তুলছে।
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কারণে প্রযুক্তি খাতে চাকরি কমার খবর ইতিমধ্যে সবার জানা। এবার জানা যাচ্ছে, সেই প্রভাব পড়তে পারে ব্যাংকিং খাতেও। বিনিয়োগ ব্যাংক মরগ্যান স্ট্যানলের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে যে চলতি বছর থেকে ব্যাংকিং খাতে বড় পরিসরে চাকরি কমতে পারে।
২ দিন আগে