ক্রীড়া ডেস্ক

ব্রায়ান লারার রেকর্ডটা ভিয়ান মুল্ডার প্রায় ভেঙেই দিয়েছিলেন। যখন মুল্ডার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক ছিলেন, চাইলে ৩৪ রান বেশি করে ইনিংস ঘোষণা করতে পারতেন। কিন্তু আকস্মিকভাবেই ইনিংস ঘোষণা করে দিয়েছিলেন মুল্ডার।
৭ জুলাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মুল্ডার যখন ৩৬৭ রান করে থেমে গিয়েছিলেন, তখন সামাজিকমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে দেখা গিয়েছিল হাহাকার। ইশ! লারার ৪০০ রানের রেকর্ডটা তো তিনি (মুল্ডার) ভাঙতেই পারতেন—ভক্ত-সমর্থকদের কথার ধরন ছিল এমনই। লারাও চেয়েছিলেন, তাঁর ৪০০ রানের এভারেস্টটা মুল্ডার ভেঙে দিতেন। দক্ষিণ আফ্রিকা-জিম্বাবুয়ে টেস্টের অফিশিয়াল সম্প্রচারক সুপারস্পোর্ট ক্রিকেট আজ নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে যে রিলস ছেড়েছে, সেখানে জানা গেছে মজার এক তথ্য। মুল্ডার বলেন, ‘আমার সঙ্গে লারার কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি তোমার একটা লিগ্যাসি তৈরি করছ এবং তোমার এই রেকর্ড ভাঙা উচিত। রেকর্ড তো গড়াই হয় রেকর্ড ভাঙার জন্য। যদি আবার কখনো আমার চেয়ে বেশি রান করার সুযোগ আসে, তাহলে সেই সুযোগটা কাজে লাগাবে।’’
৩৬৭ রান করে টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের তালিকায় পাঁচে মুল্ডার। সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের রেকর্ডটা নিজের করে নেওয়ার এত কাছাকাছি গিয়েও যে ভাঙলেন না, সেটাই তাঁর কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার বলেন, ‘এটা খুবই বিশেষ এক ঘটনা। এমন কিছু আমি স্বপ্নেও কল্পনা করেননি। তার (লারা) জায়গা থেকে এটা মজার একটা ব্যাপার। তবে আমার বিশ্বাস, ঠিক কাজটাই আমি করেছিলাম। খেলাটাকে সম্মান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
কেশব মহারাজ না খেলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক হয়েছিলেন মুল্ডার। ৩৬৭ রান করে টেস্টে নেতৃত্বের অভিষেকেই সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা নিজের করে নেন তিনি। ৪০০ রানের রেকর্ড ভাঙার কাছাকাছি গিয়েও না ভাঙার ব্যাপারে মুল্ডার সেদিন জানিয়েছিলেন, লারাকে সম্মান জানাতেই মূলত সেখানে (৩৬৭) থেমে গিয়েছিলেন। মুল্ডারের রেকর্ড গড়া টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ২৩৬ রানে জিতেছিল। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার তো পেয়েছিলেন। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৫৩৭ রান ও ৭ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য সিরিজও হয়েছিলেন তিনি।

ব্রায়ান লারার রেকর্ডটা ভিয়ান মুল্ডার প্রায় ভেঙেই দিয়েছিলেন। যখন মুল্ডার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক ছিলেন, চাইলে ৩৪ রান বেশি করে ইনিংস ঘোষণা করতে পারতেন। কিন্তু আকস্মিকভাবেই ইনিংস ঘোষণা করে দিয়েছিলেন মুল্ডার।
৭ জুলাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মুল্ডার যখন ৩৬৭ রান করে থেমে গিয়েছিলেন, তখন সামাজিকমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে দেখা গিয়েছিল হাহাকার। ইশ! লারার ৪০০ রানের রেকর্ডটা তো তিনি (মুল্ডার) ভাঙতেই পারতেন—ভক্ত-সমর্থকদের কথার ধরন ছিল এমনই। লারাও চেয়েছিলেন, তাঁর ৪০০ রানের এভারেস্টটা মুল্ডার ভেঙে দিতেন। দক্ষিণ আফ্রিকা-জিম্বাবুয়ে টেস্টের অফিশিয়াল সম্প্রচারক সুপারস্পোর্ট ক্রিকেট আজ নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে যে রিলস ছেড়েছে, সেখানে জানা গেছে মজার এক তথ্য। মুল্ডার বলেন, ‘আমার সঙ্গে লারার কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি তোমার একটা লিগ্যাসি তৈরি করছ এবং তোমার এই রেকর্ড ভাঙা উচিত। রেকর্ড তো গড়াই হয় রেকর্ড ভাঙার জন্য। যদি আবার কখনো আমার চেয়ে বেশি রান করার সুযোগ আসে, তাহলে সেই সুযোগটা কাজে লাগাবে।’’
৩৬৭ রান করে টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের তালিকায় পাঁচে মুল্ডার। সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের রেকর্ডটা নিজের করে নেওয়ার এত কাছাকাছি গিয়েও যে ভাঙলেন না, সেটাই তাঁর কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার বলেন, ‘এটা খুবই বিশেষ এক ঘটনা। এমন কিছু আমি স্বপ্নেও কল্পনা করেননি। তার (লারা) জায়গা থেকে এটা মজার একটা ব্যাপার। তবে আমার বিশ্বাস, ঠিক কাজটাই আমি করেছিলাম। খেলাটাকে সম্মান করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
কেশব মহারাজ না খেলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক হয়েছিলেন মুল্ডার। ৩৬৭ রান করে টেস্টে নেতৃত্বের অভিষেকেই সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা নিজের করে নেন তিনি। ৪০০ রানের রেকর্ড ভাঙার কাছাকাছি গিয়েও না ভাঙার ব্যাপারে মুল্ডার সেদিন জানিয়েছিলেন, লারাকে সম্মান জানাতেই মূলত সেখানে (৩৬৭) থেমে গিয়েছিলেন। মুল্ডারের রেকর্ড গড়া টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ২৩৬ রানে জিতেছিল। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার তো পেয়েছিলেন। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৫৩৭ রান ও ৭ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য সিরিজও হয়েছিলেন তিনি।

ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
২ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
২ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৩ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যদি বাংলাদেশ না খেলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিশ্বকাপে খেলবে না বলে গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সালমান আলী আগা-ফাহিম আশরাফদের বিশ্বকাপ বয়কট
৪ ঘণ্টা আগে