
আঁটসাঁট বোলিং আক্রমণে দ্রুত কয়েকটি উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে বেশ কিছুক্ষণ চাপেই রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দাসুন শানাকাদের গলার কাঁটা হয়ে গেল মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদের শতোর্ধ্ব রানের ষষ্ঠ জুটি। যার সৌজন্যে বাঁচা-মরার ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৪২ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫২ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।
বৃষ্টির কারণে দুই ধাপে ম্যাচের ওভার কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৪২ ওভার। কিন্তু এমন হিসাবি ম্যাচে ২৭.৪ ওভারে ১৩০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। সেখান থেকে ৭৮ বলে ১০৮ রানের অসাধারণ এক জুটি গড়েন রিজওয়ান ও ইফতিখার। ১২তম ওয়ানডে ফিফটি করে ৭৩ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও ও দুটি ছক্কার বাউন্ডারি। ৪০ বলে ৪৭ রান করেন ইফতিখার। চারটি চার ও দুটি ছক্কা ছিল ইনিংসে। শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে মাতিশা পাতিরানা ৬৫ রান দিয়ে তিনটি এবং প্রমোদ মাদুশান নিয়েছেন দুটি উইকেট।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য গতকালই একাদশ ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু আজ ঘোষিত একাদশেও এল পরিবর্তন। খেলার আগ মুহূর্তে পিঠের চোটে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ওপেনার ইমাম-উল হক। ফলে বাধ্য হয়ে প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়া ফখর জামানকে আবার ফেরায় পাকিস্তান।
এশিয়া কাপে টানা ব্যর্থ হওয়া ফখরের জন্য সুযোগও ছিল এটি। কিন্তু ফখর সেই সুযোগও হেলাফেলায় হাতছাড়া করলেন। ১১ বলে মাত্র ৪ রানে ড্রেসিংরুমে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রমোদ মাদুশানের ইয়ার্কারে বোল্ড হন ফখর।
প্রথম একাদশ থেকে আরো একটি পরিবর্তন এনেছিল পাকিস্তান। জ্বরের কারণে ছিটকে গেলেন সৌদ শাকিলও। আব্দুল্লাহ শফিক সুযোগ পেলেন তাঁর জায়গায়। শফিককে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নেন অধিনায়ক বাবর আজম।
বাবর-শফিকের ব্যাটিংয়ে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। কিন্তু ১৬তম ওভারের শেষ বলে বাবর স্টাম্পিং হলে আবারও চাপে পড়ে তারা। দুনিত ওয়েল্লালাগের বল সরাসরি উইকেটকিপার কুশল মেন্ডিসের হাতে জমা পড়ে। কিন্তু বাবরে পা বক্সে থাকলেও মাটি থেকে আলগা ছিল। তাতে দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ বলে ৬৪ রানে জুটিও ভাঙে। ৩৫ বলে ২৯ রান আসে বাবরের ব্যাট থেকে।
তৃতীয় উইকেটে জুটি বড় করার চেষ্টা করেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও শফিক। কিন্তু সেটি থামান মাতিশা পাতিরানা। ২২তম ওভারে শফিককে ক্যাচে ফেরান এই পেসার। আউট হওয়ার আগে সুযোগটা কাজে লাগালেন এই ব্যাটার। তুলেন নেন প্রথম ওয়ানডে ফিফটি। ৬৯ বলে ৫২ রান করেন শফিক। এরপর মোহাম্মদ হারিস ৩ ও মোহাম্মদ নওয়াজ ১২ রানে আউট হন। ৩ রান করেন শাদাব খান।
বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে দেরি হওয়ায় পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে প্রথম ধাপে ৫ ওভার কমেছিল। মাঝে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ২৮তম ওভারে আবার বৃষ্টি হলে বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টি থেমে আবার খেলা শুরু হয় ৩ ওভারে কমে। অর্থাৎ ৪২ ওভারে।

আঁটসাঁট বোলিং আক্রমণে দ্রুত কয়েকটি উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে বেশ কিছুক্ষণ চাপেই রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দাসুন শানাকাদের গলার কাঁটা হয়ে গেল মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদের শতোর্ধ্ব রানের ষষ্ঠ জুটি। যার সৌজন্যে বাঁচা-মরার ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৪২ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫২ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।
বৃষ্টির কারণে দুই ধাপে ম্যাচের ওভার কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৪২ ওভার। কিন্তু এমন হিসাবি ম্যাচে ২৭.৪ ওভারে ১৩০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। সেখান থেকে ৭৮ বলে ১০৮ রানের অসাধারণ এক জুটি গড়েন রিজওয়ান ও ইফতিখার। ১২তম ওয়ানডে ফিফটি করে ৭৩ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন রিজওয়ান। ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও ও দুটি ছক্কার বাউন্ডারি। ৪০ বলে ৪৭ রান করেন ইফতিখার। চারটি চার ও দুটি ছক্কা ছিল ইনিংসে। শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে মাতিশা পাতিরানা ৬৫ রান দিয়ে তিনটি এবং প্রমোদ মাদুশান নিয়েছেন দুটি উইকেট।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের জন্য গতকালই একাদশ ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু আজ ঘোষিত একাদশেও এল পরিবর্তন। খেলার আগ মুহূর্তে পিঠের চোটে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ওপেনার ইমাম-উল হক। ফলে বাধ্য হয়ে প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়া ফখর জামানকে আবার ফেরায় পাকিস্তান।
এশিয়া কাপে টানা ব্যর্থ হওয়া ফখরের জন্য সুযোগও ছিল এটি। কিন্তু ফখর সেই সুযোগও হেলাফেলায় হাতছাড়া করলেন। ১১ বলে মাত্র ৪ রানে ড্রেসিংরুমে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রমোদ মাদুশানের ইয়ার্কারে বোল্ড হন ফখর।
প্রথম একাদশ থেকে আরো একটি পরিবর্তন এনেছিল পাকিস্তান। জ্বরের কারণে ছিটকে গেলেন সৌদ শাকিলও। আব্দুল্লাহ শফিক সুযোগ পেলেন তাঁর জায়গায়। শফিককে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নেন অধিনায়ক বাবর আজম।
বাবর-শফিকের ব্যাটিংয়ে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। কিন্তু ১৬তম ওভারের শেষ বলে বাবর স্টাম্পিং হলে আবারও চাপে পড়ে তারা। দুনিত ওয়েল্লালাগের বল সরাসরি উইকেটকিপার কুশল মেন্ডিসের হাতে জমা পড়ে। কিন্তু বাবরে পা বক্সে থাকলেও মাটি থেকে আলগা ছিল। তাতে দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ বলে ৬৪ রানে জুটিও ভাঙে। ৩৫ বলে ২৯ রান আসে বাবরের ব্যাট থেকে।
তৃতীয় উইকেটে জুটি বড় করার চেষ্টা করেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও শফিক। কিন্তু সেটি থামান মাতিশা পাতিরানা। ২২তম ওভারে শফিককে ক্যাচে ফেরান এই পেসার। আউট হওয়ার আগে সুযোগটা কাজে লাগালেন এই ব্যাটার। তুলেন নেন প্রথম ওয়ানডে ফিফটি। ৬৯ বলে ৫২ রান করেন শফিক। এরপর মোহাম্মদ হারিস ৩ ও মোহাম্মদ নওয়াজ ১২ রানে আউট হন। ৩ রান করেন শাদাব খান।
বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে দেরি হওয়ায় পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে প্রথম ধাপে ৫ ওভার কমেছিল। মাঝে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ২৮তম ওভারে আবার বৃষ্টি হলে বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টি থেমে আবার খেলা শুরু হয় ৩ ওভারে কমে। অর্থাৎ ৪২ ওভারে।

শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
৩১ মিনিট আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটের হালহকিকত যাঁরা জানেন, তাঁদের কাছে বৈভব সূর্যবংশী নামটাও অজানা নয়। তাঁর বয়স সবে ১৪; মুখাবয়বে এখনো শৈশবের ছোঁয়া। কিন্তু এই বয়সেই ক্রিকেটের এই বিস্ময় বালক ব্যাট হাতে আগুনের হলকা তুলছেন। যুব ক্রিকেট তো বটেই, তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা আইপিএলের কল্যাণেও ক্রিকেটপ্রেমীদের জানা। সেই সূর্যবংশীদের বিপক্ষে
২ ঘণ্টা আগে
গৃহবিবাদ কেটেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে যে জট লেগে আছে, তা কাটবে কি? এটাই এখন প্রশ্ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা না খেলার ইস্যুর সমাধান এখনো হয়নি; অথচ সময় আর বেশি বাকি নেই।
২ ঘণ্টা আগে