ঐতিহাসিক মিলান ডার্বি—হাতাহাতি ও লাল কার্ডের ছড়াছড়ি না হয়ে কী শেষ হয়! শুরু থেকে যে উত্তেজনার ছড়াল, সেটি শেষ হলো অতিরিক্ত সময়ে চার মিনিটের ব্যবধানে তিনটি লাল কার্ডে। তবে শেষ হাসিটা হাসল ইন্টার মিলান। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানকে গতরাতে ২-১ গোলে হারানোর পাশাপাশি এ মৌসুমের সিরি আ শিরোপা নিষ্পত্তি করে ফেলেছে নেরাজ্জুরিরা।
ইতালিয়ান ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০তম স্কুডেট্টো জিতল জিতল ইন্টার। ২০২০-২১ মৌসুমের পর এটি তাদের প্রথম লিগ জয়। জুভেন্টাসের ৯ বছরের রাজত্ব কেড়ে নিয়ে সে মৌসুমে নেরাজ্জুরিদের সিরি আ জেতান আন্তোনিও কন্তে। তবে মৌসুম শেষ ইতালিয়ান কোচ দায়িত্ব ছাড়লে সান সিরোতে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন সিমোনো ইনজাঘি। তাঁর অধীনে ইন্টারের এটি প্রথম স্কুডেট্টো।
ইতালিয়ান ফুটবলে ভাটা চললেও সান সিরোতে ৭০ হাজার দর্শকে সামনে মৌসুমের শেষ মিলান ডার্বি ঠিকই উত্তেজনা ছড়াল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে এগিয়ে যায় ইন্টার। কর্নার থেকে বেনিয়ামিন পাভারের ফ্লিকে হেডে বল জালে পাঠান আনমার্ক অবস্থায় থাকা ফ্রান্সেসকো আকেরবি। ৪৯ মিনিটে দলের ব্যবধানটা বাড়ান মার্কাস থুরাম। ৪৯ মিনিটে একক প্রচেষ্টায় ডি বক্স লাইন থেকে অসাধারণ শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।
মিলানকে সমতায় ফেরানোর আশা জাগান ইংল্যান্ডের ফিকায়ো টোমোরি। ৮০ মিনিটে ইন্টার গোলরক্ষক ইয়ান সোমার হেড থেকে আসা বল ঠেলে দিলেও হেডে জাল খুঁজে নেন তিনি। এরপর অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়েরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি শান্ত করতে যোগ করা তৃতীয় মিনিটে মিলানের থিও হার্নান্দেজ ও ইন্টারের ডেঞ্জেল হামফ্রিসকে লাল কার্ড দেখান। চার মিনিট পর লাল কার্ড দেখেন মিলানের দাভিদ কালাব্রিয়াও। এর আগে প্রথমার্ধেও হাতাহাতিতে জড়িয়েছিল দুই দল।
তবে শেষ বাঁশি বাজার পর সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে শিরোপা নিষ্পত্তির আনন্দে মেতে ওঠেন লওতারো মার্তিনেজরা। ইন্টার অধিনায়ক নিজেই জয় উদ্যাপন করেন গোলপোস্টের ওপরে চড়ে। ডামি শিরোপা নিয়ে মাঠে ফটোশুট করেন ইন্টারে খেলোয়াড়-কোচেরা। মিলান শহরে আনন্দ উৎসব বের করে নেরাজ্জুরি সমর্থকেরা। আগে থেকেই যে তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল!
জিতলেই শিরোপা, সেটিও নগর প্রতিদ্বন্দ্বী মিলানকে হারিয়ে—সেই উৎসবটা বাঁধভাঙা এবং রঙিন তো হবেই ইন্টারের। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে বুন্দেসলিগায় বেয়ার লেভারকুজেনের পর শিরোপা নিষ্পত্তি করল সিমোনের দল। সেটিও ৫ রাউন্ড হাতে রেখে, ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে। দুইয়ে থাকা মিলানের পয়েন্ট ৬৯। বাকি পাঁচ ম্যাচ জিতলেও স্তেফানো পিওলির শিষ্যদের পয়েন্ট হবে ৮৪।

মাত্র ৭৫০ বলেই শেষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। ম্যাকাইতে মাত্র দুদিনে হেরে যাওয়ায় আলোচনায় বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে টেস্টের পিচ নিয়েও। নাজমুল হোসেন শান্তর মতে এ ধরনের ঘটনা কখনোই ভোলা
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে ৯ উইকেটে জয়ের পর প্রশংসায় ভাসছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিপরীত অবস্থা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। তাদের সংবাদমাধ্যমেই ধুয়ে দেওয়া হচ্ছিল প্যাট কামিন্স-ট্রাভিস হেডদের। কিন্তু ম্যাকাইতে পাত্তাই পেলেন না নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজরা। তাতে করে ২৩ বছর আগে যা ঘটেছিল, সেই ঘটনাও হার মেনে গেল বাংলাদেশ-
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল আজ ঢাকায় এসে জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছে। মাঠ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ঘাস, ড্রেসিংরুম, গ্যালারি ও মিডিয়া বক্স ঘুরে দেখেছে দলটি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিপক্ষে কিংবা অন্য কোনো দেশের বিপক্ষে ম্যাচে ঢাকার এই স্টেডিয়ামকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি ন
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাকাই টেস্টে হারালে একসঙ্গে অনেক কীর্তি গড়ত বাংলাদেশ। চতুর্থবারের মতো বিদেশের মাঠে টেস্ট সিরিজ জয়, অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই, ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় এগোনো—নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের সামনে ছিল এমন কিছু করার সুযোগ। কিন্তু স
৩ ঘণ্টা আগে