ক্রীড়া ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি মানেই যেন বাংলাদেশের কাছে একরাশ হতাশা। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ তো রয়েছেই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ—মেজর টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ একের পর এক বাজে নজির স্থাপন করছে। তবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে একটা পরিস্থিতিতে এখনো পড়েননি লিটন দাস-জাকের আলী অনিকরা।
পাকিস্তানের কাছে পরশু রাতে ১১ রানে হেরে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। তবে লিটন-জাকেরদের প্রসঙ্গ আসছে গত রাতে ভারত-শ্রীলঙ্কা সুপার ফোর ম্যাচের কারণে। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারে। জেতা ম্যাচ হেরে যাওয়া, হারা ম্যাচ জেতা, কখনো সহজ ম্যাচ কঠিন করে জেতা—ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদযন্ত্রের চূড়ান্ত পরীক্ষা বাংলাদেশ নিয়ে থাকে হরহামেশাই। কিন্তু আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০ বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সুপার ফোরে কোনো ম্যাচ খেলেনি। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়নি।
টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি সুপার ওভার খেলার রেকর্ড নিউজিল্যান্ড। তাদের ৯টি ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারে। জিতেছে ২ ম্যাচ ও হেরেছে ৭ ম্যাচ। সুপার ওভারে ম্যাচ খেলার রেকর্ডে যৌথভাবে দুইয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। তারা প্রত্যেকেই ৬টি করে ম্যাচ খেলেছে। সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হওয়া ৬ ম্যাচের ছয়টিতেই জিতেছে ভারত। প্রতিবেশী দেশ অপরাজেয় হলেও শ্রীলঙ্কার রেকর্ড এখানে খুব একটা সুখকর নয়। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে সুপার ওভারে লঙ্কানরা জিতেছে ২ ম্যাচ ও হেরেছে ৪ ম্যাচ।
টাইয়ের হিসেব করলে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ একটি করে বাড়বে। টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৭ ম্যাচ টাই করেছে নিউজিল্যান্ড। যার মধ্যে ২০০৬ সালে ইডেন পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড দুই দলই ১২৮ রান করে স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল। কিউইরা বোল আউট নিয়মে ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ভারতের বোল আউটে জয়ের রেকর্ড পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারত ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের। সেবার মূল ম্যাচে দুই দলই ১৪১ রান করে স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল।
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৭৮ ম্যাচ খেলার রেকর্ড পাকিস্তানের। এই তালিকায় তাদের পরই আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ভারত এখন পর্যন্ত ২৫৩ ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে ২০৩ ম্যাচ খেলে জিতেছে ৮১ ম্যাচ। হেরেছে ১১৭ ম্যাচ এবং পাঁচ ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ টি-টোয়েন্টিতে ৯ দল ২০০-এর বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছে।
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে ভারত গত রাতে ৫ উইকেটে করেছে ২০২ রান। অভিষেক শর্মা ৩১ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। শ্রীলঙ্কাও ৫ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান করেছে। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা। ৫৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় করেছেন ১০৭ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটা তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ফাইনালের আগে লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচটা সেমিফাইনাল মনে করে খেলেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। দুবাইয়ে আগামীকাল এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সুপার ওভারে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড
নিউজিল্যান্ড ৯
ভারত ৬
শ্রীলঙ্কা ৬
পাকিস্তান ৪
কাতার ৪

টি-টোয়েন্টি মানেই যেন বাংলাদেশের কাছে একরাশ হতাশা। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ তো রয়েছেই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ—মেজর টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ একের পর এক বাজে নজির স্থাপন করছে। তবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে একটা পরিস্থিতিতে এখনো পড়েননি লিটন দাস-জাকের আলী অনিকরা।
