
বিগত কয়েক বছর ধরেই চেলসি দলের সাফল্য বা সম্মানের বদলে তাদের '৯' নম্বর জার্সিটি একরকম ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে আছে। সাধারণত ৯ নম্বর জার্সি দলের স্ট্রাইকারকে দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে চেলসির এই জার্সি নম্বর তাদের জন্য অভিশাপ হিসেবেই ধরা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় চেলসির খেলোয়াড়েরা কেউই আর ৯ নম্বর জার্সিটি পরে খেলতে চান না। এমনকি স্পর্শ করা থেকেও নাকি তাঁরা বিরত থাকেন। বিস্ময়কর এই তথ্য জানিয়েছেন কোচ টমাস টুখেল।
চেলসির খেলোয়াড়েরা কেন ৯ নম্বর জার্সিটি নিতে চাননি, সে প্রসঙ্গে টুখেল বলেন, ‘মানুষ আমাকে বলে এটি অভিশপ্ত! এমন নয় যে আমরা কৌশলগত কারণে বা কিছু খেলোয়াড়ের জন্য এটি উন্মুক্ত রেখেছি। ৯ নম্বর জার্সির জন্য খুব বেশি চাহিদা ছিল না। খেলোয়াড়রা মাঝে মাঝে সংখ্যা পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কেউ এটি স্পর্শ করতে চায় না।’
টুখেল জানিয়েছেন, তিনি কুসংস্কারে বিশ্বাসী, তাই তিনিও আসলে নিশ্চিত নন এর শেষ কোথায়। তিনি বলেন, ‘৯ নম্বর জার্সির অভিশাপের শেষ কবে হবে, তার প্রতিশ্রুতি দিতে পারছি না। আমি নিজেও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। বুঝতে পারি কেন খেলোয়াড়েরা এটাকে স্পর্শ করে না।’
রোমেলু লুকাকু ইন্টার মিলানে ফিরে যাওয়ার পর চেলসির ৯ নম্বর জার্সিধারী ফুটবলার নেই। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে লুকাকুকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ওপরে উঠলেও সেটি তিনি পূরণ করতে পারেননি।
অতীত ইতিহাস বলছে, চেলসিতে খেলতে এসে যাঁরাই ৯ নম্বর জার্সি পরে খেলেছেন, তাঁরা বিভিন্ন কারণে পরে ফর্ম হারিয়েছেন । কেউ কেউ চোটে পড়েও ছিটকে গেছেন। এই অভিশাপের সূচনা হয়েছিল জিমি ফ্লয়েড হ্যাসেলব্যাংককে দিয়ে। তাঁর আগে অনেকে ব্যর্থ হলেও মূলত ধারাবাহিক ব্যর্থতার শুরু এখানেই। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লা লিগা থেকে অবনমিত হলে ২০০০ সালে ক্লাব রেকর্ড পরিমাণ ট্রান্সফার ফির বিনিময়ে চেলসিতে নাম লিখিয়েছিলেন ফ্লয়েড।

বিগত কয়েক বছর ধরেই চেলসি দলের সাফল্য বা সম্মানের বদলে তাদের '৯' নম্বর জার্সিটি একরকম ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে আছে। সাধারণত ৯ নম্বর জার্সি দলের স্ট্রাইকারকে দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে চেলসির এই জার্সি নম্বর তাদের জন্য অভিশাপ হিসেবেই ধরা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় চেলসির খেলোয়াড়েরা কেউই আর ৯ নম্বর জার্সিটি পরে খেলতে চান না। এমনকি স্পর্শ করা থেকেও নাকি তাঁরা বিরত থাকেন। বিস্ময়কর এই তথ্য জানিয়েছেন কোচ টমাস টুখেল।
চেলসির খেলোয়াড়েরা কেন ৯ নম্বর জার্সিটি নিতে চাননি, সে প্রসঙ্গে টুখেল বলেন, ‘মানুষ আমাকে বলে এটি অভিশপ্ত! এমন নয় যে আমরা কৌশলগত কারণে বা কিছু খেলোয়াড়ের জন্য এটি উন্মুক্ত রেখেছি। ৯ নম্বর জার্সির জন্য খুব বেশি চাহিদা ছিল না। খেলোয়াড়রা মাঝে মাঝে সংখ্যা পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কেউ এটি স্পর্শ করতে চায় না।’
টুখেল জানিয়েছেন, তিনি কুসংস্কারে বিশ্বাসী, তাই তিনিও আসলে নিশ্চিত নন এর শেষ কোথায়। তিনি বলেন, ‘৯ নম্বর জার্সির অভিশাপের শেষ কবে হবে, তার প্রতিশ্রুতি দিতে পারছি না। আমি নিজেও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। বুঝতে পারি কেন খেলোয়াড়েরা এটাকে স্পর্শ করে না।’
রোমেলু লুকাকু ইন্টার মিলানে ফিরে যাওয়ার পর চেলসির ৯ নম্বর জার্সিধারী ফুটবলার নেই। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে লুকাকুকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ওপরে উঠলেও সেটি তিনি পূরণ করতে পারেননি।
অতীত ইতিহাস বলছে, চেলসিতে খেলতে এসে যাঁরাই ৯ নম্বর জার্সি পরে খেলেছেন, তাঁরা বিভিন্ন কারণে পরে ফর্ম হারিয়েছেন । কেউ কেউ চোটে পড়েও ছিটকে গেছেন। এই অভিশাপের সূচনা হয়েছিল জিমি ফ্লয়েড হ্যাসেলব্যাংককে দিয়ে। তাঁর আগে অনেকে ব্যর্থ হলেও মূলত ধারাবাহিক ব্যর্থতার শুরু এখানেই। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লা লিগা থেকে অবনমিত হলে ২০০০ সালে ক্লাব রেকর্ড পরিমাণ ট্রান্সফার ফির বিনিময়ে চেলসিতে নাম লিখিয়েছিলেন ফ্লয়েড।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কোর্টনি ওয়ালশকে নিয়োগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড (জেডসি)। ছোট সংস্করণের বিশ্বকাপ সামনে রেখে আফ্রিকান দলটির বোলিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার। বাংলাদেশের সাবেক পেস বোলিং কোচকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্
৩ মিনিট আগে
শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
৩৭ মিনিট আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটের হালহকিকত যাঁরা জানেন, তাঁদের কাছে বৈভব সূর্যবংশী নামটাও অজানা নয়। তাঁর বয়স সবে ১৪; মুখাবয়বে এখনো শৈশবের ছোঁয়া। কিন্তু এই বয়সেই ক্রিকেটের এই বিস্ময় বালক ব্যাট হাতে আগুনের হলকা তুলছেন। যুব ক্রিকেট তো বটেই, তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা আইপিএলের কল্যাণেও ক্রিকেটপ্রেমীদের জানা। সেই সূর্যবংশীদের বিপক্ষে
২ ঘণ্টা আগে