নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সতীর্থকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন মুর্শেদ আলী। বাংলাদেশের যেকোনো ফুটবলভক্তকে নাড়িয়ে দেবে সেই দৃশ্য। টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ খেললেও হেরে যেতে হলো ভাগ্য নির্ধারণের খেলায়। টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা উল্লাস করে স্বাগতিক ভারত। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও এই ফুটবলারদের মধ্যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন সাবেকেরা। তাতে আরও সমৃদ্ধ হবে দেশের পাইপলাইন।
অরুণাচল প্রদেশের গোল্ডেন জুবিলি স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। কিন্তু নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্যবধান গড়ে দিতে পারেনি। জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পেনাল্টি শুটআউটে হারাটা দুর্ভাগ্যজনক। বাংলাদেশ একটু ভুল করেছে। এক গোল পিছিয়ে থাকার পর যখন সমতায় ফিরল, তখন ভারতকে আরেকটু চাপে রাখলে আমার মনে হয়েছে গোল বের হয়ে আসত। তবে বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেছে।’
টাইব্রেকারে নিজের শটটি গোলে রূপান্তরিত করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল। সেই ভুলটি বাদ দিলে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। চার ম্যাচে ৩ গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফুটবলার। তা-ই নয়, গোলের জোগানও দিয়েছেন বেশ সূক্ষ্মভাবে। তাঁকে নিয়ে এমিলি বলেন, ‘নাজমুল আক্রমণে বেশ কার্যকরী খেলোয়াড়। ফাইনাল বাদে সব ম্যাচেই হয় গোল করিয়েছে নয়তো করেছে। একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের কাছ থেকে এটাই তো চাওয়া থাকে। স্যামুয়েল রাকসাম, মুর্শেদ ও মিঠু চৌধুরীর ভালো সামর্থ্য আছে।’
যুবাদের অনেকেরই নাড়িনক্ষত্র জানা আছে জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশুর। অনূর্ধ্ব-১৭-তে থাকতে তাঁদের সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। তাঁর চোখে টুর্নামেন্টে আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন মুর্শেদ। বাঁ পায়ের এই উইঙ্গার ডান প্রান্ত দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছেন প্রতিপক্ষের অর্ধে। গ্রুপ পর্বে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে একটি গোলসহ দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
মিশু বলেন, ‘মুর্শেদ আমাদের দেশের কন্ডিশনে বিরল প্রজাতির এক খেলোয়াড়। তার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। সাধারণত আমাদের দেশের উইংয়ের অনেক খেলোয়াড়ের মধ্যে তেমনটা দেখা যায় না, যারা বলকে নিয়ন্ত্রণে রেখে দু-একজনকে কাটানোর ক্ষমতা রাখে। তার শুটিং অ্যাবিলিটিও দারুণ। সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালো মানের এক ফুটবলার পাব ইনশা আল্লাহ। আমি বলব, এই দল থেকে কিছু অবিশ্বাস্য প্রতিভা বের হবে।’
মুর্শেদ ছাড়াও নাজমুল, ডিফেন্ডার মিঠু ও গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিশু। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে মাহিনের ভুলেই গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। দূরপাল্লার ফ্রি কিক ঠেকাতে পারেননি তিনি, যা বেশ অবাকই করেছে জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ও অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্যকে। তিনি বলেন, ‘মাহিন শুরুতে যে ভুলটা করল, তা আমার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। আমি জানি না তার মনোযোগ তখন কোথায় ছিল। এমন ভুল সচরাচর কেউ করে না। তার দাঁড়ানোর অবস্থান ঠিক ছিল না। বলকে তালুবন্দী করার অনেক সময় পেয়েছিল। সে অনেক প্রতিভাবান, বেশি বেশি ম্যাচ খেললে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারবে।’
চ্যাম্পিয়ন হতে না পেরে নিজেদের হয়তো ব্যর্থ মনে করে আজ দেশে ফিরছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে নাজমুল-মুর্শেদদের নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন তো দেখাই যায়।

সতীর্থকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলেন মুর্শেদ আলী। বাংলাদেশের যেকোনো ফুটবলভক্তকে নাড়িয়ে দেবে সেই দৃশ্য। টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ খেললেও হেরে যেতে হলো ভাগ্য নির্ধারণের খেলায়। টাইব্রেকারে বাংলাদেশকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা উল্লাস করে স্বাগতিক ভারত। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও এই ফুটবলারদের মধ্যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন সাবেকেরা। তাতে আরও সমৃদ্ধ হবে দেশের পাইপলাইন।
অরুণাচল প্রদেশের গোল্ডেন জুবিলি স্টেডিয়ামে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। কিন্তু নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্যবধান গড়ে দিতে পারেনি। জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পেনাল্টি শুটআউটে হারাটা দুর্ভাগ্যজনক। বাংলাদেশ একটু ভুল করেছে। এক গোল পিছিয়ে থাকার পর যখন সমতায় ফিরল, তখন ভারতকে আরেকটু চাপে রাখলে আমার মনে হয়েছে গোল বের হয়ে আসত। তবে বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেছে।’
টাইব্রেকারে নিজের শটটি গোলে রূপান্তরিত করতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল। সেই ভুলটি বাদ দিলে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। চার ম্যাচে ৩ গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফুটবলার। তা-ই নয়, গোলের জোগানও দিয়েছেন বেশ সূক্ষ্মভাবে। তাঁকে নিয়ে এমিলি বলেন, ‘নাজমুল আক্রমণে বেশ কার্যকরী খেলোয়াড়। ফাইনাল বাদে সব ম্যাচেই হয় গোল করিয়েছে নয়তো করেছে। একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের কাছ থেকে এটাই তো চাওয়া থাকে। স্যামুয়েল রাকসাম, মুর্শেদ ও মিঠু চৌধুরীর ভালো সামর্থ্য আছে।’
যুবাদের অনেকেরই নাড়িনক্ষত্র জানা আছে জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশুর। অনূর্ধ্ব-১৭-তে থাকতে তাঁদের সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। তাঁর চোখে টুর্নামেন্টে আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন মুর্শেদ। বাঁ পায়ের এই উইঙ্গার ডান প্রান্ত দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছেন প্রতিপক্ষের অর্ধে। গ্রুপ পর্বে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে একটি গোলসহ দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
মিশু বলেন, ‘মুর্শেদ আমাদের দেশের কন্ডিশনে বিরল প্রজাতির এক খেলোয়াড়। তার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। সাধারণত আমাদের দেশের উইংয়ের অনেক খেলোয়াড়ের মধ্যে তেমনটা দেখা যায় না, যারা বলকে নিয়ন্ত্রণে রেখে দু-একজনকে কাটানোর ক্ষমতা রাখে। তার শুটিং অ্যাবিলিটিও দারুণ। সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালো মানের এক ফুটবলার পাব ইনশা আল্লাহ। আমি বলব, এই দল থেকে কিছু অবিশ্বাস্য প্রতিভা বের হবে।’
মুর্শেদ ছাড়াও নাজমুল, ডিফেন্ডার মিঠু ও গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মিশু। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে মাহিনের ভুলেই গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। দূরপাল্লার ফ্রি কিক ঠেকাতে পারেননি তিনি, যা বেশ অবাকই করেছে জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ও অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্যকে। তিনি বলেন, ‘মাহিন শুরুতে যে ভুলটা করল, তা আমার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। আমি জানি না তার মনোযোগ তখন কোথায় ছিল। এমন ভুল সচরাচর কেউ করে না। তার দাঁড়ানোর অবস্থান ঠিক ছিল না। বলকে তালুবন্দী করার অনেক সময় পেয়েছিল। সে অনেক প্রতিভাবান, বেশি বেশি ম্যাচ খেললে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারবে।’
চ্যাম্পিয়ন হতে না পেরে নিজেদের হয়তো ব্যর্থ মনে করে আজ দেশে ফিরছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে নাজমুল-মুর্শেদদের নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন তো দেখাই যায়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
৩২ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে