
বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
এ পর্যন্ত ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। দুই দলই জিতেছে ছয়টি করে ম্যাচ। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ ১৫তম সাক্ষাৎটি হতে যাচ্ছে যে কোনো এক দলের এগিয়ে যাওয়ার উপলক্ষ্য। সে লড়াইয়ে জয়ী দল জিতবে বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি।
সবশেষ ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন। মাদ্রিদের মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে হওয়া সে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল স্বাগতিকেরা। সে বছর রাশিয়াতে হওয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা।
বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে থাকা জিওভানি লো সেলসো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লাউতারো মার্তিনেস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নিকোলাস তালিয়াফিকো সেই ম্যাচে খেলেছিলেন। ডান পায়ের অ্যাডাক্টর পেশির চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের সাক্ষাৎ হয়েছিল মাত্র একবার; ১৯৬৬ সালে। গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে হুয়ান কার্লোস লরেঞ্জোর অধীনে ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়েছিল লাতিন আমেরিকার দলটি। তাদের হয়ে দুটি গোলই করেন লুইস আরতিমে। সেই আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপ ফাইনাল ছাড়াও দুই দলের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এখনো বাকি রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফিনালিসিমায় মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কাতারে গত ২৭ মার্চ ম্যাচটি আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেটি স্থগিত করা হয়। এখনো নতুন সূচি ঘোষণা করা হয়নি।
একমাত্র ফিনালিসিমা হয়েছিল ২০২২ সালে। ওয়েম্বলিতে ইতালিকে হারিয়ে সেই শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এমন বাস্তবতায় নিউইয়র্ক নিউজার্সির ফাইনাল শুধু বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণ করবে না, বরং আর্জেন্টিনা-স্পেন দ্বৈরথে ইতিহাসের পাল্লাও এক দলের দিকে ঝুঁকে দেবে।

বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
২ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৩ ঘণ্টা আগে
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচের পর তাদের উদ্যাপন নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফকল্যান্ড ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত চান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
৪ ঘণ্টা আগে