পাকিস্তানের কাছে পরশু রাতে ১১ রানে হেরে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। তবে লিটন-জাকেরদের প্রসঙ্গ আসছে গত রাতে ভারত-শ্রীলঙ্কা সুপার ফোর ম্যাচের কারণে। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারে। জেতা ম্যাচ হেরে যাওয়া, হারা ম্যাচ জেতা, কখনো সহজ ম্যাচ কঠিন করে জেতা—ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদযন্ত্রের চূড়ান্ত পরীক্ষা বাংলাদেশ নিয়ে থাকে হরহামেশাই। কিন্তু আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০ বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সুপার ফোরে কোনো ম্যাচ খেলেনি। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়নি।
টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি সুপার ওভার খেলার রেকর্ড নিউজিল্যান্ড। তাদের ৯টি ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারে। জিতেছে ২ ম্যাচ ও হেরেছে ৭ ম্যাচ। সুপার ওভারে ম্যাচ খেলার রেকর্ডে যৌথভাবে দুইয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। তারা প্রত্যেকেই ৬টি করে ম্যাচ খেলেছে। সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হওয়া ৬ ম্যাচের ছয়টিতেই জিতেছে ভারত। প্রতিবেশী দেশ অপরাজেয় হলেও শ্রীলঙ্কার রেকর্ড এখানে খুব একটা সুখকর নয়। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে সুপার ওভারে লঙ্কানরা জিতেছে ২ ম্যাচ ও হেরেছে ৪ ম্যাচ।
টাইয়ের হিসেব করলে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ একটি করে বাড়বে। টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৭ ম্যাচ টাই করেছে নিউজিল্যান্ড। যার মধ্যে ২০০৬ সালে ইডেন পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড দুই দলই ১২৮ রান করে স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল। কিউইরা বোল আউট নিয়মে ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ভারতের বোল আউটে জয়ের রেকর্ড পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারত ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের। সেবার মূল ম্যাচে দুই দলই ১৪১ রান করে স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল।
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৭৮ ম্যাচ খেলার রেকর্ড পাকিস্তানের। এই তালিকায় তাদের পরই আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ভারত এখন পর্যন্ত ২৫৩ ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে ২০৩ ম্যাচ খেলে জিতেছে ৮১ ম্যাচ। হেরেছে ১১৭ ম্যাচ এবং পাঁচ ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ টি-টোয়েন্টিতে ৯ দল ২০০-এর বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছে।
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে ভারত গত রাতে ৫ উইকেটে করেছে ২০২ রান। অভিষেক শর্মা ৩১ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন। শ্রীলঙ্কাও ৫ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান করেছে। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা। ৫৮ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় করেছেন ১০৭ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটা তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ফাইনালের আগে লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচটা সেমিফাইনাল মনে করে খেলেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। দুবাইয়ে আগামীকাল এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সুপার ওভারে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড
নিউজিল্যান্ড ৯
ভারত ৬
শ্রীলঙ্কা ৬
পাকিস্তান ৪
কাতার ৪

সিলেট টাইটানস কিংবা রাজশাহী ওয়ারিয়র্স–উভয় দলই আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে। তাই দুদলের মধ্যকার আজকের ম্যাচটি ছিল টেবিলের শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। সে লড়াইয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের দলকে ৫ রানে হারিয়েছে রাজশাহী।
১ ঘণ্টা আগে
টানা ২ জয়ে প্লে অফের আশা টিকিয়ে রেখেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। কিন্তু এরপরই বিপিএল ছেড়ে চলে যান মোহাম্মদ নবি। আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি নিজেদের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ বলে মনে করছেন নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্দান্ত ফর্মে আছেন শরিফুল ইসলাম। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটিতে উইকেট শিকারীদের তালিকার শীর্ষে আছেন তিনি। চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই বাঁ হাতি পেসার জানালেন, ব্যক্তিগত ডাটা অ্যানালিস্ট রাহুলের সঙ্গে কাজ করে এবারের বিপিএলে সফল তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে গত তিন দিন ধরে নতুন বিবাদ শুরু হয়েছে ক্রিকেট পাড়ায়। এমন মন্তব্যের জেরে অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন বিসিবির আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহ
৩ ঘণ্টা আগে