
স্কটল্যান্ডের কিংবদন্তি ও ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার ডেনিস ল মারা গেছেন। ‘দ্য কিং’ এবং ‘দ্য লম্যান’ নামে পরিচিত ডেনিস ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলেছেন ১১ বছর। ক্লাবটির হয়ে করেছিলেন ৪০৪ ম্যাচে ২৩৭ গোল। ওয়েন রুনি ও ববি চার্লটনের পরে ইউনাইটেডের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।
মৃত্যুকালে ডেনিস লর বয়স হয়েছে ৮৪ বছর। স্কটল্যান্ডের হয়ে ৫৫ ম্যাচে করেছেন ৩০ গোল। স্কটল্যান্ডের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতাদের মধ্যে একজন। ক্যারিয়ারে তিনবার ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে বিক্রি হয়েছিলেন ডেনিস। তার ক্যারিয়ারে তিনবার তাঁকে ব্রিটিশ রেকর্ড ফিতে বিক্রি করা হয়েছিল।
২০২১ সালে তার আলঝেইমার রোগ এবং ভাসকুলার ডিমেনশিয়া ধরা পড়ে। তাঁর পরিবার এক বিবৃতিতে দিয়ে বলেছে, ‘ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে আমাদের বাবা ডেনিস ল’ দুঃখজনকভাবে মারা গেছেন। তিনি কঠিন এক যুদ্ধ করেছিলেন, কিন্তু অবশেষে শান্তি পেয়েছেন।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড জানিয়েছে ক্লাবের সবাই ‘স্ট্রেটফোর্ড এন্ডের কিং’-এর মৃত্যুতে শোকাহত। তিনি ক্লাবের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রিয় খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে চিরকাল উদ্যাপিত হবেন। তার দক্ষতা, উদ্যম এবং খেলার প্রতি ভালোবাসা তাঁকে এক প্রজন্মের নায়কে পরিণত করেছিল। ডেনিসের পরিবার এবং তার অসংখ্য বন্ধুদের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। তার স্মৃতি চিরকাল বেঁচে থাকবে।
স্কটল্যান্ড জাতীয় দল ডেনিসকে ‘প্রকৃত মহান’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, আমরা তার মতো আর কাউকে দেখব না। ১৯৬৪ সালে ম্যানইউতে থাকাকালীন ব্যালন ডি’অর জেতেন ডেনিস ল।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে নিচের দল সান ম্যারিনো; ২১১ নম্বরে আছে ইউরোপের তারা। এবার অখ্যাত এই দলটার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
৩ মিনিট আগে
বর্তমান সময়ে খেললে মৌসুমে হাজার গোল করতেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা—এমনটাই মনে করেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ইতালির রানার্সআপ দলের সদস্য দিনো বাজ্জিও। এখনকার সময়ের ফুটবলারদের বাড়তি সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করেই এই মন্তব্য করেছেন তিনি।
৩০ মিনিট আগে
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে গ্রুপ ‘এ’তে নিজেদের শেষ ম্যাচে মঙ্গলবার যখন ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে, তখন দুই দলের সামনেই থাকবে অনেক কিছু পাওয়ার সুযোগ।
১ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন রিশাদ হোসেন। হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে ১১ ইনিংসে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। ওভারপ্রতি খরচ করেন ৭.৮২ রান। বিগ ব্যাশে মনে রাখার মতো একটা মৌসুম শেষ করে পাকিস্তান সুপার লিগে নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন রিশাদ।
২ ঘণ্টা আগে