ক্রিকেটের মঞ্চে ডাবল সেঞ্চুরি বিরল না হলেও একেবারে নিয়মিত কোনো ঘটনা নয়। টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডেতেও দেখা মিলেছে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, চারটি ডাবল সেঞ্চুরি এসেছে আজকের এই দিনেই। ২০১০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শচীন টেন্ডুলকারকে দিয়ে শুরু। এরপর একে একে আরও তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি দেখা গেছে এই দিনে। সব মিলিয়ে এ যেন ডাবল সেঞ্চুরিয়ানদের দিন।
• ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক দিনের ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকার। স্টেইন, ক্যালিস, পার্নেলদের কচু কাটা করে ১৪৭ বলের সেই মহাকাব্যিক ইনিংস সাজিয়েছিলেন শচীন।
• ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনিও ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। চেন্নাইয়ে অজিদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৬৫ বলে ২২৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ধোনি।
• ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল। মাত্র ১৩৮ বলে ডাবল ছুঁয়েছিলেন এই ক্যারিবিয়ান, যেটি ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডও বটে। শেষ পর্যন্ত ইনিংস থেমেছিল ১৪৭ বল ২১৫ রানে। ইনিংসে ১৬ বার বল শূন্যে ভাসিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ওপারে পাঠিয়েছিলেন।
• ২০২০ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল ফিগারের দেখা পান। হোম অব ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় আর ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি পান মুশি। ৩১৮ বলে ২৮ চারে ২০৩* রানে অপরাজিত ছিলেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ খ্যাত এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
১০ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১২ ঘণ্টা আগে