একজনের সঙ্গে আরেকজনের তুলনা করা ঠিক নয়। কেননা, প্রতিটি ব্যক্তির স্বকীয়তা আলাদা। তবু কখনো কখনো একে অন্যের সঙ্গে তুলনা টানা হয় ব্যক্তিদের কর্মের কারণে। যেমনটি বহু বছর ধরেই প্রয়াত ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে লিওনেল মেসির। তবে দুই কিংবদন্তির মধ্যে তুলনা করা মোটেই পছন্দ নয় সার্জিও আগুয়েরোর।
সম্প্রতি স্টকে ডট কম নামে একটি অনলাইন ক্যাসিনোকে এমনটিই জানিয়েছেন আগুয়েরো। আর্জেন্টিনার দুই আইকন ম্যারাডোনা ও মেসি আলাদা দুই প্রজন্মের হয়ে খেলেছেন। তাই তাঁদের সত্তাকে আলাদাভাবেই প্রশংসা করার কথা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার সাবেক এই স্ট্রাইকার। ম্যানচেস্টার সিটির এই কিংবদন্তি বলেছেন, ‘তাদের মধ্যে তুলনা পছন্দ করি না। কে বেশি ছাপ রেখেছে সেটাও কোনো বিষয় নয়। দুজনেই প্রত্যেক আর্জেন্টিনার হৃদয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। ভাবতে ভালো লাগে যে, আমরা আর্জেন্টিনারা কত ভাগ্যবান ডিয়েগো ও লিওকে পেয়েছি। তারা দুজনেই নিজেদের সময়ের সেরা খেলোয়াড়।’
আর্জেন্টিনার দুই কিংবদন্তি ফুটবলার প্রয়াত ম্যারাডোনা ও মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আগুয়েরোর। শৈশব থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বন্ধু মেসির সঙ্গে। আর প্রয়াত ম্যারাডোনা ছিলেন তাঁর সাবেক শ্বশুর।
হৃদ্যন্ত্রের জটিলতার কারণে অকালে অবসর নিতে বাধ্য হয়েছেন আগুয়েরো। শরীরটা সমস্যা না করলে দর্শক হয়ে নয়, হয়তো নিশ্চিতভাবেই বন্ধুর সঙ্গে কাতার বিশ্বকাপে যেতেন। তখন দুজনে মিলে বিশ্বকাপ জয়ের পরিকল্পনাও সাজাতেন।
বাস্তবতায় সেটা এখন সম্ভব নয় বলেই মাঠের বাইরে থেকে আর্জেন্টিনার মঙ্গল কামনা করবেন আগুয়েরো। যেন ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে বন্ধুর হাতেই বিশ্বকাপটা শোভা পায়। সৌদি আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ২২ নভেম্বর। ‘সি’ গ্রুপের বাকি দুই দল হচ্ছে মেক্সিকো ও পোল্যান্ড।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

তবে ঠিক তখনই ম্যাচের চিত্র বদলে দেন ব্রাজিলের প্রাণভোমরা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ৩২ মিনিটে বাঁ-প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে মরক্কোর ডিফেন্ডার নিল এল আয়নাউইকে দারুণ বডি ডজে পরাস্ত করেন ভিনি। এরপর ডি-বক্সের মাঝবরাবর ঢুকে এক দর্শনীয় শটে লক্ষ্যভেদ করে সেলেসাওদের ম্যাচে ফেরান এই রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্
৩৯ মিনিট আগে
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’র হাইভোল্টেজ ম্যাচে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মরক্কোর বিপক্ষে প্রথমার্ধেই ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছে কার্লো আনচেলোত্তির দল। ম্যাচের ২১ মিনিটে মরক্কোকে লিড এনে দেন পিএসভি তারকা ইসমায়েল সাইবারি।
১ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যোগ করা সময়ের গোলটি তাই নিছক একটি পয়েন্টের হিসাব নয়। একটি দলের পুরনো গ্লানি থেকে বেরিয়ে আসার মুহূর্ত, একটি জাতির ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আর সেই মুহূর্তের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন আলজেরিয়ার এক ছোট্ট শহর থেকে উঠে আসা এক খুখি, যিনি কাতারি ফুটবলকে নিজের করে নিয়েছ
১ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটায় তখন ৯৩ মিনিট। সান ফ্রান্সিসকোর গরমের চেয়েও ম্যাচের শেষ মুহূর্তের উত্তাপ যেন ছড়াল বেশি। গোটা স্টেডিয়াম যখন রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষায়, ঠিক তখনই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল সুইজারল্যান্ডের নিশ্চিত জয়ের সব হিসেব। একটি বুলেট হেড থেকে শুধু ড্র-ই নয়, বিশ্বকাপের খাতায় প্রথমবার পয়েন্ট জমা করল কাতার। তাই
২ ঘণ্টা আগে