
আটলান্টার স্টেডিয়ামে তখন রেফারির শেষ বাঁশি বেজেছে। একপাশে লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্প্যানিশ তারকারা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে, অন্যপাশে কেপ ভার্দের ফুটবলারদের বুনো উল্লাস। স্পেনকে যে ০-০ গোলে রুখে দিয়েছে তারা। আর এই রূপকথার নায়ক— ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।
কাগজে-কলমে দুই দলের ব্যবধান ছিল আকাশ আর পাতাল। স্পেনের একেকজন ফুটবলারের বাজারমূল্য যখন কোটি কোটি ইউরো, সেখানে পর্তুগিজ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব চাভেসের হয়ে খেলা ভোজিনিয়ার দলবদল বাজারে মূল্য মাত্র ৫০ হাজার ইউরো! কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে সেই সামান্য মূল্যের ভোজিনিয়াই স্প্যানিশ আক্রমণের সামনে হয়ে উঠলেন দুর্ভেদ্য এক প্রাচীর। পেদ্রি–রদ্রিদের একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ল তাঁর বিশ্বস্ত গ্লাভসে।
পুরো ম্যাচে ৭টি অনটার্গেট শট ঠেকিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন ভোজিনিয়া। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক গোলরক্ষক হিসেবে অভিষেকেই ‘ক্লিন শিট’ রাখার অনন্য কীর্তি গড়লেন তিনি।
ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকারে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভোজিনিয়া। সেরা খেলোয়াড়ের হাতে নিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে বললেন, ‘আমরা এই দিনটার জন্যই বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। জানতাম বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে খেলছি, তবে আমাদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপরও বিশ্বাস ছিল। ম্যাচটি ভীষণ কঠিন হলেও এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’
ভোজিনিয়ার এই আবেগঘন কান্না ছুঁয়ে গেছে দলের কোচ বুবিস্তাকেও। ম্যাচ শেষে শিষ্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ বলেন, ‘ওর চোখের জল ছিল আমাদের দীর্ঘ ও কঠোর পরিশ্রমের ফসল। ও বহু বছর ধরে আমাদের দলের সাথে আছে। পুরো দল সামনে থেকে দারুণভাবে নিজেদের কাজটা করেছে বলেই ও পোস্টের নিচে শান্ত থেকে নিজের সেরাটা দিতে পেরেছে।’
মাঠের সেই বীরত্বের প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। ম্যাচের আগে ইনস্টাগ্রামে ভোজিনিয়ার অনুসারী ছিল মাত্র ২০ হাজার। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তা অবিশ্বাস্য গতিতে ছাড়িয়ে গেছে ২০ লাখ! যা কেপ ভার্দের ৬ লাখ জনসংখ্যার চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি।
বিশ্বকাপের শুরুতেই স্পেনের মতো দলকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের কোচ বুবিস্তা যেন বিশ্বফুটবলকে একটি বার্তাই দিয়ে রাখলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের কাছে এই ফলের অর্থ অনেক বড়। আমরা চেয়েছিলাম বিশ্ব দেখুক আমাদের দল মাঠের ফুটবলে কতটা লড়াকু; আমরাই তো ঘুরে দাঁড়ানোর এবং সহনশীলতার আসল রূপ।’

আমি কেঁদেছিলাম কারণ আমি আমার দাদা-দাদীর কাছে বড় হয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আজকের এই দিনে তাঁরা এখানে নেই। কয়েক বছর আগে তাঁরা মারা গেছেন। তাঁরাই ছিলেন আমার সব, আমার জীবনের সবকিছু। আর (কেঁদেছি) আমার মায়ের কারণে। ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি। ভিসার জন্য যে টাকা দিতে হয়, সেটার কারণে আমরা সময়মতো গুছিয়ে উ
৩২ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। তাঁকে নিয়ে কোচ বলেন, ‘সবাই তাকে মাঠে দেখতে চায়। সবার মনে সে এই অনুভূতিটাই জাগিয়ে তোলে এবং আমার কাছে এটা সবসময় এমনই থাকবে। মাঠে তার উপস্থিতি নিয়ে আমি কোনো নেতিবাচক দিক দেখি না। সে সবসময়ই অপরিহার্য ছিল, আর এখন আরও বেশি।’
১ ঘণ্টা আগে
সমতার পর শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮২ মিনিটে বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেখেলের একটি জোরালো হেডার শূন্যে লাফিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় মিসর। ডি-বক্সের ঠিক লাইনে জিজো ফাউলের শিকার হলে মাঠের রেফারি তাতে সাড়া দ
১ ঘণ্টা আগে
কানসাস বিমানবন্দরে নেমেই বোঝা গেল বিশ্বকাপের শহরে পা রেখেছি। নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের আমেজ বোঝা যতটা কঠিন, কানসাসে তা নয়। বরং মিসৌরি রাজ্যের বৃহত্তম শহরকে রঙিন করে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপের রঙে। এই কানসাসেই ঘাঁটি গেড়েছে আর্জেন্টিনা।
২ ঘণ্টা আগে