
মাঠে হাউমাউ করে কাঁদছেন সং হিউ-মিন। ফোন হাতে গ্যালারিতে কাঁদছেন এক দক্ষিণ কোরিয়ান সমর্থক। ১২ বছর পর নকআউটে যাওয়ার আনন্দাশ্রু বুঝি এমনই হয়!
রাশিয়া বিশ্বকাপে জার্মানিকে হারিয়েও শেষ ষোলোতে উঠতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়া। গত তিন আসরে ভালো খেলেও বারবার হাতছাড়া হচ্ছিল নক-আউটের টিকিট। এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়েও ছিল দুশ্চিন্তা, ভাগ্য ঝুলে ছিল উরুগুয়ে-ঘানা ম্যাচের ফলের অপেক্ষায়।
খেলা শেষ করেই হাতে স্মার্টফোন নিয়ে উরুগুয়ে-ঘানার ম্যাচ দেখতে বসে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলাররা। কোরিয়ানদের প্রার্থনা ছিল শুধু একটাই, কিছুতেই যেন শেষ সময়ে আরেকটি গোল করতে না পারে উরুগুয়ে। তাদের সেই প্রার্থনা বিফলে যায়নি। জিতেও হলুদ কার্ডের আক্ষেপে বিদায় ঘটে গেল উরুগুয়ের। অস্ট্রেলিয়া, জাপানের পর তৃতীয় এশিয়ান দেশ হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেল কোরিয়া।
বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে পর্তুগালের বিপক্ষে জিততেই হতো দক্ষিণ কোরিয়াকে। পাশাপাশি অপেক্ষায় থাকতে হতো উরুগুয়ে-ঘানা ম্যাচের দিকেও। ঘানার জালে উরুগুয়ে প্রথমার্ধেই ২ গোল দেওয়ায় সমীকরণটা জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল কোরিয়ানদের সামনে। সব সমীকরণ সোজা করে অতিরিক্ত সময়ে হোয়াং হি-চানের গোল। তাঁর গোলে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে কোরিয়া। ঘানাকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোরিয়ার সমান পয়েন্ট আর গোল নিয়েও হলুদ কার্ড বেশি থাকায় বাদ পড়ল উরুগুয়ে। ৭ পয়েন্টে ‘এইচ’ গ্রুপের সেরা পর্তুগাল, ৪ পয়েন্টে রানার্সআপ কোরিয়া। উরুগুয়ের গোল-পয়েন্টও সমান ছিল। কিন্তু সব ব্যবধান গড়ে দিল হলুদ কার্ড।
অথচ ম্যাচটা পিছিয়ে পড়েই শুরু করেছিল কোরিয়া। ৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে দিয়েগো দালোতের কাট ব্যাকে জটলার ভেতর থেকে রিকার্দো হোর্তার ভলিতে বল খুঁজে পায় জাল। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে তৃতীয় ফুটবলার হলেন হোর্তা। এই কাতার বিশ্বকাপেই নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোল করেছেন হোয়াও ফেলিক্স ও রাফায়েল লিয়াও।
১৭ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিল কোরিয়াও। কাতার বিশ্বকাপে স্ট্রাইকারদের আতঙ্ক সেই অফসাইডে কাটা পড়ে কোরিয়ার গোল। তবে ১০ মিনিট পরই সেই আক্ষেপ মিটিয়ে দেন কিম ইয়ং-গোয়ান। ২৭ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মাথায় লেগে দিক পাল্টালে ফাঁকায় বল পেয়ে যান কোরিয়ান ডিফেন্ডার। সুযোগটা নষ্ট করেননি গোয়ান। দারুণ এক ভলিতে ম্যাচে ফেরান সমতা।
গোলরক্ষক কিম সেউং গিয়ু বাধা হয়ে না দাঁড়ালে ব্যবধানটা আরও বড় হতো পর্তুগালের। রোনালদো তাঁর দায়মুক্তির সুযোগ পেয়েছিলেন ২৯ মিনিটে। কিন্তু কোরিয়ান গোলরক্ষক কিম সেউং গিয়ুকে একা পেয়েও বল মেরেছেন তার গায়েই। ৩৩ মিনিটে দিয়েগো দালোতের শটও দারুণ দক্ষতায় ফেরান কিম সেউং গিয়ু। ৪২ মিনিটেও ভিতিনিয়াও শটে হার মানাতে পারেননি কোরিয়ান গোলরক্ষককে।
পরের অর্ধে ম্যাচ থেকে যখন ক্রমেই ছিটকে যাচ্ছিল কোরিয়া, তখনই অতিরিক্ত সময়ে কোরিয়ানদের আনন্দের উল্লাসে ভাসান বদলি মিডফিল্ডার হোয়াং হি-চান। পর্তুগিজ দুই ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল বাড়ান সং হিউ-মিন। সুযোগটা নষ্ট করেননি হি-চান, পর্তুগিজ গোলরক্ষককে হারিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।

মাঠে হাউমাউ করে কাঁদছেন সং হিউ-মিন। ফোন হাতে গ্যালারিতে কাঁদছেন এক দক্ষিণ কোরিয়ান সমর্থক। ১২ বছর পর নকআউটে যাওয়ার আনন্দাশ্রু বুঝি এমনই হয়!
রাশিয়া বিশ্বকাপে জার্মানিকে হারিয়েও শেষ ষোলোতে উঠতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়া। গত তিন আসরে ভালো খেলেও বারবার হাতছাড়া হচ্ছিল নক-আউটের টিকিট। এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়েও ছিল দুশ্চিন্তা, ভাগ্য ঝুলে ছিল উরুগুয়ে-ঘানা ম্যাচের ফলের অপেক্ষায়।
খেলা শেষ করেই হাতে স্মার্টফোন নিয়ে উরুগুয়ে-ঘানার ম্যাচ দেখতে বসে গেলেন দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলাররা। কোরিয়ানদের প্রার্থনা ছিল শুধু একটাই, কিছুতেই যেন শেষ সময়ে আরেকটি গোল করতে না পারে উরুগুয়ে। তাদের সেই প্রার্থনা বিফলে যায়নি। জিতেও হলুদ কার্ডের আক্ষেপে বিদায় ঘটে গেল উরুগুয়ের। অস্ট্রেলিয়া, জাপানের পর তৃতীয় এশিয়ান দেশ হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেল কোরিয়া।
বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে পর্তুগালের বিপক্ষে জিততেই হতো দক্ষিণ কোরিয়াকে। পাশাপাশি অপেক্ষায় থাকতে হতো উরুগুয়ে-ঘানা ম্যাচের দিকেও। ঘানার জালে উরুগুয়ে প্রথমার্ধেই ২ গোল দেওয়ায় সমীকরণটা জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল কোরিয়ানদের সামনে। সব সমীকরণ সোজা করে অতিরিক্ত সময়ে হোয়াং হি-চানের গোল। তাঁর গোলে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে কোরিয়া। ঘানাকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোরিয়ার সমান পয়েন্ট আর গোল নিয়েও হলুদ কার্ড বেশি থাকায় বাদ পড়ল উরুগুয়ে। ৭ পয়েন্টে ‘এইচ’ গ্রুপের সেরা পর্তুগাল, ৪ পয়েন্টে রানার্সআপ কোরিয়া। উরুগুয়ের গোল-পয়েন্টও সমান ছিল। কিন্তু সব ব্যবধান গড়ে দিল হলুদ কার্ড।
অথচ ম্যাচটা পিছিয়ে পড়েই শুরু করেছিল কোরিয়া। ৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে দিয়েগো দালোতের কাট ব্যাকে জটলার ভেতর থেকে রিকার্দো হোর্তার ভলিতে বল খুঁজে পায় জাল। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে তৃতীয় ফুটবলার হলেন হোর্তা। এই কাতার বিশ্বকাপেই নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোল করেছেন হোয়াও ফেলিক্স ও রাফায়েল লিয়াও।
১৭ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিল কোরিয়াও। কাতার বিশ্বকাপে স্ট্রাইকারদের আতঙ্ক সেই অফসাইডে কাটা পড়ে কোরিয়ার গোল। তবে ১০ মিনিট পরই সেই আক্ষেপ মিটিয়ে দেন কিম ইয়ং-গোয়ান। ২৭ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মাথায় লেগে দিক পাল্টালে ফাঁকায় বল পেয়ে যান কোরিয়ান ডিফেন্ডার। সুযোগটা নষ্ট করেননি গোয়ান। দারুণ এক ভলিতে ম্যাচে ফেরান সমতা।
গোলরক্ষক কিম সেউং গিয়ু বাধা হয়ে না দাঁড়ালে ব্যবধানটা আরও বড় হতো পর্তুগালের। রোনালদো তাঁর দায়মুক্তির সুযোগ পেয়েছিলেন ২৯ মিনিটে। কিন্তু কোরিয়ান গোলরক্ষক কিম সেউং গিয়ুকে একা পেয়েও বল মেরেছেন তার গায়েই। ৩৩ মিনিটে দিয়েগো দালোতের শটও দারুণ দক্ষতায় ফেরান কিম সেউং গিয়ু। ৪২ মিনিটেও ভিতিনিয়াও শটে হার মানাতে পারেননি কোরিয়ান গোলরক্ষককে।
পরের অর্ধে ম্যাচ থেকে যখন ক্রমেই ছিটকে যাচ্ছিল কোরিয়া, তখনই অতিরিক্ত সময়ে কোরিয়ানদের আনন্দের উল্লাসে ভাসান বদলি মিডফিল্ডার হোয়াং হি-চান। পর্তুগিজ দুই ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল বাড়ান সং হিউ-মিন। সুযোগটা নষ্ট করেননি হি-চান, পর্তুগিজ গোলরক্ষককে হারিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
৯ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে