এএফসি এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ বাছাইপর্বের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আরহাম চৌধুরি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ স্তরের ক্লাব ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব-২১ দলে খেলছেন তিনি।
আরহাম ইসলামের বাবা এবং মা দুজনই বাংলাদেশি। আরহামের বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকায় বাংলাদেশের দলে খেলতে সব শর্তই পূরণ করতে পেরেছেন তিনি। ক্যাম্পে আবিদ নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে মূল দলেও জায়গা পেয়ে যাবেন। যেমনটা জানিয়েছেন দলটির কোচ সাইফুল বারী টিটু।
যত দূর জানা গেল, ১১ বা ১২ অক্টোবর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে আরহামের। তাঁকে বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে কনফিয়ানজা নামের একটি প্লেয়ার এজেন্সি। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তারিক কাজিকেও বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করেছিল এজেন্সিটি।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
১৩ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১৫ ঘণ্টা আগে