বিসিবি নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার ও নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্যাটাগরি–৩ থেকে হেরে যাওয়া এক প্রার্থী বলেছেন, নির্বাচনে যা ঘটেছে, তা ফিক্সিংয়ের চেয়েও গভীর।
আজ ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা, সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও দলের ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক সরাসরি অভিযোগ করেন, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ক্রীড়া উপদেষ্টার আচরণ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। অনেক কাউন্সিলর আমাকে জানিয়েছেন, তাঁদের ডেকে নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। বিসিবি পুরো দেশের, এটি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ক্রীড়া উপদেষ্টা কার্যত এটিকে নিজের প্রতিষ্ঠান বানিয়ে ফেলেছেন। তিনি এমনকি বলেছেন, যেকোনো মূল্যে বুলবুল ভাইকে সভাপতি করবেন। এটি স্বেচ্ছাচারিতা এবং বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটপ্রেমী এটি মেনে নেবে না।’
আমিনুলের অভিযোগ অনুযায়ী, ক্লাব ক্যাটাগরিতে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নির্বাচনে প্রভাব প্রয়োগ করেছেন। তিনি বলেন, দুটি ক্লাব নিয়ে সমস্যা ছিল, যা গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে। সেই চারটি ক্লাবের প্রতিনিধি এখন বোর্ড পরিচালক। এই ক্লাবগুলোতে বিতর্ক থাকায় তাঁদের বোর্ডে থাকা একটি সংঘাতের উৎস। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য চিঠি পাঠানো থেকে শুরু করে পরবর্তী পদক্ষেপ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ। এতে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
বিসিবি সভাপতি বুলবুলের চিঠি চ্যালেঞ্জ করার কারণে ইতিমধ্যে আইনিপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমিনুল বলেন, নির্বাচন হয়ে গেলেও হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায়ের পর যদি চিঠিটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়, তবে নির্বাচিত সদস্যদের থাকা সত্ত্বেও পুরো নির্বাচন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
বিসিবি নির্বাচনের বিষয়টি আদালতে গড়ানোর ঘটনা তিনি দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। ‘১৫টি ক্লাবকে ইচ্ছামতো বাতিল ও পুনর্বহাল করা, একজন এমপি প্রার্থীর মনোনয়ন—সবই একক প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়। গণমাধ্যমে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কথা বলেনি। আমার কাছে এমন তথ্য আছে যে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বোর্ড পরিচালকেরা নির্বাচিত হতে পারেন। এটি অত্যন্ত পীড়াদায়ক এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করছে। আমি মনে করি, এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কোনো ক্রিকেটপ্রেমী বা ক্রীড়া সংগঠক স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার ও নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্যাটাগরি–৩ থেকে হেরে যাওয়া এক প্রার্থী বলেছেন, নির্বাচনে যা ঘটেছে, তা ফিক্সিংয়ের চেয়েও গভীর।
আজ ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা, সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও দলের ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক সরাসরি অভিযোগ করেন, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ক্রীড়া উপদেষ্টার আচরণ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। অনেক কাউন্সিলর আমাকে জানিয়েছেন, তাঁদের ডেকে নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। বিসিবি পুরো দেশের, এটি কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ক্রীড়া উপদেষ্টা কার্যত এটিকে নিজের প্রতিষ্ঠান বানিয়ে ফেলেছেন। তিনি এমনকি বলেছেন, যেকোনো মূল্যে বুলবুল ভাইকে সভাপতি করবেন। এটি স্বেচ্ছাচারিতা এবং বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটপ্রেমী এটি মেনে নেবে না।’
আমিনুলের অভিযোগ অনুযায়ী, ক্লাব ক্যাটাগরিতে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নির্বাচনে প্রভাব প্রয়োগ করেছেন। তিনি বলেন, দুটি ক্লাব নিয়ে সমস্যা ছিল, যা গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে। সেই চারটি ক্লাবের প্রতিনিধি এখন বোর্ড পরিচালক। এই ক্লাবগুলোতে বিতর্ক থাকায় তাঁদের বোর্ডে থাকা একটি সংঘাতের উৎস। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য চিঠি পাঠানো থেকে শুরু করে পরবর্তী পদক্ষেপ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ। এতে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
বিসিবি সভাপতি বুলবুলের চিঠি চ্যালেঞ্জ করার কারণে ইতিমধ্যে আইনিপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমিনুল বলেন, নির্বাচন হয়ে গেলেও হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায়ের পর যদি চিঠিটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়, তবে নির্বাচিত সদস্যদের থাকা সত্ত্বেও পুরো নির্বাচন বাতিল হয়ে যেতে পারে।
বিসিবি নির্বাচনের বিষয়টি আদালতে গড়ানোর ঘটনা তিনি দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। ‘১৫টি ক্লাবকে ইচ্ছামতো বাতিল ও পুনর্বহাল করা, একজন এমপি প্রার্থীর মনোনয়ন—সবই একক প্রভাবের ইঙ্গিত দেয়। গণমাধ্যমে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কথা বলেনি। আমার কাছে এমন তথ্য আছে যে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বোর্ড পরিচালকেরা নির্বাচিত হতে পারেন। এটি অত্যন্ত পীড়াদায়ক এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করছে। আমি মনে করি, এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কোনো ক্রিকেটপ্রেমী বা ক্রীড়া সংগঠক স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না।’

দেশের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট আগেও দেখা গেছে। তবে এবার যেন ছাড়িয়ে গেল অতীতের সবকিছু। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বিপিএলের ম্যাচ হয়নি ক্রিকেটারদের বয়কটের সিদ্ধান্তে।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা আপাতত দূর হয়েছে। রাতে বিসিবি-ক্রিকেটারদের সভায় বিপিএল শুক্রবার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদমাধ্যমকে বলেন...
৯ ঘণ্টা আগে
খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১৩ ঘণ্টা আগে