বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই থামল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

মেহেদী হাসান মিরাজের বলে জেডন সিলস এলবিডব্লু হতেই অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তার আগে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে রোস্টন চেজের দল। প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৩৫৬ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই পুঁজিতে সবচেয়ে বড় অবদান আমির জাঙ্গুর। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করার পথে খেলেন ১৩৩ রানের ইনিংস। শুরুর ধাক্কার পর চতুর্থ উইকেটে কেভিন উইকহামের সঙ্গে তাঁর ১৩১ রানের জুটিতেই বড় পুঁজির ভীত পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ ছাড়া ফিফটির দেখা পেয়েছেন উইকহাম ও জাস্টিন গ্রিভস। উইকহাম ৬১ রান করে গতকালই আউট হন।
দলীয় ৩২৩ রানে শামার জোসেফ বিদায় নিলে নবম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের অপেক্ষা বাড়ান জোমেল ওয়ারিক্যান ও জেডন সিলস। শেষ উইকেট জুটিতে ৩৩ রান যোগ করে নিজেদের সংগ্রহকে সাড়ে তিনশ পার করেন এই দুজন।
২৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন ১২১ রান যোগ করে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা। জাঙ্গুকে বোল্ড করে দিনের প্রথম শিকার এনে দেন হাসান মাহমুদ। ১৩৩ রানের ইনিংস খেলার পথে ১৩ চার ও ২ ছক্কা মারেন জাঙ্গু। ২৬৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
পরের বলে রোস্টন চেজকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দী করেন হাসান। ২৩ রান করা জশুয়া বিশপ ফেরেন হাসানের বলে লিটনের দারুণ এক স্টাম্পিংয়ে। ফিফটির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি গ্রিভস। ব্যক্তিগত ৫১ রানে তিনি মিরাজের বলে বোল্ড হলে ৩০১ রানে অষ্টম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ ২ উইকেট জোসেফ ও সিলসকে নিয়ে ৫৫ রান যোগ করেন ওয়ারিক্যান। ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
৯০ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল হাসান। টেস্টে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঁচবার ফাইফারের দেখা পেলেন তিনি। মিরাজ ও তাসকিনের শিকার দুটি করে উইকেট।









