
টানা হারের বৃত্তে আটকে থাকা নোয়াখালী এক্সপ্রেস নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) গতকাল নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কাছে ৯ রানে হেরেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। এই হারের জন্য ব্যাটারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন রংপুরের স্পিন বোলিং কোচ মোহাম্মদ রফিক।
জিতলেও নোয়াখালীর পুঁজি বড় ছিল না। ১৪৮ রানে অলআউট হয় হায়দার আলীর দল। রান তাড়ায় রংপুর থেমেছে ১৩৯ রানে। অথচ দলটিতে আছেন ডেভিড মালান, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, ইফতেখার আহমেদ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, খুশদিল শাহদের মতো পরীক্ষিত ব্যাটাররা। তারকায় ঠাসা ব্যাটিং লাইন নিয়েও ১৪৮ রান তাড়া করে জিততে না পারায় হতাশ রফিক। সাবেক ক্রিকেটারের মতো, বড় নাম বা মুখ নয়, মাঠের খেলায় জেতার জন্য দরকার পারফরম্যান্স।
হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রফিক বলেন, ‘লক্ষ্য মোটামুটি ভালোই ছিল। প্রথম কথা হলো, প্রতি ম্যাচে আমাদের ব্যাটাররা পাওয়ারপ্লেতে ভালো করতে পারছে না। এখানে আমরা একটু পিছিয়ে যাচ্ছি। তারপর আবার দেখা যায় মাঝে দু-একটা উইকেট পড়লে রানের গতি কমে আসে। সব মিলিয়ে বলব, আমাদের ব্যাটিং একটু খারাপ হচ্ছে।’
ক্রিকেটাররা নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারায় কিছুটা ক্ষুব্ধ রফিক, ‘নোয়াখালীর বিপক্ষে আমাদের ব্যাটারদের আউট হওয়ার ধরনগুলো দেখেছেন। সবগুলো কিন্তু ভুল শট নির্বাচন করতে যেয়ে আউট হয়েছে। আমি মনে করি, খাতা-কলমে আমাদের যে দল হয়েছে…চেহারায় কিন্তু খেলা হয় না, খেলা হয় মাঠে। আমরা এদিক দিয়ে পিছিয়ে আছি।’
ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকা নোয়াখালীর কাছে হারকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন রফিক। তিনি বলেন, ‘এটা (নোয়াখালীর কাছে ম্যাচ হারা) খেলার অংশ। এটা অবাক করার মতো কিছু তা তো বলা যাবে না। বড় দলগুলো এমন ছোট দলের কাছেই ধরা খেয়ে যায়। মিটিংয়ের সময় কোচ বলেছে, “দেখো ওদের (নোয়াখালী) হারানোর কিছু নেই। কিন্তু আমাদের হারানোর অনেক কিছুই আছে।” এই ম্যাচে সেটাই প্রমাণ হলো।’

ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাননি এখনো। তবে ভারতীয় ক্রিকেটে এখন বেশ আলোচিত নাম আকিব নবি। রঞ্জি ট্রফির ৬৭ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে জম্মু-কাশ্মীর। ১০ ম্যাচে ৬০ উইকেট নিয়ে প্রথমবার ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট জয়ের নেপথ্য দলটির নায়ক তিনি।
৫ মিনিট আগে
তবে অলৌকিক কিছু করার কথা এড়িয়ে গেলেন না বাটলার, ‘আমি বড় কোনো আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখছি না, এই পেশায় অনেকদিন ধরে আছি এবং অনেক মহাদেশে কাজ করেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি মাঝেমধ্যে অদ্ভুত বা অলৌকিক কিছু ঘটে যেতে পারে। আমরা আমাদের ফুটবল খেলব এবং মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা
২৯ মিনিট আগে
এভাবেও ফিরে আসা যায়—মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আজ এমনটাই করে দেখাল ইন্টার মায়ামি। দুই গোল হজমের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মায়ামি। সেটা সম্ভব হয়েছে লিওনেল মেসির জাদুতে। ইন্টার এন্ড কোং স্টেডিয়ামে ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইন্টার মায়ামি।
১ ঘণ্টা আগে
মুশফিকুর রহিমের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছিল গত কয়েক দিন ধরেই। সৌদি আরবে ওমরাহ করতে গিয়ে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে আজ সকালে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
২ ঘণ্টা আগে