ক্রীড়া ডেস্ক

এই ভালো, এই খারাপ—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির চেয়ে টেস্টে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক খারাপ। ২৫ বছরে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে ২৫ ম্যাচও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। উইজডেনের সেরাদের তালিকায় তবু প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশের দুটি সিরিজ।
উইজডেন সাম্প্রতিক সময়ে একবিংশ শতাব্দীতে সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের যে দুটি সিরিজ রয়েছে, সেই দুই সিরিজে পারফরম্যান্স ছিল না আশানুরূপ। তালিকায় থাকা দুটি সিরিজই বাংলাদেশ খেলেছে ঘরের মাঠে। ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০২১ সালের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ বাংলাদেশ হেরেছে ২-০ ব্যবধানে। সেরা দশের মধ্যে বাংলাদেশের ২০১৬ সালের টেস্ট সিরিজ। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ১-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ ড্র করেছে। এই সিরিজটিও ছিল দুই ম্যাচের।
চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ৩৯৫ রানের লক্ষ্য দিলেও কাইল মায়ার্সের অতিমানবীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে (২১০*) উইন্ডিজ সেই ম্যাচ জেতে ৪ উইকেটে। এটা ছিল মায়ার্সের ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় টেস্টে ২৩১ রানের লক্ষ্য পেলেও বাংলাদেশ ম্যাচটি হারে ১৭ রানে। এদিকে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিততেই পারত বাংলাদেশ। তবে চট্টগ্রামে মেহেদী হাসান মিরাজের অভিষেক টেস্ট ম্যাচটা বাংলাদেশ হারে ২২ রানে। একপ্রান্তে সাব্বির রহমান দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছেন দলের তীরে এসে তরী ডোবার মতো ঘটনা। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে চোখে সর্ষেফুল দেখে ইংল্যান্ড। দুই ইনিংসেই ছয়টি করে উইকেট নিয়েছেন। মিরপুরে বাংলাদেশের ১০৮ রানের জয়ে তিনিই ছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরার পুরস্কারও ওঠে তাঁর হাতে।
একবিংশ শতাব্দীতে উইজডেনের দৃষ্টিতে সেরা টেস্ট সিরিজ ২০২০-২১ মৌসুমের বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি। চোটে জর্জর ভারত ব্রিসবেনের গ্যাবায় ইতিহাস লেখে ঋষভ পন্তের ব্যাটে। চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ভারত জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। কদিন আগে শেষ হওয়া অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি রয়েছে পাঁচ নম্বরে।ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হয়েছে ৭১৮৭ রান। ভেঙে গেছে অসংখ্য রেকর্ড। ২০২৩ সালের রোমাঞ্চকর অ্যাশেজ উইজডেনের তালিকায় রয়েছে চার নম্বরে। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রোমাঞ্চকর এই অ্যাশেজ ড্র হয় ২-২ ব্যবধানে।

একবিংশ শতাব্দীতে উইজডেনের সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজ
১. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০২০-২১)
২. ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া (২০০৫)
৩. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০০০-০১)
৪. ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া (২০২৩)
৫. ইংল্যান্ড-ভারত (২০২৫)
৬. ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা (২০১৪)
৭. বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০২০-২১)
৮. দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া (২০১১-১২)
৯. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০১৬-১৭)
১০. দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড (২০০৪-০৫)
১১. ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলঙ্কা (২০১৮)
১২. পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড (২০১৮-১৯)
১৩. অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড (২০০১-০২)
১৪. শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া (২০০৪)
১৫. বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড (২০১৬)

এই ভালো, এই খারাপ—আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির চেয়ে টেস্টে বাংলাদেশের অবস্থা অনেক খারাপ। ২৫ বছরে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে ২৫ ম্যাচও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। উইজডেনের সেরাদের তালিকায় তবু প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশের দুটি সিরিজ।
উইজডেন সাম্প্রতিক সময়ে একবিংশ শতাব্দীতে সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের যে দুটি সিরিজ রয়েছে, সেই দুই সিরিজে পারফরম্যান্স ছিল না আশানুরূপ। তালিকায় থাকা দুটি সিরিজই বাংলাদেশ খেলেছে ঘরের মাঠে। ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০২১ সালের বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজ বাংলাদেশ হেরেছে ২-০ ব্যবধানে। সেরা দশের মধ্যে বাংলাদেশের ২০১৬ সালের টেস্ট সিরিজ। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ১-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ ড্র করেছে। এই সিরিজটিও ছিল দুই ম্যাচের।
চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ৩৯৫ রানের লক্ষ্য দিলেও কাইল মায়ার্সের অতিমানবীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে (২১০*) উইন্ডিজ সেই ম্যাচ জেতে ৪ উইকেটে। এটা ছিল মায়ার্সের ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় টেস্টে ২৩১ রানের লক্ষ্য পেলেও বাংলাদেশ ম্যাচটি হারে ১৭ রানে। এদিকে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিততেই পারত বাংলাদেশ। তবে চট্টগ্রামে মেহেদী হাসান মিরাজের অভিষেক টেস্ট ম্যাচটা বাংলাদেশ হারে ২২ রানে। একপ্রান্তে সাব্বির রহমান দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছেন দলের তীরে এসে তরী ডোবার মতো ঘটনা। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে চোখে সর্ষেফুল দেখে ইংল্যান্ড। দুই ইনিংসেই ছয়টি করে উইকেট নিয়েছেন। মিরপুরে বাংলাদেশের ১০৮ রানের জয়ে তিনিই ছিলেন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরার পুরস্কারও ওঠে তাঁর হাতে।
একবিংশ শতাব্দীতে উইজডেনের দৃষ্টিতে সেরা টেস্ট সিরিজ ২০২০-২১ মৌসুমের বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি। চোটে জর্জর ভারত ব্রিসবেনের গ্যাবায় ইতিহাস লেখে ঋষভ পন্তের ব্যাটে। চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ভারত জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। কদিন আগে শেষ হওয়া অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি রয়েছে পাঁচ নম্বরে।ভারত-ইংল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হয়েছে ৭১৮৭ রান। ভেঙে গেছে অসংখ্য রেকর্ড। ২০২৩ সালের রোমাঞ্চকর অ্যাশেজ উইজডেনের তালিকায় রয়েছে চার নম্বরে। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। রোমাঞ্চকর এই অ্যাশেজ ড্র হয় ২-২ ব্যবধানে।

একবিংশ শতাব্দীতে উইজডেনের সেরা ১৫ টেস্ট সিরিজ
১. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০২০-২১)
২. ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া (২০০৫)
৩. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০০০-০১)
৪. ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া (২০২৩)
৫. ইংল্যান্ড-ভারত (২০২৫)
৬. ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা (২০১৪)
৭. বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০২০-২১)
৮. দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া (২০১১-১২)
৯. ভারত-অস্ট্রেলিয়া (২০১৬-১৭)
১০. দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড (২০০৪-০৫)
১১. ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলঙ্কা (২০১৮)
১২. পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড (২০১৮-১৯)
১৩. অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড (২০০১-০২)
১৪. শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া (২০০৪)
১৫. বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড (২০১৬)

ক্লাব ফুটবলে এক সময় তাঁরা ছিলেন সতীর্থ। লিভারপুলে একসঙ্গে খেলেছিলেন পাঁচ বছর। কথাটা যে মোহাম্মদ সালাহ ও সাদিও মানের প্রসঙ্গে বলা, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝতে পেরেছেন। গতকাল দুই বন্ধু হয়ে গেলেন প্রতিপক্ষ। শেষ হাসি হেসেছেন মানে।
২৬ মিনিট আগে
২০২৩ সালে শমিত সোম যোগ দিয়েছিলেন কানাডার ক্লাব ক্যাভালরি এফসিতে। অবশেষে ক্লাবটির সঙ্গে তাঁর তিন বছরের পথচলা শেষ হলো। ২৮ বছর বয়সী বাংলাদেশের এই মিডফিল্ডারকে ছেড়ে দিল ক্যাভালরি এফসি।
১ ঘণ্টা আগে
অপরাজিত থেকে সিনিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগের শিরোপা নিশ্চিত করল যাত্রাবাড়ী ক্রীড়া চক্র। প্রমোশন পেয়ে আগামী মৌসুমে ঘরোয়া ফুটবলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলবে তারা।
১ ঘণ্টা আগে
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে হারলেও দ্বিতীয়টিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড। রাজকোটে আজ ভারতের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফিরিয়েছে সফরকারীরা। ১১৭ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় হার না মানা ১৩১ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন কিউই অলরাউন্ডার ড্যারিল মিচেল।
১৩ ঘণ্টা আগে