
অলিম্পিকের চ্যাম্পিয়ন অ্যাথলেটরা শুধু পদকই পান, প্রাইজমানি নয়। তবে অলিম্পিকের ১২৮ বছরের ইতিহাসের ধারা ভেঙে ২৬ জুলাই শুরু হতে যাওয়া প্যারিস অলিম্পিক গেমসে অ্যাথলেটিকসের চ্যাম্পিয়নদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করবে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস। অ্যাথলেটিকসের ৪৮ ইভেন্টের চ্যাম্পিয়নদের প্রত্যককে সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া হবে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। আজ এই ঘোষণা দিয়েছে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস।
অ্যাথলেটিকসের ৪৮ চ্যাম্পিয়নকে ৫০ হাজার করে অর্থ পুরস্কার দেওয়ার জন্য ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকসের খরচ হবে ২৪ লাখ ডলার। প্রতি চার বছরে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি যে বরাদ্দ দেয়, সেখান থেকেই এই অর্থের সংস্থান করবে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস। এর মধ্য দিয়ে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা প্রথম আন্তর্জাতিক ফেডারেশন হবে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস।
অ্যাথলেটিকসের চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কৃত করা গেলে রৌপ্য কিংবা ব্রোঞ্জজয়ীদের নয় কেন? ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকস জানিয়েছে, প্যারিস অলিম্পিকে শুধু চ্যাম্পিয়নদের প্রাইজমানি দেওয়া হবে। পরে তথা ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক থেকে সংস্থা অর্থ দেওয়া শুরু করবে রৌপ্য ও ব্রোঞ্জজয়ীদেরও।
অলিম্পিক গেমস অ্যাথলেটিকসের চ্যাম্পিয়নদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়ে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিকসের সভাপতি সেবাস্তিয়ান কো জানান, অ্যাথলেটদের ক্ষমতায়ন এবং তাঁরা অলিম্পিক গেমসের সাফল্যে তাঁদের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সেটার স্বীকৃতি দেওয়া, সর্বোপরি অ্যাথলেটিকসের জন্যই অলিম্পিক গেমসে অর্থ পুরস্কার চালু করাটা গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে