শুধু ভূমিতে নয়, আকাশেও বিলাসী জীবন যাপন করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। নিজের ব্যক্তিগত বিমানে আকাশযাত্রায়ও আয়েশিভাবে চলাফেরা করেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।
২০ মিলিয়ন পাউন্ডের এই বিমান নিয়ে প্রায়ই প্রেমিকাসহ পর্তুগালে নিজের বাড়িতে উড়াল দিতে দেখা যায় ‘সিআর সেভেন’কে। অনেক সময় প্রেমিকা জর্জিনা রদ্রিগেজ একাই এই বিমান নিয়ে ইউরোপ ভ্রমণ করেন।
রোনালদোর ব্যক্তিগত এই উড়োযানের নাম আস্ট্রা গ্যালাক্সি’। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৬০ মাইল ওড়ার ক্ষমতা রাখে। সংখ্যার দিক থেকেও বেশ দুর্লভ এই বিমান। ১৯৯৯ সালে প্রথমটি সামনে আনার পর এই বিমান তৈরি করা হয়েছে ২৫০টি। ২০১১ সালের পর এই বিমান আর তৈরি করা হয়নি।





অন্যদিকে নরওয়ের ইতিহাস গড়ার রাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম হালান্ড। তাঁর জোড়া গোলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। আর ব্রাজিলের জন্য এই রাত হয়ে থাকল স্বপ্নভঙ্গের, যেখানে শেষ বাঁশির পর নেইমারের অশ্রুই হয়ে উঠল পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রতীক।
১১ মিনিট আগে
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমন প্রতিপক্ষ খুব বেশি নেই, যাদের বিপক্ষে কখনো জয়ের স্বাদই পাওয়া হয়নি। নরওয়ে সেই বিরল ব্যতিক্রম। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে সেই অস্বস্তিকর ইতিহাস আরও দীর্ঘ করলেন আর্লিং হালান্ড। এক গোলে ব্রাজিলকে চাপে ফেললেন, তো আরেক গোলে শেষ করে দিলেন ম্যাচ। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে
২৬ মিনিট আগে
পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থ
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুতে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে