
যুক্তরাষ্ট্রের অচেনা কন্ডিশন, ড্রপ ইন পিচ থেকে ক্যারিবীয় দ্বীপের মন্থর উইকেট—সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তানজিম হাসান সাকিব নিজেকে চিনিয়েছেন অন্যভাবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ উইকেট নিয়েই শুধু নয়, তাঁর আক্রমণাত্মক মনোভাব মুগ্ধ করেছে। বিশ্বকাপের সাফল্য এবং নিজের স্বপ্ন-লক্ষ্য নিয়ে গতকাল আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন এই তরুণ পেসার। মিরপুরে তানজিম সাকিবের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন লাইছ ত্বোহা।

প্রশ্ন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে কতটা তৃপ্ত?
তানজিম হাসান সাকিব: বিশ্বকাপে আমার মূল লক্ষ্য ছিল সুযোগ পেলে যেন দলের জন্য অবদান রাখতে পারি। আলাদাভাবে কোনো পরিকল্পনা ছিল না যে আমি এতগুলো উইকেট নেব। আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, ম্যাচ খেললে যেন দল উপকৃত হয়, দলকে জেতাতে পারি। সেটা হতে পারে উইকেট নিয়ে, হতে পারে ইকোনমিক্যাল বোলিং করে।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি?
তানজিম: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যে ৩টা উইকেট নিয়েছি প্রথম স্পেলে, সেটাই স্মরণীয় মুহূর্ত বলব। যদি ওই ম্যাচটা জিততে পারতাম, তাহলে আমার জন্য অনেক বেশি স্মরণীয় একটা দিন হতো। জিততে না পারলেও ওটাই আমার স্মরণীয় মুহূর্ত।
প্রশ্ন: ড্রপ ইন, স্লো, ভালো—প্রায় সব ধরনের উইকেটেই খেলেছেন। একেক উইকেটে একেক চ্যালেঞ্জ। বেশির ভাগ চ্যালেঞ্জে উতরে যাওয়া কোন সূত্র ধরে?
তানজিম: আমরা যে উইকেটেই খেলি না কেন, ভালো জায়গা কিন্তু কখনো পরিবর্তন হয় না। আমি ড্রপ ইন, ঘাসের, ফ্ল্যাট উইকেট—যেখানেই খেলি, একটাই লক্ষ্য ছিল, ভালো জায়গায় বল করে যাব। যেকোনো উইকেটে ভালো বল সব সময় ভালো বল হিসেবেই বিবেচিত হবে। এটা চিন্তা করেই খেলেছি। ভালো উইকেটে সুবিধা পেলে আমার সমস্যা নেই। আমার একটাই লক্ষ্য ছিল ভালো জায়গায় বল করব, এ জন্য সব ধরনের উইকেটে মানিয়ে নিতে সুবিধা হয়েছে।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা ছিল কোনটি?
তানজিম: বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, রোমাঞ্চকর। সব ম্যাচই উপভোগ্য আর চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২.১ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করাটা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে। ওটা আমাদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ছিল। হয়তো ১২.১ ওভারে রান তাড়া করতে পারলে একটা ইতিহাস গড়তে পারতাম—প্রথমবার সেমিফাইনালে যেতে পারতাম।
প্রশ্ন: বিরাট কোহলিকে আউট করে যে উদ্যাপন, ওটাকে কি ড্রিম উইকেট পাওয়ার প্রতিক্রিয়া বলা যায়?
তানজিম: বিরাট কোহলি একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড়। অনেক অর্জন তাঁর। সত্যি বলতে, মাঠের ভেতরে আমি কখনো ব্যাটারের স্ট্যাটস (পরিসংখ্যান) বা কে আমার সামনে ব্যাটিং করছে, দেখি না। কোহলির উইকেট নিয়েছি, আমার কাছে মনে হয়েছে ওই ব্রেক-থ্রু দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এ কারণে অনেক উপভোগ করেছি।
প্রশ্ন: এত বড় ব্যাটারের উইকেট নেওয়ার পর বাড়তি আনন্দ কি কাজ করেনি?
তানজিম: তিনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন, এটা দেখার পর একটা ভালো লাগা কাজ করেছে। না, তাঁর উইকেটটা আমার আছে (হাসি)।
প্রশ্ন: নেপালের রোহিত পাউডেল কিংবা কোহলির বিপক্ষে যে আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখিয়েছেন, এটা কি আপনার সহজাত নাকি প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে চাপে ফেলার শুধুই একটা কৌশল?
তানজিম: অ্যাগ্রেসিভনেস থাকাটা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করে। যখনই আক্রমণাত্মক থাকি, তখন অনেক মনোযোগ থাকে এবং চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। যখনই আক্রমণাত্মক হই, তখন ভাবি—না, আরও ভালো বোলিং করতে হবে। কারণ, আমি তাকে চোখ রাঙিয়ে এসেছি। সে যদি এখন আমাকে বাউন্ডারি মারে, নিজেকে ছোট মনে হবে। আমি পরের বলে তাই আরও বেশি মনোযোগ রাখি। মনে হয় আক্রমণাত্মক মনোভাব আমাকে অনেক সহায়তা করে।
প্রশ্ন: আপনার নিবেদনে সন্তুষ্ট হয়ে নির্বাচকেরা আপনাকে বিশ্বকাপ দলে রেখেছিলেন। এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। মাঠে ভালো করে সবকিছুর উত্তর দেওয়ার জেদ কাজ করেছিল?
তানজিম: আসলে এই মানসিকতা নিয়ে আমি কখনো খেলতে নামি না যে সমালোচকদের উত্তর দেব। নির্বাচকেরা যেটা ভালো মনে করেছেন, সে সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আমার কাজ বাংলাদেশের হয়ে ভালো খেলা। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে এটাই আমার দায়িত্ব। কে কী বলল, এটা কিছু মনে করি না। যখনই মাঠে নামি, শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি।
প্রশ্ন: প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন, এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের উন্নতি আসলে কোথায় আটকে আছে?
তানজিম: আমাদের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যেই ক্ষুধা আছে। এটা খুবই ভালো, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ অসাধারণ থাকে, সবাই খুবই ইতিবাচক। তবে মনে হয়, আমাদের আরও বিশ্বাস বাড়াতে হবে।
প্রশ্ন: কোচ, অধিনায়ক বা দলের যে কেউ হতে পারেন, যাঁর এমন কোনো কথা আছে, যেটা আপনার কাছে প্রেরণা হিসেবে কাজ করে?
তানজিম: শ্রীধরন শ্রীরাম, আমাদের যে ভারতীয় কোচ ছিলেন, তিনি সব সময় একটা কথা বলতেন, ‘তু বহুত দূর জায়েগা’ (তুই অনেক দূর যাবি)। এটা আমাকে সব সময় প্রেরণা দেয়। অ্যালান ডোনাল্ড আমার বোলিংয়ে বৈচিত্র্য দেখে বলেছিলেন, ‘তুমি আমাদের মালিঙ্গা’। এগুলো আমাকে অনেক উৎসাহ দেয়।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে যদি আফসোস-আক্ষেপের কথা বলা হয়, কোনটির কথা বলবেন?
তানজিম: অবশ্যই আক্ষেপ আছে। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটা জিততে পারতাম, এটা একটা ইতিহাস হতো। আমাদের কাছে সেমিফাইনাল খেলার দারুণ একটা সুযোগ ছিল, সেটা মিস করেছি। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় আফসোস। তবে এই দুটি খেলা থেকে অনেক শেখার আছে, সামনে জিততে অনেক সহায়তা করবে।
প্রশ্ন: আপনার একটা স্বপ্নের কথা দিয়েই শেষ করা যাক।
তানজিম: আমার একটাই স্বপ্ন—বাংলাদেশের হয়ে ট্রফি জেতা। ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে কখনোই চিন্তা করি না।
প্রশ্ন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে কতটা তৃপ্ত?
তানজিম হাসান সাকিব: বিশ্বকাপে আমার মূল লক্ষ্য ছিল সুযোগ পেলে যেন দলের জন্য অবদান রাখতে পারি। আলাদাভাবে কোনো পরিকল্পনা ছিল না যে আমি এতগুলো উইকেট নেব। আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, ম্যাচ খেললে যেন দল উপকৃত হয়, দলকে জেতাতে পারি। সেটা হতে পারে উইকেট নিয়ে, হতে পারে ইকোনমিক্যাল বোলিং করে।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি?
তানজিম: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যে ৩টা উইকেট নিয়েছি প্রথম স্পেলে, সেটাই স্মরণীয় মুহূর্ত বলব। যদি ওই ম্যাচটা জিততে পারতাম, তাহলে আমার জন্য অনেক বেশি স্মরণীয় একটা দিন হতো। জিততে না পারলেও ওটাই আমার স্মরণীয় মুহূর্ত।
প্রশ্ন: ড্রপ ইন, স্লো, ভালো—প্রায় সব ধরনের উইকেটেই খেলেছেন। একেক উইকেটে একেক চ্যালেঞ্জ। বেশির ভাগ চ্যালেঞ্জে উতরে যাওয়া কোন সূত্র ধরে?
তানজিম: আমরা যে উইকেটেই খেলি না কেন, ভালো জায়গা কিন্তু কখনো পরিবর্তন হয় না। আমি ড্রপ ইন, ঘাসের, ফ্ল্যাট উইকেট—যেখানেই খেলি, একটাই লক্ষ্য ছিল, ভালো জায়গায় বল করে যাব। যেকোনো উইকেটে ভালো বল সব সময় ভালো বল হিসেবেই বিবেচিত হবে। এটা চিন্তা করেই খেলেছি। ভালো উইকেটে সুবিধা পেলে আমার সমস্যা নেই। আমার একটাই লক্ষ্য ছিল ভালো জায়গায় বল করব, এ জন্য সব ধরনের উইকেটে মানিয়ে নিতে সুবিধা হয়েছে।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা ছিল কোনটি?
তানজিম: বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, রোমাঞ্চকর। সব ম্যাচই উপভোগ্য আর চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১২.১ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করাটা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে। ওটা আমাদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ছিল। হয়তো ১২.১ ওভারে রান তাড়া করতে পারলে একটা ইতিহাস গড়তে পারতাম—প্রথমবার সেমিফাইনালে যেতে পারতাম।
প্রশ্ন: বিরাট কোহলিকে আউট করে যে উদ্যাপন, ওটাকে কি ড্রিম উইকেট পাওয়ার প্রতিক্রিয়া বলা যায়?
তানজিম: বিরাট কোহলি একজন কিংবদন্তি খেলোয়াড়। অনেক অর্জন তাঁর। সত্যি বলতে, মাঠের ভেতরে আমি কখনো ব্যাটারের স্ট্যাটস (পরিসংখ্যান) বা কে আমার সামনে ব্যাটিং করছে, দেখি না। কোহলির উইকেট নিয়েছি, আমার কাছে মনে হয়েছে ওই ব্রেক-থ্রু দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এ কারণে অনেক উপভোগ করেছি।
প্রশ্ন: এত বড় ব্যাটারের উইকেট নেওয়ার পর বাড়তি আনন্দ কি কাজ করেনি?
তানজিম: তিনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন, এটা দেখার পর একটা ভালো লাগা কাজ করেছে। না, তাঁর উইকেটটা আমার আছে (হাসি)।
প্রশ্ন: নেপালের রোহিত পাউডেল কিংবা কোহলির বিপক্ষে যে আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখিয়েছেন, এটা কি আপনার সহজাত নাকি প্রতিপক্ষ ব্যাটারকে চাপে ফেলার শুধুই একটা কৌশল?
তানজিম: অ্যাগ্রেসিভনেস থাকাটা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করে। যখনই আক্রমণাত্মক থাকি, তখন অনেক মনোযোগ থাকে এবং চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। যখনই আক্রমণাত্মক হই, তখন ভাবি—না, আরও ভালো বোলিং করতে হবে। কারণ, আমি তাকে চোখ রাঙিয়ে এসেছি। সে যদি এখন আমাকে বাউন্ডারি মারে, নিজেকে ছোট মনে হবে। আমি পরের বলে তাই আরও বেশি মনোযোগ রাখি। মনে হয় আক্রমণাত্মক মনোভাব আমাকে অনেক সহায়তা করে।
প্রশ্ন: আপনার নিবেদনে সন্তুষ্ট হয়ে নির্বাচকেরা আপনাকে বিশ্বকাপ দলে রেখেছিলেন। এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। মাঠে ভালো করে সবকিছুর উত্তর দেওয়ার জেদ কাজ করেছিল?
তানজিম: আসলে এই মানসিকতা নিয়ে আমি কখনো খেলতে নামি না যে সমালোচকদের উত্তর দেব। নির্বাচকেরা যেটা ভালো মনে করেছেন, সে সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। আমার কাজ বাংলাদেশের হয়ে ভালো খেলা। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে এটাই আমার দায়িত্ব। কে কী বলল, এটা কিছু মনে করি না। যখনই মাঠে নামি, শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করি।
প্রশ্ন: প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন, এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের উন্নতি আসলে কোথায় আটকে আছে?
তানজিম: আমাদের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যেই ক্ষুধা আছে। এটা খুবই ভালো, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ অসাধারণ থাকে, সবাই খুবই ইতিবাচক। তবে মনে হয়, আমাদের আরও বিশ্বাস বাড়াতে হবে।
প্রশ্ন: কোচ, অধিনায়ক বা দলের যে কেউ হতে পারেন, যাঁর এমন কোনো কথা আছে, যেটা আপনার কাছে প্রেরণা হিসেবে কাজ করে?
তানজিম: শ্রীধরন শ্রীরাম, আমাদের যে ভারতীয় কোচ ছিলেন, তিনি সব সময় একটা কথা বলতেন, ‘তু বহুত দূর জায়েগা’ (তুই অনেক দূর যাবি)। এটা আমাকে সব সময় প্রেরণা দেয়। অ্যালান ডোনাল্ড আমার বোলিংয়ে বৈচিত্র্য দেখে বলেছিলেন, ‘তুমি আমাদের মালিঙ্গা’। এগুলো আমাকে অনেক উৎসাহ দেয়।
প্রশ্ন: এই বিশ্বকাপে যদি আফসোস-আক্ষেপের কথা বলা হয়, কোনটির কথা বলবেন?
তানজিম: অবশ্যই আক্ষেপ আছে। আমরা দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটা জিততে পারতাম, এটা একটা ইতিহাস হতো। আমাদের কাছে সেমিফাইনাল খেলার দারুণ একটা সুযোগ ছিল, সেটা মিস করেছি। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় আফসোস। তবে এই দুটি খেলা থেকে অনেক শেখার আছে, সামনে জিততে অনেক সহায়তা করবে।
প্রশ্ন: আপনার একটা স্বপ্নের কথা দিয়েই শেষ করা যাক।
তানজিম: আমার একটাই স্বপ্ন—বাংলাদেশের হয়ে ট্রফি জেতা। ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে কখনোই চিন্তা করি না।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারতে খেলার মতো পরিস্থিতি নেই— আজ বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
২৬ মিনিট আগে
নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স রীতিমতো উড়ছে। জয় দিয়েই তারা সিলেট পর্ব শেষ করেছে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ ঢাকা ক্যাপিটালসকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে রাজশাহী।শুধু তাই নয়, রাজশাহীর জয়ে ২০২৬ বিপিএলে তিন দলের প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতে হবে নাকি শ্রীলঙ্কায়, তা নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। এরই মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিস্ফোরক এক বক্তব্য দিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে