ক্রীড়া ডেস্ক

দুবাইয়ে গত রাতে অঘটন প্রায় ঘটিয়েই ফেলেছিল হংকং। একটু এদিক সেদিক হলেই হাতের নাগালে থাকা ম্যাচ ফস্কে যাচ্ছিল শ্রীলঙ্কার হাত থেকে। শেষ পর্যন্ত লঙ্কানরা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে। অঘটন ঘটে গেলে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে বড়সড় একটা পরিবর্তন আসত।
হংকংয়ের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গত রাতে একটা পর্যায়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ১৫ ওভারে ২ উইকেটে ১১৮ রান। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে শেষ ৫ ওভারে ৩২ রানের সমীকরণ আর এমন কী! উইকেটে তখন পাতুম নিশাংকা ও কুশল পেরেরা। কিন্তু ম্যাচে যে তখন অনেক নাটকীয়তা বাকি। মুহূর্তেই ১৭.১ ওভারে ৬ উইকেটে ১২৭ রানে পরিণত হয় লঙ্কানরা। এমন অবস্থা থেকে লঙ্কানরা উদ্ধার হয়েছে সপ্তম উইকেটে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা-দাসুন শানাকার ১১ বলে ২৬ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে।
এখন ধরে নেওয়া যাক, শ্রীলঙ্কা গত রাতে হংকংয়ের কাছে ম্যাচটা হারল ৫ রানে। সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার নেট রানরেট হতো +০.৯৯। হংকংয়ের নেট রানরেট হতো -১.৮২। এদিকে আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশ খেলতে নামবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। যদি আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ এই ম্যাচ ৭০ রানে জেতে, তাহলে বাংলাদেশের নেট রানরেট হবে +০.৮২১। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ৪ পয়েন্ট নিয়ে সোজা উঠে যেত সুপার ফোরে। অন্যদিকে বিশাল ব্যবধানে হারের পর আফগানদের নেট রানরেট হতো +০.৬।
বাংলাদেশ আজ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নামলেও আফগানিস্তানের জন্য সেটা দ্বিতীয় ম্যাচ। আফগানদের কাছে তখন নেট রানরেটের হিসাব হতো না। তখন আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটা হতো দুই দলের জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। ১৮ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে দুই দলের (আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা) মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়ী দল উঠে যেত সুপার ফোরে। আরেকটা দৃশ্যপট কল্পনা করা যাক। হংকংয়ের কাছে গত রাতে লঙ্কানরা হারল। আজ আফগানরা হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে। এই ম্যাচের ধারাবাহিকতায় আফগানরা হারাল শ্রীলঙ্কাকে। পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে আফগানিস্তান উঠে যেত সুপার ফোরে। তখন বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, হংকং তিন দলের জন্যই সুপার ফোরে যাওয়ার হিসেবটা হতো নেট রানরেটে।
নেট রানরেটের বিচারে হংকংয়ের সুপার ফোরে উঠতে হলে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা নিজেদের যার যার ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারতে হতো। কিন্তু যেখানে হংকংয়ের নেট রানরেট -১.৮২, এর চেয়েও পেছনে তাদের (বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা) পড়ে যাওয়াটা অনেক কঠিন। বিশেষ করে নেট রানরেটে লঙ্কানদের হারানো হংকংয়ের পক্ষে অসম্ভবই বটে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাইয়ে গত রাতে হারার পরও সতীর্থদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হংকং অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তাজা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুর্তাজা বলেন, ‘সত্যি বলতে ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতে আমি গর্বিত। কিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছি। তবে বোলাররা যেভাবে লড়াই করেছে, সেটা দারুণ।’
হংকংয়ের বিপক্ষে গতকাল দুবাইয়ে যেন কই মাছের প্রাণ নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন পাতুম নিশাঙ্কা। ২২, ৪০, ৬৩, ৬৮—হংকংয়ের ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতের সুযোগে নিশাংকা এই চারবার জীবন পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৬৮ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন লঙ্কান এই ওপেনার। এ ছাড়া হংকং দুইবার ক্যাচ ফেলেছিল লঙ্কান বাঁহাতি ব্যাটার কুশল পেরেরার। ম্যাচ হারের পেছনে একের পর এক ক্যাচ মিসকেই দায়ী করেছেন মুর্তাজা। হংকং অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা কয়েকটা ক্যাচ মিস করেছি। সেটাই আমাদের ভুগিয়েছে। সবচেয়ে ইতিবাচক ব্যাপার হলো এমন বড় মঞ্চে খেলতে পারাটা। তাতে আমাদের স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।’
৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে এখন লঙ্কানরা। ৪ পয়েন্টের পাশাপাশি তাদের নেট রানরেট +১.৫৪৬। হংকংকে কোনো ম্যাচ না জিতেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ দুই দলেরই পয়েন্ট ২। কিন্তু +৪.৭০ নেট রানরেট নিয়ে দুইয়ে আফগানিস্তান। তিনে থাকা বাংলাদেশের নেট রানরেট -০.৬৫০। হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৭ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। কিন্তু লঙ্কানদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে বিপাকে পড়ে যান লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা।

দুবাইয়ে গত রাতে অঘটন প্রায় ঘটিয়েই ফেলেছিল হংকং। একটু এদিক সেদিক হলেই হাতের নাগালে থাকা ম্যাচ ফস্কে যাচ্ছিল শ্রীলঙ্কার হাত থেকে। শেষ পর্যন্ত লঙ্কানরা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে। অঘটন ঘটে গেলে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে বড়সড় একটা পরিবর্তন আসত।
হংকংয়ের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গত রাতে একটা পর্যায়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ১৫ ওভারে ২ উইকেটে ১১৮ রান। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে শেষ ৫ ওভারে ৩২ রানের সমীকরণ আর এমন কী! উইকেটে তখন পাতুম নিশাংকা ও কুশল পেরেরা। কিন্তু ম্যাচে যে তখন অনেক নাটকীয়তা বাকি। মুহূর্তেই ১৭.১ ওভারে ৬ উইকেটে ১২৭ রানে পরিণত হয় লঙ্কানরা। এমন অবস্থা থেকে লঙ্কানরা উদ্ধার হয়েছে সপ্তম উইকেটে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা-দাসুন শানাকার ১১ বলে ২৬ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে।
এখন ধরে নেওয়া যাক, শ্রীলঙ্কা গত রাতে হংকংয়ের কাছে ম্যাচটা হারল ৫ রানে। সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার নেট রানরেট হতো +০.৯৯। হংকংয়ের নেট রানরেট হতো -১.৮২। এদিকে আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশ খেলতে নামবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। যদি আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ এই ম্যাচ ৭০ রানে জেতে, তাহলে বাংলাদেশের নেট রানরেট হবে +০.৮২১। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ৪ পয়েন্ট নিয়ে সোজা উঠে যেত সুপার ফোরে। অন্যদিকে বিশাল ব্যবধানে হারের পর আফগানদের নেট রানরেট হতো +০.৬।
বাংলাদেশ আজ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নামলেও আফগানিস্তানের জন্য সেটা দ্বিতীয় ম্যাচ। আফগানদের কাছে তখন নেট রানরেটের হিসাব হতো না। তখন আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটা হতো দুই দলের জন্য বাঁচা-মরার ম্যাচ। ১৮ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে দুই দলের (আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা) মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়ী দল উঠে যেত সুপার ফোরে। আরেকটা দৃশ্যপট কল্পনা করা যাক। হংকংয়ের কাছে গত রাতে লঙ্কানরা হারল। আজ আফগানরা হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে। এই ম্যাচের ধারাবাহিকতায় আফগানরা হারাল শ্রীলঙ্কাকে। পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে আফগানিস্তান উঠে যেত সুপার ফোরে। তখন বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, হংকং তিন দলের জন্যই সুপার ফোরে যাওয়ার হিসেবটা হতো নেট রানরেটে।
নেট রানরেটের বিচারে হংকংয়ের সুপার ফোরে উঠতে হলে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা নিজেদের যার যার ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারতে হতো। কিন্তু যেখানে হংকংয়ের নেট রানরেট -১.৮২, এর চেয়েও পেছনে তাদের (বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা) পড়ে যাওয়াটা অনেক কঠিন। বিশেষ করে নেট রানরেটে লঙ্কানদের হারানো হংকংয়ের পক্ষে অসম্ভবই বটে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাইয়ে গত রাতে হারার পরও সতীর্থদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হংকং অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তাজা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুর্তাজা বলেন, ‘সত্যি বলতে ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতে আমি গর্বিত। কিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছি। তবে বোলাররা যেভাবে লড়াই করেছে, সেটা দারুণ।’
হংকংয়ের বিপক্ষে গতকাল দুবাইয়ে যেন কই মাছের প্রাণ নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন পাতুম নিশাঙ্কা। ২২, ৪০, ৬৩, ৬৮—হংকংয়ের ফিল্ডারদের পিচ্ছিল হাতের সুযোগে নিশাংকা এই চারবার জীবন পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৬৮ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন লঙ্কান এই ওপেনার। এ ছাড়া হংকং দুইবার ক্যাচ ফেলেছিল লঙ্কান বাঁহাতি ব্যাটার কুশল পেরেরার। ম্যাচ হারের পেছনে একের পর এক ক্যাচ মিসকেই দায়ী করেছেন মুর্তাজা। হংকং অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা কয়েকটা ক্যাচ মিস করেছি। সেটাই আমাদের ভুগিয়েছে। সবচেয়ে ইতিবাচক ব্যাপার হলো এমন বড় মঞ্চে খেলতে পারাটা। তাতে আমাদের স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।’
৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে এখন লঙ্কানরা। ৪ পয়েন্টের পাশাপাশি তাদের নেট রানরেট +১.৫৪৬। হংকংকে কোনো ম্যাচ না জিতেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ দুই দলেরই পয়েন্ট ২। কিন্তু +৪.৭০ নেট রানরেট নিয়ে দুইয়ে আফগানিস্তান। তিনে থাকা বাংলাদেশের নেট রানরেট -০.৬৫০। হংকংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৭ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। কিন্তু লঙ্কানদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে বিপাকে পড়ে যান লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৪ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৫ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৬ ঘণ্টা আগে