ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বের সেরা ক্লাব থেকে কার্লো আনচেলত্তির ঠিকানা এখন ব্রাজিলে। দীর্ঘ দিন লেগে থাকা পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের যেন আকুতিই মেটালেন ৬৫ বছর বয়সী ইতালিয়ান কোচ। নিজেদের পছন্দের কোচকে পেয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও (সিবিএফ) বেশ উচ্ছ্বসিত। কোচকে সুখে রাখতে কোনো কিছুরই কমতি রাখতে চাইছে না তারা।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন আনচেলত্তিকে সুখে রাখার অনেক সুযোগ-সুবিধার তালিকাও এসে গেছে। রিয়াল মাদ্রিদে চেয়ে কোনো অংশে খাতিরের কমতি রাখছে না সিবিএফ। থাকছে বড় অঙ্কের বেতন। তবে হিসেব কষে দেখা যাচ্ছে রিয়াল আর ব্রাজিলে আনচেলত্তির বেতন খুব বেশি পার্থক্য নেই। অনেকটা ‘যেই লাউ সেই কদুর’ মতোই। আনচেলত্তিকে ভালো রাখতে ব্রাজিল মাসিক বেতন দেবে ৪০ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বার্ষিক বেতন হবে ৪ কোটি ৮০ লাখ রিয়াল। বাংলাদেশি টাকায় ১০২ কোটি ৬০ লাখ।
২০২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে আনচেলত্তির মাসিক বেতন ছিল ৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ ইউরো। টাকায় যায় ১১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ব্রাজিলের চেয়ে রিয়ালে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা বেশি বেতন পেতেন এই ইতালিয়ান কোচ। তবে বেশি পেলেও স্পেনের বিধি অনুযায়ী বেতনের প্রায় অর্ধেক আয়কর দিতে হয়েছিল তাঁকে। সবশেষ দুই বছরের চুক্তি অর্থাৎ ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ মৌসুমের বেতনের অঙ্ক গোপন রেখেছিল রিয়াল। যদিও এক বছর আগেই তিনি ছেড়ে গেছেন ক্লাব।
স্পেনে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য আয়ের ওপর উচ্চ হারে কর আরোপ জারি। স্পেনের উচ্চ আয়কর শ্রেণির জন্য সাধারণ হার ৪৭ শতাংশ। সে হিসেবে রিয়ালের বার্ষিক বেতন থেকে কর পরিশোধ করলে প্রায় ৭৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা থাকত আনচেলত্তির। কর বাদে মাসিক বেতন হতো ৬ কোটি ২১ লাখ।

ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় করে বিধি অনুযায়ী উচ্চ আয়ের আনচেলত্তিকে সেখানে দিতে হবে আয়ের ২৭.৫ শতাংশ কর। কর পরিশোধ করলে মাসে ২৯ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল থাকবে তাঁর, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। কর বাদ দিয়ে বার্ষিক বেতন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা বছরে ৭৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। রিয়াল মাদ্রিদে কর বাদ দিয়ে বছরে পেতেন ৭৪ কোটি ৬২ লাখ, আর ব্রাজিলে কর বাদ দিয়ে পাবেন ৭৩ কোটি ৮ লাখ। পার্থক্য, রিয়ালে দেড় কোটি বেশি পেতেন।
তবে ব্রাজিল বেতন ছাড়াও আনচেলত্তির জন্য বড় অঙ্কের বোনাসের পথ খোলা রেখেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতলে বোনাস পাবেন ৬৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। থাকার জন্য রিও ডি জেনিরোয় শহরে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন তিনি। ভ্রমণের জন্য একটি প্রাইভেট জেট দেওয়া হবে তাঁকে। সিবিএফের অর্থায়নে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিমা ও থাকবে জীবন বিমার সুবিধা থাকছে।

বিশ্বের সেরা ক্লাব থেকে কার্লো আনচেলত্তির ঠিকানা এখন ব্রাজিলে। দীর্ঘ দিন লেগে থাকা পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের যেন আকুতিই মেটালেন ৬৫ বছর বয়সী ইতালিয়ান কোচ। নিজেদের পছন্দের কোচকে পেয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও (সিবিএফ) বেশ উচ্ছ্বসিত। কোচকে সুখে রাখতে কোনো কিছুরই কমতি রাখতে চাইছে না তারা।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন আনচেলত্তিকে সুখে রাখার অনেক সুযোগ-সুবিধার তালিকাও এসে গেছে। রিয়াল মাদ্রিদে চেয়ে কোনো অংশে খাতিরের কমতি রাখছে না সিবিএফ। থাকছে বড় অঙ্কের বেতন। তবে হিসেব কষে দেখা যাচ্ছে রিয়াল আর ব্রাজিলে আনচেলত্তির বেতন খুব বেশি পার্থক্য নেই। অনেকটা ‘যেই লাউ সেই কদুর’ মতোই। আনচেলত্তিকে ভালো রাখতে ব্রাজিল মাসিক বেতন দেবে ৪০ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বার্ষিক বেতন হবে ৪ কোটি ৮০ লাখ রিয়াল। বাংলাদেশি টাকায় ১০২ কোটি ৬০ লাখ।
২০২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে আনচেলত্তির মাসিক বেতন ছিল ৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬ ইউরো। টাকায় যায় ১১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বার্ষিক বেতন ছিল প্রায় ১৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ব্রাজিলের চেয়ে রিয়ালে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা বেশি বেতন পেতেন এই ইতালিয়ান কোচ। তবে বেশি পেলেও স্পেনের বিধি অনুযায়ী বেতনের প্রায় অর্ধেক আয়কর দিতে হয়েছিল তাঁকে। সবশেষ দুই বছরের চুক্তি অর্থাৎ ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ মৌসুমের বেতনের অঙ্ক গোপন রেখেছিল রিয়াল। যদিও এক বছর আগেই তিনি ছেড়ে গেছেন ক্লাব।
স্পেনে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য আয়ের ওপর উচ্চ হারে কর আরোপ জারি। স্পেনের উচ্চ আয়কর শ্রেণির জন্য সাধারণ হার ৪৭ শতাংশ। সে হিসেবে রিয়ালের বার্ষিক বেতন থেকে কর পরিশোধ করলে প্রায় ৭৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা থাকত আনচেলত্তির। কর বাদে মাসিক বেতন হতো ৬ কোটি ২১ লাখ।

ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় করে বিধি অনুযায়ী উচ্চ আয়ের আনচেলত্তিকে সেখানে দিতে হবে আয়ের ২৭.৫ শতাংশ কর। কর পরিশোধ করলে মাসে ২৯ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল থাকবে তাঁর, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। কর বাদ দিয়ে বার্ষিক বেতন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা বছরে ৭৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। রিয়াল মাদ্রিদে কর বাদ দিয়ে বছরে পেতেন ৭৪ কোটি ৬২ লাখ, আর ব্রাজিলে কর বাদ দিয়ে পাবেন ৭৩ কোটি ৮ লাখ। পার্থক্য, রিয়ালে দেড় কোটি বেশি পেতেন।
তবে ব্রাজিল বেতন ছাড়াও আনচেলত্তির জন্য বড় অঙ্কের বোনাসের পথ খোলা রেখেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতলে বোনাস পাবেন ৬৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। থাকার জন্য রিও ডি জেনিরোয় শহরে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন তিনি। ভ্রমণের জন্য একটি প্রাইভেট জেট দেওয়া হবে তাঁকে। সিবিএফের অর্থায়নে একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিমা ও থাকবে জীবন বিমার সুবিধা থাকছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
৩৩ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে