
কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশি বক্সারদের দুর্ভাগ্য পিছুই ছাড়ছে না। ২০১৮ সালে গোল্ডকোস্ট কমনওয়েলথে কর্মকর্তাদের ভুলে রিংয়ে নামাই হয়নি বক্সারদের। চার বছর পর আবারও দুর্ভাগ্যের শিকার বাংলাদেশি বক্সার সুরকৃষ্ণ চাকমা।
৬০-৬৩.৫ কেজি লাইট ওয়েট শ্রেণিতে আজ ফিজির ইলিয়া রোকোবুলির বিপক্ষে রিংয়ে নামার কথা ছিল সুরকৃষ্ণ চাকমার। হঠাৎ করে সকালে রক্তেরচাপ বেড়ে যাওয়ায় রিংয়ে আর নামাই হয়নি দেশসেরা বক্সারের।
দলীয় চিকিৎসক শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, ইভেন্টের দিন অর্থাৎ আজ সকালে রুটিন মেডিকেল পরীক্ষায় সুরকৃষ্ণের উচ্চরক্তচাপ ধরা পড়ে। এরপর ১৫-২০ মিনিট বিশ্রাম দিয়ে আবারও পরীক্ষায় প্রেশার বেশি আসায় সুরকৃষ্ণকে খেলার অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে রক্তচাপের পরিমাণ বেশি পেয়েছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, এর এক ঘণ্টা পর থেকেই ওর প্রেশার কমতে শুরু করে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়। তবে গেমসের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের আগে মেডিকেল টেস্টে উত্তীর্ণ করতে হয়। সুরকৃষ্ণ সেই পরীক্ষায় উতরাতে পারেননি।
দ্বিতীয়বারের মতো কমনওয়েলথে খেলতে এসেছিলেন সুরকৃষ্ণ। ভাঙা মন নিয়ে নিজের ইভেন্টের খেলা দেখে দেশের প্রথম পেশাদার বক্সার জানালেন, ‘ঘুম থেকে উঠে নাশতা করে মেডিকেল টেস্ট যখন দিই, তখন কোনো সমস্যা হয়নি আমার। অথচ প্রেশার মেপে ডাক্তাররা বেশি পেয়েছেন। এটা দুর্ভাগ্য না তো কী? কোনো স্নায়ু সমস্যা কাজ করেনি আমার মধ্যে। গত রাতে ভালো ঘুম না হওয়ার কারণেই হয়তো এমনটা হয়েছে।’

চার মাস কোর্টের বাইরে ছিলেন। বার্সেলোনা ওপেনে খেললেও অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না কার্লোস আলকারাসের। ইউএস ওপেনে তাঁর খেলা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অ্যান্ডি রডিক, গ্রেগ রুসেদস্কি। তবে আশঙ্কা উড়িয়ে ইউএস ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে উঠে গেছেন স্প্যানিশ তারকা।
৩ মিনিট আগে
বহুবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু একই দলের জার্সিতে তাঁদের কখনো দেখা যায়নি। এবার সেই অপূর্ণতা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কার্লোস তেভেজের বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে হঠাৎ দুশ্চিন্তায় পড়েছে বার্সেলোনা। শনিবার দলের শেষ অনুশীলনে ছিলেন না লামিনে ইয়ামাল। স্বাভাবিকভাবেই রোববার মেস্তায়ায় হেত যাওয়া ম্যাচে এই তরুণ তারকার খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। প্রথম দুই টেস্টে হারের পর মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম উল হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে শুধু পারফরম্যান্স নয়, ড্রেসিংরুমে আচরণগত সমস্যাও ছিল বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
৬ ঘণ্টা আগে