ক্রীড়া ডেস্ক

ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের শুরুটা হলো দারুণ। টানা দুই হারের জবাবে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দেবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। অথচ ব্যাটারদের আত্মাহুতিতে সেই লক্ষ্যটা কিনা দাঁড়াল ১৪৭ রানে। নিরাশায় ডুবে না থেকে ভারত বরং লিখল বল হাতে প্রত্যাবর্তনের গল্প।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুমিতভাবেই টস জিতে আগে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। শিশিরের কারণে পরে ব্যাটিংয়ের কাজটা সহজ হয়ে পড়ে। তা কঠিন করে তুলতে দুর্দান্ত শুরু পায় পাকিস্তান।
ভারতের হয়ে এদিন প্রথমবার নতুন বল হাতে নেন শিভম দুবে। হার্দিক পান্ডিয়া চোটের কারণে ছিটকে যান একাদশ থেকে। তাই দুবে পরিণত হন দলের দ্বিতীয় পেসারে। তবে যাঁর ওপর সবচেয়ে বড় আস্থা ভারতের, সেই যশপ্রীত বুমরা করেছেন হতাশ। পাওয়ারপ্লেতে দুই ওভারে দিয়েছেন ১৮ রান।
বুমরাকে সামলাতে যেন কোন অসুবিধাই হচ্ছিল না সাহিবজাদা ফারহানের। তাঁর হাত ধরেই তো বুমরার বলে প্রথম ছক্কার দেখা পায় পাকিস্তান। এবার প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বুমরাকে ৩ ছক্কা মারলেন ফারহান। তাঁর ঝোড়ো ছোঁয়ায় পাওয়ারপ্লেতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৪৫ রান।
ফখর জামান ঢিমেতালে এগোলেও অতিরিক্ত ডট খেলে ফারহানের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেননি। বরং পাওয়ার প্লের পর রানের গতি আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের। কুলদীপ যাদবের করা নবম ওভারে ৩৫ বলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি পূরণ করেন ফারহান। ভারতের বিপক্ষে এটি তাঁর দ্বিতীয় ফিফটি।
এশিয়া কাপে প্রথম উইকেটের জন্য এর আগে কখনোই এত অপেক্ষা করতে হয়নি ভারতের। দশম ওভারে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটান বরুণ চক্রবর্তী। ফারহানকে তিলক বর্মার ক্যাচে পরিণত করে ৮৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি। ৩৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৭ রানে সাজঘরে ফেরেন ফারহান।
এমন ভালো শুরুর পর পাকিস্তান সংগ্রহটা যে বড় হবে তেমন প্রত্যাশা করাটা স্বাভাবিক। কিন্তু দলটা যখন পাকিস্তান, তখন প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির মেলবন্ধন যে সচরাচর হয় না। এখানেও তাই পাকিস্তান তাদের আনপ্রেডিক্টেবল তকমাকে টেনে আনলো আরও একবার। শুরু হয় ব্যাটিং ধস।
প্রথম দুই ওভারে ২৩ রান দেওয়া কুলদীপ এবার দেন পাল্টা জবাব। নিজের তৃতীয় ওভারে সায়েম আইয়ুবকে (১৪) ফেরান বাঁহাতি এই স্পিনার। এরপর ১৮ ওভার পর্যন্ত ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল দেখেছে পাকিস্তান। নিজের শেষ ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন কুলদীপ।
ফখর কুলদীপের হাত থেকে রেহাই পেলেও বরুণকে এড়িয়ে যেতে পারেননি। ৩৫ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ রানে আউট হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। প্রথম তিনজন বাদে পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি। শুধু তা-ই নয়, ২০ ওভার খেলার আগেই গুটিয়ে যায় ১৪৬ রানে। শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৩৩ রানে।
ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন কুলদীপ। এছাড়া অক্ষর ২৬ রানে, বরুণ ৩০ রানে ও বুমরা ২৫ রানে শিকার করেন দুটি করে উইকেট।

ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের শুরুটা হলো দারুণ। টানা দুই হারের জবাবে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দেবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। অথচ ব্যাটারদের আত্মাহুতিতে সেই লক্ষ্যটা কিনা দাঁড়াল ১৪৭ রানে। নিরাশায় ডুবে না থেকে ভারত বরং লিখল বল হাতে প্রত্যাবর্তনের গল্প।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুমিতভাবেই টস জিতে আগে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। শিশিরের কারণে পরে ব্যাটিংয়ের কাজটা সহজ হয়ে পড়ে। তা কঠিন করে তুলতে দুর্দান্ত শুরু পায় পাকিস্তান।
ভারতের হয়ে এদিন প্রথমবার নতুন বল হাতে নেন শিভম দুবে। হার্দিক পান্ডিয়া চোটের কারণে ছিটকে যান একাদশ থেকে। তাই দুবে পরিণত হন দলের দ্বিতীয় পেসারে। তবে যাঁর ওপর সবচেয়ে বড় আস্থা ভারতের, সেই যশপ্রীত বুমরা করেছেন হতাশ। পাওয়ারপ্লেতে দুই ওভারে দিয়েছেন ১৮ রান।
বুমরাকে সামলাতে যেন কোন অসুবিধাই হচ্ছিল না সাহিবজাদা ফারহানের। তাঁর হাত ধরেই তো বুমরার বলে প্রথম ছক্কার দেখা পায় পাকিস্তান। এবার প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বুমরাকে ৩ ছক্কা মারলেন ফারহান। তাঁর ঝোড়ো ছোঁয়ায় পাওয়ারপ্লেতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৪৫ রান।
ফখর জামান ঢিমেতালে এগোলেও অতিরিক্ত ডট খেলে ফারহানের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেননি। বরং পাওয়ার প্লের পর রানের গতি আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের। কুলদীপ যাদবের করা নবম ওভারে ৩৫ বলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি পূরণ করেন ফারহান। ভারতের বিপক্ষে এটি তাঁর দ্বিতীয় ফিফটি।
এশিয়া কাপে প্রথম উইকেটের জন্য এর আগে কখনোই এত অপেক্ষা করতে হয়নি ভারতের। দশম ওভারে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটান বরুণ চক্রবর্তী। ফারহানকে তিলক বর্মার ক্যাচে পরিণত করে ৮৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি। ৩৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৭ রানে সাজঘরে ফেরেন ফারহান।
এমন ভালো শুরুর পর পাকিস্তান সংগ্রহটা যে বড় হবে তেমন প্রত্যাশা করাটা স্বাভাবিক। কিন্তু দলটা যখন পাকিস্তান, তখন প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির মেলবন্ধন যে সচরাচর হয় না। এখানেও তাই পাকিস্তান তাদের আনপ্রেডিক্টেবল তকমাকে টেনে আনলো আরও একবার। শুরু হয় ব্যাটিং ধস।
প্রথম দুই ওভারে ২৩ রান দেওয়া কুলদীপ এবার দেন পাল্টা জবাব। নিজের তৃতীয় ওভারে সায়েম আইয়ুবকে (১৪) ফেরান বাঁহাতি এই স্পিনার। এরপর ১৮ ওভার পর্যন্ত ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল দেখেছে পাকিস্তান। নিজের শেষ ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন কুলদীপ।
ফখর কুলদীপের হাত থেকে রেহাই পেলেও বরুণকে এড়িয়ে যেতে পারেননি। ৩৫ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ রানে আউট হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। প্রথম তিনজন বাদে পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি। শুধু তা-ই নয়, ২০ ওভার খেলার আগেই গুটিয়ে যায় ১৪৬ রানে। শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৩৩ রানে।
ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন কুলদীপ। এছাড়া অক্ষর ২৬ রানে, বরুণ ৩০ রানে ও বুমরা ২৫ রানে শিকার করেন দুটি করে উইকেট।

বিগ ব্যাশে আজ সিডনি ডার্বিতে শেষ হাসি হেসেছে সিডনি সিক্সার্স। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী সিডনি থান্ডারকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে তারা। জয় পরাজয় ছাপিয়ে এই ম্যাচের আলো কেড়ে নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথ। দুজনেই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। জোড়া সেঞ্চুরির দিনে বিগ ব্যাশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ওভার দেখেছে ভক্তরা
৯ মিনিট আগে
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য ম্যাচটা ছিল বাঁচা-মরার। প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকার জন্য চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে আজ জেতার বিকল্প ছিল না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সামনে। জয়ের সমীকরণ মেলাতে পারেনি নোয়াখালী। চট্টগ্রামের কাছে ৫ উইকেটে হেরে লিগপর্ব থেকেই বিদায় নিল হায়দার আলীর
২ ঘণ্টা আগে
বিপিএলে হুট করে অধিনায়ক পরিবর্তনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। এবারের বিপিএলে দুই ম্যাচের পরই নোয়াখালী এক্সপ্রেস বদলে ফেলে অধিনায়ক। সৈকত আলীর পরিবর্তে হায়দার আলীর কাঁধে নেতৃত্বভার তুলে দেয় নোয়াখালী। আর রংপুর রাইডার্স কি না অধিনায়ক পরিবর্তন করল শেষভাগে এসে।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো দূর হয়নি। নিরাপত্তাইস্যুতে ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়েছে, সেই সিদ্ধান্তে এখনো অনড়। এবার ব্যাপারটি নিয়ে কথা বলতে ঢাকায় আইসিসির প্রতিনিধি দল আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে