
ফুটবলাররা মাঠের ক্রিকেটের উইকেট নষ্ট করে ফেলেছে বলে দাবি করেছেন বিসিবি পরিচালক ও গায়ক আসিফ আকবর। তাঁর মতে, ফুটবলের কারণে ক্রিকেট খেলা যাচ্ছে না।
দেশের ৬৪টি জেলা ও আটটি বিভাগের ক্রিকেট কোচ, কাউন্সিলর, নারী উদ্যোক্তা প্রতিনিধি ও ক্রীড়া কর্মকর্তাদের নিয়ে রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে ক্রিকেট কনফারেন্সের আয়োজন করেছে বিসিবি। আজ প্রথম দিন সেখানে ফুটবল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন আসিফ। ক্রিকেটকে এগিয়ে রাখার প্রয়োজনে মারধর করতেও রাজি আছেন তিনি।
কুমিল্লায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে জেলা ক্রিকেট লিগ শুরু হবে ১২ নভেম্বর। বাংলাদেশ ফুটবল লিগে ২৪ নভেম্বর সেখানেই হবে আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথ। তাই কুমিল্লায় ম্যাটের উইকেটে খেলা হবে বলে দাবি আসিফ আকবরের।
ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফ বলেন, ‘ফুটবলারদের জন্য (ক্রিকেট) খেলা যাচ্ছে না সারা দেশে। তারা উইকেট ভেঙে ফেলল, উইকেট নষ্ট করে ফেলেছে। আবার ২৪ তারিখ আবাহনী-মোহামেডান ফুটবল খেলা কুমিল্লা স্টেডিয়ামে। এই সমস্যাটা শুধু কুমিল্লার না। প্রতিটা জেলার স্টেডিয়াম দখল করে রেখেছে ফুটবল, প্রতিটা জেলার যেখানে ফুটবলের কাজ নেই, সেখানেও ফুটবল দখল করে রেখেছে এবং ফুটবলারদের ব্যবহার খুব খারাপ।’
আসিফ আরও বলেন, ‘আমি সরাসরি বলতে চাই। কারণ, ক্রিকেট একটা ডিসিপ্লিন খেলা, একটা আভিজাত্যের খেলা। এখানে অনেক নিয়মকানুন আছে, রেকর্ডের খেলা। আর ফুটবল হচ্ছে, যদি একজনের গায়ে আরেকজন লাগে, সে মিথ্যা কথা বলবে যে, ‘‘আমার থ্রো’’। তাই না? শুরুটাই খারাপ। কার কর্নার, কার ফাউল, কে এসে বসে, সবাই দাবি করে। কিন্তু ক্রিকেটটা এমন না।’
ফুটবল যেমন, আসিফ তেমনই ব্যবহার করতে চান, ‘আমি আবার অত ভদ্র না। যেহেতু আমি অবসরপ্রাপ্ত ক্রিকেটার... যদি ফুটবল মারপিট করে, আমিও মারপিট করব, নো প্রোবলেম। যে যেমন, তার সঙ্গে তেমন করতে হবে। আমরা তো চাঁদা চাচ্ছি না, কিডনি চাচ্ছি না, হার্ট-চোখ চাচ্ছি না, আমরা চাচ্ছি খেলার অধিকার।’
বাফুফের সঙ্গে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে সমঝোতায় আসতে অনুরোধ করেন আসিফ। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ড সভাপতিকে অনুরোধ করব, আমাদের সিনিয়র যারা আছেন বোর্ড মেম্বারস, তাঁদের অনুরোধ করব যে আপনারা জরুরি ভিত্তিতে বাফুফের সঙ্গে বসেন। আমরা তো মারামারি করতে যাব না। আমরা এনএসসির কাছে বার্ষিক সূচি চাই। কখন কোন খেলা হবে। যদি তা না করতে পারি, যতই চেষ্টা করি কোনো লাভ হবে না। মাঠেরও টেম্পারমেন্ট থাকে। ফুটবলারদের সঙ্গে আমাদের সমঝোতায় আসতে হবে।’

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে। অথচ গতকাল প্রথম দিনে প্রথম দুই সেশনে পাকিস্তান যেভাবে খেলছিল, সেটা বজায় থাকলে হতে পারত অন্য কিছু। তবে দল ভালো অবস্থায় থাকায় লিটন দাসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা।
২২ মিনিট আগে
ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন রানা। যার মধ্যে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে তিনবার আউট করেছেন রানা। তবে বাংলাদেশের আলোচিত গতিতারকাকে ভয় পান না বাবর।
১ ঘণ্টা আগে
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন হয়, সেটা টের পাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো বটেই, আইপিএলেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন তিনি। বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই দৃষ্টান্তও স্থাপন করছেন তিনি। তবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোহলি।
২ ঘণ্টা আগে
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং ও বাউন্সারে ব্যাটারদের হরহামেশাই কুপোকাত করেন নাহিদ রানা। আগুনে বোলিংয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই ফেলে দিয়েছেন রানা। বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে কখনো কোনো বোলার বাউন্সার মারলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের গতিতারকা।
৪ ঘণ্টা আগে