ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রেমিকা হিসেবে বিশ্বব্যাপী দারুণ পরিচিতি পেয়েছেন জর্জিনা রদ্রিগেজ। এর বাইরে তাঁর আরেকটা পরিচিতি রয়েছে—একজন পেশাদার মডেল। তবে একটা সময় এসবের কিছুই ছিল না জর্জিনার।
ব্রিস্টলের অতি সাধারণ এক মেয়ে ছিলেন জর্জিনা। শিশুদের দেখাশোনার জন্য একসময় আয়ার কাজ করতেন তিনি। এর সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে ইংরেজি ও নাচ শেখার ক্লাস করতেন জর্জিনা। জীবনটা সচ্ছল ছিল না সে সময়। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের একটি সিরিজে জর্জিনার জীবনের গল্প উঠে এসেছে।
আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্সে জন্ম নেওয়া জর্জিনা বাবার সঙ্গে ছোটবেলায় স্পেনে চলে আসেন। ২০০৩ সালে নয় বছর বয়সে কোকেন পাচার মামলায় জেলে যান জর্জিনার বাবা। কঠিন এই সময়টায় মা মারিয়া হার্নান্দেজ এবং বোন ইভানার সঙ্গে বেশ কষ্টে কেটেছে রোনালদোর এই বর্তমান প্রেমিকার। তবে হাল না ছেড়ে কাজের সঙ্গে মডেলিং চালিয়ে যান জর্জিনা।
জর্জিনার উত্থানের শুরুটাও হয়েছিল এই মডেলিং দিয়ে। তারপর তো জড়িয়ে গেলেন পর্তুগিজ যুবরাজ রোনালদোর জীবনের সঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ ফেললেই আজকাল দুজনের ঘনিষ্ঠতার ছবি দেখতে পাওয়া যায়।
জর্জিনার জীবনকাহিনি নিয়ে নেটফ্লিক্স স্পেনের পরিচালক আলভারো দিয়াজ বলেছেন, ‘জর্জিনা একজন প্রেরণাদায়ক নারী। তিনি ছিলেন সাধারণ এক তরুণী। আচমকাই তার জীবন বদলে যায়। একদিন কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে জর্জিনা তার ভালোবাসার মানুষের দেখা পায়। এ রকম স্বপ্ন কে বা না দেখে?’
এ বছরের ক্রিসমাসের আগেই সিরিজটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নাটকীয়ভাবে রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ায় গল্পের পট বদলে যায়। এবার আরও বিস্তারিত গল্পে জানা যাবে রোনালদো-জর্জিনার জীবন সম্পর্কে।

অন্যদিকে নরওয়ের ইতিহাস গড়ার রাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম হালান্ড। তাঁর জোড়া গোলেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। আর ব্রাজিলের জন্য এই রাত হয়ে থাকল স্বপ্নভঙ্গের, যেখানে শেষ বাঁশির পর নেইমারের অশ্রুই হয়ে উঠল পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রতীক।
১২ মিনিট আগে
ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমন প্রতিপক্ষ খুব বেশি নেই, যাদের বিপক্ষে কখনো জয়ের স্বাদই পাওয়া হয়নি। নরওয়ে সেই বিরল ব্যতিক্রম। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে সেই অস্বস্তিকর ইতিহাস আরও দীর্ঘ করলেন আর্লিং হালান্ড। এক গোলে ব্রাজিলকে চাপে ফেললেন, তো আরেক গোলে শেষ করে দিলেন ম্যাচ। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে
২৭ মিনিট আগে
পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থ
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুতে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে